মাজার রক্ষায় আমরা অবিরাম সংগ্রামমুখর
মোমিন মেহেদী
কেউ কখনো খেয়াল করেছেন কি না জানি না। আমি খেয়াল করেছি ছাত্র জীবন থেকেই যে, মজিদের দরোজা নামাজের পরপরই বন্ধ হয়ে গেলেও ছিন্নমূল মানুষ আশ্রয় নিতে পারে মাজারে। মানুষকে আশ্রয় দেওয়ার জায়গা তো আমরা তৈরি করিনি। শাহপরাণ, শাহ আলী বা শাহজালাল (র)-এর মাজারে শত শত ছিন্নমূল মানুষ দেখা যায়; যাদের যাওয়ার কোনো জায়গা নেই। অনেক সুচিন্তার মানুষের মত আমিও আমার স্ত্রীকে সাথে নিয়ে দেশের বিভিন্ন মাজাওে গিয়েছি। এত মানুষ; কিন্তু কোনোদিন কারও গায়ের সঙ্গে স্পর্শ পর্যন্ত লাগে না, এটা তো অন্য কোথাও হয় না। মাজারের জায়গাটা কতটা পবিত্র, যারা মাজারে ধ্যান করে, তারা কতটা পবিত্র! সেখানে নারীদের কেউ কোনো হেনস্তা করে না।
আমাদের হাজার বছরের ইতিহাস রয়েছে এই মাজার কেন্দ্রিক। যখন স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় ছিল না, তখন মাজারগুলোই মানুষকে সঠিক পথে নির্দেশনা দিয়েছে। মাজার মানুষকে প্রেমের বন্ধনে আবদ্ধ করেছে, ধর্মীয় শিক্ষাও দিয়েছে। একথা কিন্তু দিনের আলোর মত সত্য। এখন পর্যন্ত গত প্রায় ২০ মাসে সাড়ে ৩ শতরও বেশি মাজার ভাঙা হয়েছে। এতে করে অনেক ছিন্নমূল মানুষ বিতাড়িত হয়েছেন, যাদের খাবার, থাকার জায়গা নেই। একজন পাগল বলেছিল, এখানে আসি; এখানে এলে তিন বেলা খাবার পাই। সেজন্য পাগলরা ওখানে যায়, ওখানে থাকে। যতগুলো মাজার ধ্বংস করা হয়েছে সেগুলো অবিলম্বে আগের রূপে ফিরিয়ে আনা, যেসব ছিন্নমূল মানুষ বিতাড়িত হয়েছেন, তাদেরও ফিরিয়ে আনতে হবে। এ বিষয়ে রাষ্ট্রের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। আমরা দেখছি, বায়তুল মোকাররমে হামলা, পাহাড়ে বিভিন্ন নির্যাতন-নিপীড়নের চিত্রও দেখছি। এসব থেকে নিরাপত্তা পেতে হলে মাজারগুলোকে নিরাপত্তা দিতে হবে। যতদিন পৃথিবী থাকবে, ততদিন মাজার ভূমিকা রাখবে পথহারা মানুষকে সঠিক পথ দেখাবার জন্য।
মাজার নিয়ে অনেকের সাথে অনেক ধরণের আলোচনা করেছি। এত এত আলোচনার মধ্য দিয়ে একটা বিষয় সবার আগে উঠে আসবে- বাংলাদেশে ঔপনিবেশিক কাল থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত ঘোষণা দিয়ে কেউ কখনও মাজার ভাঙেনি। এবার ঘোষণা দিয়ে আক্রমণ হয়েছে। অনেক জায়গায় একাধিকবার আক্রমণ হয়েছে এবং শাহপরাণে হামলায় একজনকে মেরে ফেলা হয়েছে। এসব ঘটনার দায়ভার ক্ষমতাসীন সরকারকেই নিতে হবে এবং সমাধানের পথ তৈরি করে ভূমিকা রাখতে হবে বাংলাদেশ, ধর্ম-মানবতা ও সমাজ-সভ্যতার প্রতি সর্বোচ্চ দায়বদ্ধতার কথা ভেবে। মাজারে হামলা বন্ধের দাবিতে লিখবার কারণে আমার উপর নির্মম হামলা করা হয়েছিলো ২০২৫ সালের ২৯ ডিসেম্বর রাতে। এই ঘটনার মাত্র দুদিন আগে ২৭ ডিসেম্বর ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় শুক্রবার গভীর রাতে হজরত বাবা শাহ সত্যপীরের মাজার ও কবর ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। যতটুকু জেনেছি- মাজারটি উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নস্থ বিজিবি ক্যাম্পের সামনে অবস্থিত।
শুক্রবার রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা মাজারের গ্রিল ভেঙে ভেতরে ঢোকে। এ সময় মাজারের পাশে থাকা তিনটি কবরও ভাঙচুর করা হয়। তবে মূল মাজার ও দানবাক্স অক্ষত আছে। শনিবার সকালে বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পীর-আউলিয়ার বাংলাদেশে হাজার হাজার মাজার আর খানকার মতই এই মাজারেও কখনও অনৈতিক কার্যক্রম, এমনকি গান-বাজনাও অনুষ্ঠিত হয়নি। তবুও হামলা-ভাংচুর হয়েছে এই অভিযোগে যে, ‘অসামাজিক কাজ হয়েছে।’ কিন্তু বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন; অধিকাংশ মাজারই মানুষের আধ্যাত্মিকতা চর্চার অনন্য স্থান। অন্যান্য মাজার বা দরবারের মতই দীর্ঘদিন ধরে মাজারটি এলাকার মানুষের আধ্যাত্মিক আশ্রয়স্থল হিসেবে পরিচিত। বহু মানুষ মানত ও প্রার্থনা নিয়ে এখানে আসেন। এমন একটি পবিত্র স্থানে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও সাধারণ মানুষ গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এটি ন্যক্কারজনক ঘটনা। এর সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে একাধিক কর্মসূচি হলেও শোনেনি কেউ- কোনো প্রতিষ্ঠান। সেই সুযোগটাই কাজে লাগিয়েছে ছাত্রদের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে পরিবর্তন হওয়া এই সময়ে। অবশ্য তারও অনেক আগে মাজার রক্ষায় এবং সেখানকার শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) নির্দেশ দিয়েছিলো ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। মাজারে যে আক্রমণ হয়েছে, এখনও আক্রমণ হওয়ার মতো অবস্থা রয়েছে। তার কারণ হলো গণঅভ্যুত্থানের পরে যেভাবে গণক্ষমতা প্রতিষ্ঠা ও গণরাষ্ট্র গঠনের জন্য সব স্তরের জনগণকে সম্পৃক্ত করার কথা ছিল, তাকে অস্বীকার করা হয়েছে।
উপদেষ্টা সরকার দুর্বল, সব সিদ্ধান্ত ওপর থেকে চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ফলে সামাজিক বিশৃঙ্খলা তৈরি হচ্ছে। এটা হামলাকারীরা বুঝতে পারছে। তারা রাষ্ট্র ও সমাজকে আরও অস্থিতিশীল করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। দ্বিতীয়ত, মাজার কেন কিংবা কোন অর্থে গুরুত্বপূর্ণ তা নিয়ে আমাদের সমাজে কোনো আলোচনা নেই। আত্মার আকুতি প্রকাশের কোনো সাংস্কৃতিক বা প্রাতিষ্ঠানিক পরিসর আমরা গড়ে তুলতে পারিনি। ধর্ম বা থিওলজির মর্ম বোঝা বা অধ্যাত্মবাদের কোনো ইহলৌকিক ব্যাখ্যা আমাদের সেক্যুলার বা বুদ্ধিজীবীরা দিতে পারে না। ফকির লালন, খালেক দেওয়ান, আব্দুল হালিম, আরকুম শাহসহ বিভিন্ন ফকির, দরবেশ, পীর, মুরশিদের গান শুনলে দেখা যাবে যে, সেখানে ধর্মতত্ত্বের গুরুত্বপূর্ণ দার্শনিক জিজ্ঞাসাগুলো তুলে ধরা হয়েছে। যে কারণে স্বভাবতই মানুষ এতে আকৃষ্ট হয়। এই তত্ত্বগুলো দাঁড় করানোর মধ্য দিয়ে যে নতুন চিন্তা হাজির হয়, তার সঙ্গে কথিত পরকালবাদীদের একটা দ্বন্দ্ব তৈরি হয়, বিশেষত যারা ধর্ম বলতে পরকালকেই বোঝে। তারা আক্রমণের শুরুতে গাঁজার কথা বলে, অথবা জমি নিয়ে বা আধিপত্য নিয়ে মারধর কিংবা দানের বাক্স কার কাছে আছে, এসব দ্বন্দ্ব এসে হাজির হয়। এটা বড় কোনো বিষয় ছিল না। তবে এখন এটিকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়া হচ্ছে।
কারণ, রাষ্ট্র এখন খুবই দুর্বল। সেই সঙ্গে মাজার প্রশ্নে রাষ্ট্রের কোনো পরিষ্কার ব্যাখ্যা নেই, রাষ্ট্র কীভাবে মাজার রক্ষা করবে, তা নিয়ে ফৌজদারি ব্যবস্থা ছাড়া পরিষ্কার কোনো বয়ান নেই। মাজার নিয়ে সেসব হাদিসের কথা বলা হয়; আমাদের এখানে এমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইমামকে আমরা দেখিনি, যারা মাজার ভাঙার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। বরং তারা বলেছেন মাজার ভাঙার পরপরই তো এদের ধরা উচিত ছিল, গ্রেপ্তার করা উচিত ছিল। কিন্তু করেনি ইউনূস সরকার; করছে না বিএনপি সরকারও। যদি দেশে আইন ও বিচারের সংস্কৃতি এভাবে বেহাল দশার মুখোমুখি হতেই থাকে; তাহলে আগামীতে আরো মাজার ভাঙ্গার ঘটনা দেখতে হবে গণমাধ্যমে; সেই সাথে অসংখ্য পীর-মাশায়েখকেও হারাতে হবে জীবন। যেমন হারিয়েছেন নীতিবান মানুষ হিসেবে ব্যাপক পরিচিত কুষ্টিয়ার পীর শামীম জাহাঙ্গীর (র.) কে। খোড়া যুক্তি দেখিয়ে কেবলমাত্র লুটপাটের আশায় মাজারগুলোতে যারা গত ৫ আগস্ট পরবর্তী সময় থেকে এখন পর্যন্ত হামলা করেছে, হত্যা করেছে এমনকি কবর থেকে লাশ উঠিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে; তাদেরকে আইনের আওতায় না এনে ছাড় দেয়ার কারণে প্রতিনিয়ত অপরাধ বাড়ছে পাল্লা দিয়ে। সেই সাথে একটা কথা খুবই আলোচিত হচ্ছে। আর তা হলো- যারা মাজারে হামলা করছে, তারা কি বড় বড় হোটেল; যেখানে ড্রাগস খাওয়া হয়, মদ খাওয়া হয়– সেখানে আক্রমণ করতে পারছে? বড় বড় কনসার্টে যে মাদক সেবন হয় সেখানে কী তারা আক্রমণ চালাচ্ছে?
এখানে একটা শ্রেণিগত বিষয় রয়েছে। তারা গরিব মানুষকে আক্রমণ করছে। নিরীহ ধর্মপ্রাণ মানুষদেরকে খুন করছে, লুট করছে। এখানে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি ছাত্রদের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে ৫ আগস্টের পর থেকে যত অপরাধ হয়েছে; তার অধিকাংশ ঘটনায় দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার হয়নি; অনেক থানায় মামলা নিতেই গড়িমসি করা হয়; ‘ধর্মীয় অনুভূতি’ অজুহাতে কঠোর পদক্ষেপ এড়ানো হয়। মাজার ভাঙচুর থামানো না গেলে- ধর্মীয় সহিংসতা বাড়বে; সুফি বিরোধী সঙ্ঘাত তীব্র হবে; ভবিষ্যতে মন্দির, চার্চ এমনকি ভিন্ন মতের মসজিদও টার্গেট করা হতে পারে। পুরো ঘটনার পেছনে রাষ্ট্রীয়ভাবে বাংলাদেশকে অস্থির ও অসহিষ্ণু প্রমাণের উদ্দেশ্য থাকতে পারে বলে মনে করা হয়। একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিক হলো বাংলাদেশে সালাফি বা কওমি ধারার মসজিদ মাদরাসা আর সুফি ধারার ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান পাশাপাশি হাজার বছর থাকলেও কেউ কারো স্থাপনা ভাঙতে দেখা যায়নি। অথচ ৩৬ জুলাইর পর মহোৎসবে কোনো সময় মন্দির ভাঙা আবার কোনো সময় মাজার ভাঙা হলেও ‘রাজুতে আয় বলে’ মবকে আরো উশকে দিয়েছে ছাত্র আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়া কোনো কোনো নেতা। অন্য অনেকের মত আমিও মনে করি- মাজার ভাঙচুরের মতো আইন হাতে তুলে নেয়াকে স্পষ্টভাবে অপরাধ ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম হিসেবে চিহ্নিত করা এবং কারা এটি করছে তা সুনির্র্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করা। আর এ ধরনের ঘটনা ঘটানোর পর অনুমানের ভিত্তিতে কওমি ও আহলে হাদিসের অনুসারী দায়ী করে মামলা হয়রানি না করা।
এ বিষয়ে হক্কানি আলেমদের বক্তব্য ও অবস্থান তুলে ধরতে মিডিয়াগুলো ভূমিকা রাখতে পারে। হামলায় প্রকৃত জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরপেক্ষ ও সক্রিয় ভূমিকা নিশ্চিত করা। মাজার ভাঙা কেবল উগ্রতার ঘটনা নয়- এটি ধর্মীয় দৃষ্টিতে সমর্থনযোগ্য নয়। তা ছাড়া রাষ্ট্রের আইন, ইতিহাস ও সামাজিক সহনশীলতার বিরুদ্ধে এক সংগঠিত আঘাত বলে বিশ্বাস করার যথেষ্ট যুক্তি আছে। যেসব দেশী-বিদেশী শক্তি বাংলাদেশকে দুর্বল করতে চায় তারা এ ধরনের ঘটনার পেছনে সক্রিয় কি না সেটি খুঁজে বের করা এখন সময়ের দাবি। এই দাবির প্রতি শ্রদ্ধা দেখাতে ব্যর্থ হলে একসময়ের গুম হওয়া বর্তমান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীকেও গুনতে হবে ভয়াবহ ভুলের মাশুল। তা করতে না চাইলে আমি-আপনি সবাই জানি- তিনি নিবেদিত থাকবেন নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টায় আমাদের মাজার রক্ষার পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলার উন্নতির জন্য। বিশে^র দ্বিতীয় বৃহত্তম মুসলিম দেশ বাংলাদেশে ৯৫ ভাগ মুসলিম; কিন্তু তাদের মধ্যে সুফিবাদী বা মারফতি লাইনের কতজন, সেটা বুঝতে হবে।
মহানবী (সা.) হেরা গুহায় ছিলেন সেটা ফকির-দরবেশরা বলে থাকে। তিনি মারফত থেকে এসে শরিয়ত তৈরি করেছেন। আমাদের দেশের মারফতি ফকিররা বিশ্বাস করেন, মারফত বাদ দিয়ে আসলে শরিয়তের কাজ হয় না। মারফত বুঝেশুনেই শরিয়তটা করতে হয়, মারফতি জায়গাটা হলো মাজার শরিফ, আখড়া, আশ্রম, দরগা শরিফ সেখানে সব সময় শুদ্ধচিন্তা, প্রেমের চর্চা হয়। সেখানকার সাঁই মানবতার মন্ত্রে দীক্ষিত, শিষ্যের ভেতরে সেটাই প্রতিষ্ঠিত করেন। যে নামেই ডাকুক, সব মানুষই এক স্রষ্টার সৃষ্টি। আমাদের দেশে শান্তির ধর্ম এসেছে ১০৫৩ সালে নেত্রকোনার মদনে শাহ মুহাম্মদ সুলতান কমরউদ্দিন রুমির (র.) মাধ্যমে। তিনি ওই অঞ্চলে মারফতি ঘরানার ইসলাম চর্চা করেন। এ ধারাটাই বাংলাদেশে শক্তিশালী। যারা এখন ক্ষমতায় আছে, দায়দায়িত্ব তাদের নিতে হবে। তারা জানে কোন কোন জায়গায় আঘাত আসতে পারে। তারা যদি আগে থেকে ঘোষণা দিত যে, মাজার কিংবা ধর্মীয় কোনো জায়গায় আঘাত করা যাবে না, তাহলে কিন্তু এমনটা হতো না...
লেখক : ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, দৈনিক পূর্বাভাস।
পাঠকের মতামত:
- রাজবাড়ীতে পদ্মার বালু উত্তোলনের দায়ে ১০ জনকে কারাদণ্ড
- ‘সালথার সহিংসতা ও মাদক নির্মূলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে’
- বাবা বুড়োঠাকুরের গাছতলা ধামে ৪ দিনব্যাপী বৈশাখী উৎসব ও লোকজ মেলা শুরু
- দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডে প্রথম দিনেই ১১৭৮ পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত, বহিষ্কার ১
- সোনাতলায় হাম-রুবেলা প্রতিরোধে টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন
- মাজার রক্ষায় আমরা অবিরাম সংগ্রামমুখর
- কাপ্তাইয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষা শুরু
- কাপ্তাইয়ে ১১ দিনব্যাপী হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন
- রাজপাট রাধা মদন মোহন সেবাশ্রমের সেবাইতসহ দু’জনকে মারপিট
- বগুড়া সিটি করপোরেশনের যাত্রা শুরু
- সুবর্ণচরে জমকালো আয়োজনে শেষ হলো লোকজ মেলা
- বুধ ও বৃহস্পতিবার ভার্চ্যুয়ালি চলবে সুপ্রিম কোর্ট
- নারী আসনে ১৩ প্রার্থীর নাম প্রকাশ করলো জামায়াত জোট
- গম পাচারের অভিযোগে অভিনেত্রী নুসরাতকে তলব
- ইউরোপের লিগে দল কিনলেন ক্রিস গেইল
- নয় মাসে রাজস্ব আদায় বেড়েছে ২৮ হাজার ৮৬৬ কোটি টাকা
- ‘এসএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরে হতে হবে, লাউড অ্যান্ড ক্লিয়ার’
- এপ্রিলের ১৯ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬ হাজার ১০৯ কোটি টাকা
- এসএসসি-সমমানের পরীক্ষায় বসছে ১৮ লাখ পরীক্ষার্থী
- পুলিশের পোশাক ফিরছে নীল ও অলিভ রঙে
- ‘যারা সংস্কার সংস্কার করে, তারা নারী স্বাধীনতা নিয়ে কথা বলে না’
- 'হিলিতে পাকবাহিনী ও মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়'
- সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপে বাসস্থান ফিরে পেলেন উচ্ছেদ হওয়া দুই ভূমিহীন পরিবার
- উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের বীর সেনানী সামসুদ্দোহার চিরবিদায়
- পুরাতন সাতক্ষীরার কেন্দ্রীয় মন্দিরে চুরি, ৪০ দিনেও আলামত উদ্ধার হয়নি
- জাকসু নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে
- ভৈরবে মাসব্যাপী শিল্প ও বাণিজ্য মেলা উদ্বোধন
- ভোলার তজুমদ্দিনে কৃষক দলের সমাবেশ অনুষ্ঠিত
- ট্রেন লাইনচ্যুত, রাজশাহীর সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ
- রংপুরে ‘নিরাপদ অভিবাসন ও বিদেশ ফেরতদের পুনরেকত্রীকরণ শীর্ষক’ কর্মশালা
- বইমেলা স্থগিত
- শরীয়তপুরের ৩টি আসনে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী ঘোষণা
- মেঘনার বুকে ‘মিনি কক্সবাজার’
- ‘এমন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত চাই যেখানে নতুন করে কেউ জালিম হবে না’
- মেহেরপুরে ৭০১৯৪ শিশু খাবে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল
- নড়াইলে ছাত্রদলের উদ্যোগে শোক র্যালি
- ‘বিশ্বাসই হলো অর্থনীতির আসল মুদ্রা’
- ভৈরবে দুই শিশুর মারামারিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, বাড়িঘর ভাঙচুর, আহত ১৫
- তেঁতুলিয়া থেকে দৃশ্যমান হচ্ছে অপরূপ পবর্তশৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘা
- তোমার রক্তের বদলা নিতে সেনা সদরে উদগ্রীব হয়েছিলেন মাত্র একজন কর্নেল শাফায়াত জামিল!
- ‘জুলাই সনদ জালিয়াতির পরিণতি শুভ হবে না’
- রোনালদোকে ঘিরে সৌদি ট্যুরিজমের বৈশ্বিক ক্যাম্পেইন
- ‘সংস্কারের কথা বলে নির্বাচন পেছানো যাবে না’
- আকিজ বেভারেজ কারখানায় সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, নিহত ৪
- শরীয়তপুরে মানব পাচারকারীদের বিচারের দাবিতে আমরণ অনশন
-1.gif)








