E Paper Of Daily Bangla 71
Sikdar Dental Care
Walton New
Mobile Version

ফিলিপাইন থেকে বাংলাদেশ: মার্কিন চুক্তির ইতিহাস কি বলে?

২০২৬ মে ২৬ ১৫:৫৯:২৪
ফিলিপাইন থেকে বাংলাদেশ: মার্কিন চুক্তির ইতিহাস কি বলে?

মারুফ হাসান ভূঞা


সাম্প্রতিক সময়ে অর্থাৎ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে দ্বিপাক্ষিক অংশীদারিত্ব, নিরাপত্তা কিংবা কৌশলগত সহযোগিতামূলক চুক্তির আলোচনায় দেশের সচেতন নাগরিকদের মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে। এই সম্ভাব্য চুক্তিগুলোর শর্তাবলী এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে মানুষ তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করছে। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট এমন সংবেদনশীল বিষয়ে ব্যাপক জনপ্রতিক্রিয়া থাকা সত্ত্বেও বর্তমান নির্বাচিত সরকারের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া নেই।

‎সামরিক সরঞ্জাম ও পরিষেবা অধিগ্রহণ চুক্তিতে বলা হচ্ছে এটি একটি দ্বিপাক্ষিক লজিস্টিক সহায়তা চুক্তি, যার মাধ্যমে মার্কিন সামরিক বাহিনী দেশের ভূমি, বন্দর, বিমানবন্দর ও সামরিক স্থাপনা ব্যবহার করে জ্বালানি, খাদ্য, পরিবহন, গোলাবারুদ ও সরঞ্জাম আদান-প্রদান করতে পারে।

‎সামরিক গোয়েন্দা তথ্য সুরক্ষা চুক্তিতে বলা হচ্ছে এটি একটি সামরিক গোয়েন্দা তথ্য সুরক্ষা চুক্তি, যার মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশের সামরিক বাহিনী গোপন প্রতিরক্ষা তথ্য আদান-প্রদান করবে এবং মার্কিন সামরিক প্রযুক্তি ও অস্ত্র কেনার জন্য একটি আইনগত ভিত্তি তৈরি হবে।

‎এই দুটি চুক্তি কি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি উদ্যোগ নিয়েছে? না এই চুক্তির পরিকল্পনা ও আলোচনা ২০১৯ সালে প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে সামনে আসে। ২০২৩ সালের নবম নিরাপত্তা সংলাপের পর তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. আব্দুল মোমেন বলেছিলেন, নির্বাচনের আগে এই চুক্তি সই হবে না। অর্থাৎ তৎকালীন আওয়ামীলীগ সরকারও চুক্তিতে সই করতে প্রস্তুত ছিল। কিন্তু ২০২৪ সালে সরকার পরিবর্তনের পর মার্কিন উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভিক্টোরিয়া নুল্যান্ডের ঢাকা সফরে এই দুটি চুক্তির খসড়া পাস হয়। যেটি ছিল অত্যন্ত উদ্বেগের কারণ তখন বাংলাদেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতায়। নির্বাচিত সরকার ছাড়া কোনো চুক্তিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সই কিংবা সে বিষয়ে কর্যক্রম পরিচালনার ইখতিয়ার নেয়। ২০২৬ সালে মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মার্চ মাসের ঢাকা সফরের পর এই চুক্তি চূড়ান্তকরণের গতি আরও বেড়ে যায়।

‎মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই চুক্তিকে স্বাভাবিক লজিস্টিক চুক্তি হিসেবে উপস্থাপন করে, কিন্তু এর বাস্তব পরিণতি অনেক গভীর। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এই চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের ঢাকা ও কক্সবাজার বিমানবন্দর ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে মার্কিন যুদ্ধবিমানের জ্বালানি সংগ্রহের কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। নিরাপত্তা গবেষকরা বলছেন, এই চুক্তি মূলত ঘাঁটি ছাড়াই ঘাঁটি প্রতিষ্ঠার একটি কৌশলগত হাতিয়ার। অর্থাৎ দক্ষিণ এশিয়া বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি প্রস্তুত করার বিশেষ উদ্যোগ।

‎এই সামরিক চুক্তির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এতে উল্লেখ রয়েছে বার্ষিক আর্থিক সীমা যৌথভাবে ঘোষিত সক্রিয় যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ যুদ্ধকালীন মুহূর্তে বাংলাদেশের ভূমি ও অবকাঠামো মার্কিন বাহিনীর অবাধ ব্যবহারের আওতায় চলে আসতে পারে তখন বাংলাদেশের কাছে বাধা দেওয়ার আইনগত সুযোগ সীমিত হয়ে পড়বে। বরং সে সুযোগ মোটামুটি ভাবে থাকবেনা এটি নিশ্চিত। যে একই চুক্তি ফিলিপাইনকে অজান্তেই মার্কিন যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলতে পারে। একই ঝুঁকি বাংলাদেশের জন্যও থাকবে না সেটি কোনোভাবে নিশ্চিত নয়।

‎আরেকটি চুক্তিটি রয়েছে উন্নত সামরিক গোয়েন্দা তথ্য সুরক্ষা। কিন্তু আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতামত অনুযায়ী, এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ একবার তার গোয়েন্দা কাঠামো মার্কিন নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত করলে পরে নিজস্ব সরঞ্জাম স্বাধীনভাবে পরিচালনা করার সক্ষমতা হারাবে। বিশ্লেষকরা একে কার্যক্ষম নির্ভরশীলতার ফাঁদ বলছেন। এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের রাডার ব্যবস্থা ও নৌ লজিস্টিক মার্কিন নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত হলে কার্যত বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা অবকাঠামো একটি পরাশক্তির বৈশ্বিক কর্মসূচির অংশ হয়ে যাবে। যা বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক রূপ।

বাংলাদেশের উদ্বেগ কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। বিশ্বের অনেক দেশ একই ধরনের মার্কিন চুক্তি নিয়ে কঠিন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছে। ফিলিপাইন, জাপান, ইরাক, কোরিয়াসহ অন্যান্য দেশের পরিস্থিতি বাংলাদেশের সাথে এই চুক্তির ভবিষ্যৎ উন্মোচন করছে।

‎১. ১৯৯১ সালে ফিলিপাইনের সিনেট দেশ থেকে মার্কিন ঘাঁটি উচ্ছেদ করে। কিন্তু পরবর্তী বছরগুলোতে সামরিক চুক্তির মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পুনরায় সামরিক প্রবেশাধিকার পুনঃস্থাপন করে। ফিলিপাইনের অভিজ্ঞতা থেকে দেখা গেছে, এই চুক্তিগুলোর আওতায় মার্কিন সামরিক বাহিনীর সদস্যরা যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি থেকে শুরু করে বিভিন্ন দেশের উপর আক্রমণ, ভয় দেখানো সহ নানা যুদ্ধ কেন্দ্রীক তৎপরতায় যুক্ত থাকতেন। অন্যদিকে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সদস্যরা ফিলিপাইনের আইনের এখতিয়ারের বাইরে থেকে অপরাধ করেও পার পেয়ে গেছে। অর্থাৎ বিদেশি সামরিক কর্মী দেশের ভেতরে থাকবে, কিন্তু দেশের আইনে তাদের বিচার হবে না। দেশ হয়ে উঠে মার্কিন সামরিক বাহিনীর নিয়ন্ত্রণিত দ্বীপ।

‎২. ২০০৩ সালের পর মার্কিন দখলদারিত্বের সময় ইরাকে এই ধরনের সামরিক চুক্তি আরোপ করা হয়, যা সে দেশের সার্বভৌমত্বের চরম অবমাননা হিসেবে ইতিহাসে পরিচিত। ইরাকের অভিজ্ঞতা দেখিয়েছে যে একবার এই ধরনের চুক্তিগত কাঠামো তৈরি হলে তা থেকে বের হওয়া কতটা কঠিন। মার্কিন সামরিক উপস্থিতির বিরুদ্ধে ইরাকের পার্লামেন্ট ভোট দেওয়ার পরেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চলে যায়নি। বরং ইরাকের অর্থনীতি পুরোপুরি ধ্বংস করা সহ। ইরাককে রাষ্ট্র হিসেবে পঙ্গু করা পর্যন্ত মার্কিন সামরিক বাহিনী একবিন্দুও সরে দাঁড়াইনি।

‎বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক অবস্থানে রয়েছে একদিকে ভারত, অন্যদিকে মিয়ানমার, এবং বঙ্গোপসাগর হয়ে ইন্দো-প্যাসিফিকের সাথে সংযোগ। এই কারণেই বাংলাদেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।বাংলাদেশের রপ্তানির প্রায় আট বিলিয়ন ডলারের গন্তব্য যুক্তরাষ্ট্র। এই অর্থনৈতিক নির্ভরতার কারণে চুক্তি না করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উপর অদৃশ্য চাপ থাকে। কিন্তু একইসাথে, চীন বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম বিনিয়োগকারী ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের সরবরাহকারী, এবং ভারত বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক শক্তি ও ব্যবসায়িক অংশীদার।

‎যদি বাংলাদেশ এই চুক্তিগুলো সই করে, তাহলে চীন বাংলাদেশকে মার্কিন জোটের অংশ হিসেবে দেখবে এবং বিদ্যমান বিনিয়োগ ও সহযোগিতা পুনর্মূল্যায়ন করবে। ভারত, যে নিজে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে এই ধরনের চুক্তি করলেও নিজের ভূখণ্ডের ভেতরে কোনো বিদেশি শক্তির ঘাঁটি নেই, বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে মার্কিন সামরিক উপস্থিতিকে নিজের নিরাপত্তা হুমকি হিসেবে দেখতে পারে। মিয়ানমারে বিদ্যমান সংকট ও রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশ মার্কিন পক্ষের একটি দেশ হিসেবে পরিচিতি পাবে, যা আঞ্চলিক জটিলতাকে আরও বাড়াবে।

‎সবচেয়ে গুরুতর বিপদ হলো, চুক্তির মাধ্যমে যদি বাংলাদেশের কক্সবাজার বিমানবন্দর বা চট্টগ্রাম বন্দর মার্কিন সামরিক কাজে ব্যবহৃত হয়, তাহলে ভারত বা চীনের সাথে যেকোনো উত্তেজনার সময় বাংলাদেশ আক্রমণের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হতে পারে এতে যে যুদ্ধের সাথে বাংলাদেশের কোনো সম্পর্ক নেই, সেই যুদ্ধের ক্ষতি বহন করতে হবে বাংলাদেশকে।

‎৩. বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪৫ (ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বিদেশের সাথে সম্পাদিত সকল চুক্তি রাষ্ট্রপতির কাছে পেশ করতে হবে এবং সংসদে উপস্থাপন করতে হবে। প্রশ্ন হলো, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে কোনো নির্বাচিত সংসদ ছাড়া করা চুক্তির আলোচনা কি সাংবিধানিকভাবে বৈধ ছিল? বর্তমান নির্বাচিত সরকারও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সে অবৈধ প্রক্রিয়া কেনো অনুসরণ করছে? সংসদে এই চুক্তি বিষয়ে কোন প্রকার আলোচনার পর্ব সরকার বা বিরোধী দলের পক্ষ থেকে করা হচ্ছে না।

আন্তর্জাতিক কূটনীতির প্রচলিত নীতি অনুযায়ী, যেকোনো দ্বিপাক্ষিক চুক্তির খসড়া চূড়ান্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত আলোচনা সংবেদনশীল থাকলেও আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরের আগে জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করা, জনসম্মুখে সে চুক্তির বিষয় প্রকাশ করা, সমাজের নানা স্তরের মানুষের মতামত নেওয়া গণতান্ত্রিক দায়িত্ব। বর্তমান বিএনপি সরকার এই দায় এড়িয়ে যাচ্ছে। এবং তাতে বিরোধী দলেরও মেলবন্ধন লক্ষ করা যাচ্ছে। সংসদে চুক্তিটি নিয়ে পর্যালোচনার আহ্বান জানিয়ে বাম গণতান্ত্রিক জোট স্পিকারের কাছে স্মারকলিপি দিয়ে সংসদে আলোচনার দাবি জানিয়েছে। দেশের পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তা গবেষকরা বারবার এই চুক্তিগুলোর শর্তাবলী জনসমক্ষে প্রকাশের দাবি করেছেন। কিন্তু তাতেও সরকা বা বিরোধী দলের কোনো সাড়া মেলেনি। বরং সরকার ও বিরোধী দলের এক নিবিড় নীরবতা লক্ষ করা যাচ্ছে।

‎প্রাতিষ্ঠানিক কূটনীতির দৃষ্টিভঙ্গি থেকেও বলা হয়, চুক্তির প্রসঙ্গ গোপন রাখার ফলে রাষ্ট্রের অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকে তীব্র । কারণ তখন বিষয়টি জনগণের নিকট স্পষ্টত হয় এই চুক্তি জনবিরোধী, বিদেশি স্বার্থ রক্ষার চুক্তি।

৪. বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে সম্ভবত এই প্রথমবারের মতো এমন একটি জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে সরকারি দল ও বিরোধী জোট একই ধরনের নীরবতা পালন করছে। বিএনপি সরকার ও বিরোধী জামায়াত জোট উভয়ই এই চুক্তির বিরোধিতা, আলোচনা ও পর্যালোচনায় সক্রিয় কোনো ভূমিকা রাখেননি। এই নীরবতার পেছনে একটি কৌশলগত গণনা কাজ করছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা সেটি হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ঘনিষ্ঠতা টিকিয়ে রাখলে দীর্ঘমেয়াদে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সুবিধা পাওয়া যাবে। কিন্তু এই হিসাব দেশের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থকে স্বল্পমেয়াদি রাজনৈতিক সুবিধার বিনিময়ে বিসর্জন দেওয়ার শামিল।

সুতরাং সংসদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে এই চুক্তির শর্তগুলো উপস্থাপন করতে হবে। সংসদীয় পর্যালোচনা, বিতর্ক ছাড়া এই চুক্তি স্বাক্ষর করা সাংবিধানিক ভাবে লঙ্ঘন হবে। পাশাপাশি উভয় চুক্তির খসড়া শর্তগুলো জনসম্মুখে প্রকাশ করতে হবে। গোপনীয়তার দোহাই দিয়ে জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় আড়াল করা গণতান্ত্রিক শাসনের পরিপন্থী এবং ঐতিহাসিকভাবে তা রাষ্ট্রের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি হয়ে পড়বে। সরকারকে মনে রাখতে হবে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক কৌশলগত অবস্থান হলো সকল পরাশক্তির সাথে সমান দূরত্বে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক। ভারত নিজেও এই নীতিতে চলে। চীনও এই নীতির সুরক্ষা দিয়েছে। এই ভারসাম্য ভাঙলে যে ভূ-রাজনৈতিক বিপদ আসবে তা দেশের অর্থনীতি ও নিরাপত্তায় দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি ভয়ে আনবে। তাই অনতিবিলম্বে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চুক্তি বাতিলের উদ্যোগ নিতে হবে।

লেখক : লেখক ও রাজনৈতিক কর্মী।

পাঠকের মতামত:

২৬ মে ২০২৬

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test