টেকসই উন্নয়নের জন্য সুশাসন, জবাবদিহিতা ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ অপরিহার্য
লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল
টেকসই উন্নয়ন আজ শুধু একটি উন্নয়নমূলক ধারণা নয়, বরং রাষ্ট্র পরিচালনার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs) অর্জনের জন্য প্রতিটি দেশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং পরিবেশগত ভারসাম্য নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে। কিন্তু এসব লক্ষ্য বাস্তবায়নের পথে সবচেয়ে বড় অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় সুশাসনের অভাব, জবাবদিহিতার দুর্বলতা এবং দুর্নীতির বিস্তার। কোনো রাষ্ট্রে উন্নয়নের জন্য যত অর্থই বরাদ্দ করা হোক না কেন, যদি সেই অর্থ সঠিকভাবে ব্যবহৃত না হয়, যদি সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বচ্ছতা না থাকে এবং জনগণের কাছে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হয়, তবে সেই উন্নয়ন কখনোই টেকসই হতে পারে না।
সুশাসন বলতে এমন একটি রাষ্ট্র পরিচালনা ব্যবস্থাকে বোঝায় যেখানে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত থাকে, প্রশাসন স্বচ্ছ ও দক্ষ হয়, মানবাধিকার রক্ষা করা হয়, জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয় এবং রাষ্ট্রের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান জনগণের কল্যাণে কাজ করে। সুশাসনের মূল ভিত্তি হলো সততা, ন্যায়পরায়ণতা এবং জবাবদিহিতা। একটি দেশে যখন সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়, তখন সরকারি সেবা মানুষের দোরগোড়ায় সহজে পৌঁছে যায়, বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত হয়, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পায় এবং নাগরিকদের মধ্যে রাষ্ট্রের প্রতি আস্থা গড়ে ওঠে।
জবাবদিহিতা হলো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার অন্যতম প্রধান ভিত্তি। জনগণের অর্থে পরিচালিত প্রতিটি প্রতিষ্ঠান ও কর্মকর্তার কর্মকাণ্ড জনগণের কাছে ব্যাখ্যা করার বাধ্যবাধকতা থাকতে হবে। কোনো প্রকল্পে অনিয়ম হলে তার দায় নির্ধারণ করতে হবে, সরকারি অর্থের অপচয় হলে তার হিসাব দিতে হবে এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করলে আইন অনুযায়ী শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। জবাবদিহিতা না থাকলে দুর্নীতি ধীরে ধীরে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নেয় এবং জনগণের আস্থা নষ্ট হয়।
দুর্নীতি শুধু অর্থ আত্মসাতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। নিয়োগে অনিয়ম, ঘুষ, স্বজনপ্রীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, টেন্ডার কারসাজি, কর ফাঁকি এবং সরকারি সম্পদের অপচয়ও দুর্নীতির অংশ। দুর্নীতির কারণে উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়, নিম্নমানের কাজ হয় এবং জনগণ কাঙ্ক্ষিত সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়। একটি সেতু, হাসপাতাল, বিদ্যালয় কিংবা সড়ক নির্মাণে যদি দুর্নীতি হয়, তাহলে শুধু অর্থের অপচয়ই ঘটে না, মানুষের জীবনও ঝুঁকির মধ্যে পড়ে।
বাংলাদেশ গত কয়েক দশকে অবকাঠামো, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি এবং ডিজিটাল প্রযুক্তির ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। কিন্তু এই অগ্রগতিকে দীর্ঘস্থায়ী করতে হলে উন্নয়নের প্রতিটি স্তরে সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে। উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের আগে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা, প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় কঠোর তদারকি এবং কাজ শেষে স্বাধীন মূল্যায়নের ব্যবস্থা থাকতে হবে। একই সঙ্গে সরকারি ক্রয়, নিয়োগ ও আর্থিক ব্যবস্থাপনায় সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি।
প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বর্তমানে ই-গভর্ন্যান্স, অনলাইন সেবা, ডিজিটাল পেমেন্ট, ই-টেন্ডারিং এবং তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ব্যবস্থার মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রে অনিয়ম কমানো সম্ভব হয়েছে। ডিজিটাল সেবার ফলে নাগরিক ও কর্মকর্তার সরাসরি যোগাযোগ কমে যাওয়ায় ঘুষ ও হয়রানির সুযোগও অনেকাংশে হ্রাস পায়। তবে প্রযুক্তির পাশাপাশি নৈতিকতা, সততা এবং আইনের কার্যকর প্রয়োগও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
টেকসই উন্নয়নের জন্য দুর্নীতিবিরোধী প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতা ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে গণমাধ্যম, নাগরিক সমাজ, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করতে হবে। স্বাধীন সাংবাদিকতা ও অনুসন্ধানী প্রতিবেদন দুর্নীতি উন্মোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আবার তথ্য অধিকার আইনের কার্যকর ব্যবহার জনগণকে সরকারি কর্মকাণ্ড সম্পর্কে সচেতন করে এবং স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সুশাসন কেবল সরকারের একার দায়িত্ব নয়। নাগরিক, রাজনৈতিক দল, ব্যবসায়ী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন এবং গণমাধ্যমসহ সমাজের প্রতিটি অংশকে সততা ও নৈতিকতার চর্চা করতে হবে। কারণ দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়ে তোলার জন্য কেবল কঠোর আইন যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক গড়ে তোলা।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতা প্রমাণ করে, যেসব রাষ্ট্র সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সফল হয়েছে, তারা অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নেও দ্রুত অগ্রগতি অর্জন করেছে। সিঙ্গাপুর, ডেনমার্ক, নিউজিল্যান্ড কিংবা ফিনল্যান্ডের মতো দেশগুলোতে দুর্নীতির মাত্রা তুলনামূলকভাবে কম। কারণ সেখানে আইনের কঠোর প্রয়োগ, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা, দক্ষ সরকারি সেবা এবং জবাবদিহিতার শক্তিশালী সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে। এসব দেশের অভিজ্ঞতা থেকে স্পষ্ট হয় যে, টেকসই উন্নয়নের জন্য কেবল অর্থনৈতিক পরিকল্পনা নয়, সুশাসনের ভিত্তিও সমানভাবে অপরিহার্য।
বাংলাদেশও উন্নয়নের ধারায় উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি, দারিদ্র্য হ্রাস, বিদ্যুৎ উৎপাদন, যোগাযোগ অবকাঠামো, ডিজিটাল সেবা এবং সামাজিক সূচকে দেশের অগ্রগতি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও প্রশংসিত হয়েছে। কিন্তু এই অর্জন ধরে রাখতে হলে উন্নয়নের প্রতিটি স্তরে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর অবস্থান নিতে হবে। কোনো প্রকল্পের অর্থ অপচয়, নিম্নমানের কাজ কিংবা ক্ষমতার অপব্যবহার শুধু বর্তমানের ক্ষতিই করে না, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের উন্নয়নের পথও সংকুচিত করে।
সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, প্রশাসনের নিরপেক্ষতা এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়োগ, পদোন্নতি ও দায়িত্ব পালনে মেধা, সততা ও দক্ষতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। রাজনৈতিক প্রভাব, স্বজনপ্রীতি কিংবা অযোগ্যতার কারণে রাষ্ট্রযন্ত্র দুর্বল হয়ে পড়লে উন্নয়নের সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছায় না।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও সততা, নৈতিকতা এবং নাগরিক দায়িত্ববোধের শিক্ষা জোরদার করা প্রয়োজন। কারণ দুর্নীতিবিরোধী মানসিকতা ছোটবেলা থেকেই গড়ে তুলতে হয়। পরিবার, বিদ্যালয় এবং সমাজ যদি শিশু-কিশোরদের সততা, দেশপ্রেম ও নৈতিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করতে পারে, তবে ভবিষ্যতে একটি দায়িত্বশীল নাগরিক সমাজ গড়ে উঠবে। সেই সমাজই দুর্নীতিকে সামাজিকভাবে অগ্রহণযোগ্য করে তুলবে।
বেসরকারি খাতেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ব্যবসা-বাণিজ্যে কর ফাঁকি, ভেজাল পণ্য উৎপাদন, অবৈধ লেনদেন এবং অনৈতিক প্রতিযোগিতা বন্ধ করতে হবে। করপোরেট সুশাসন প্রতিষ্ঠা, নির্ভুল আর্থিক প্রতিবেদন এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা নিশ্চিত হলে অর্থনীতির ভিত্তি আরও শক্তিশালী হবে। একই সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়বে এবং কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।
গণমাধ্যম ও নাগরিক সমাজ সুশাসনের অন্যতম প্রহরী। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা, তথ্যভিত্তিক প্রতিবেদন এবং গঠনমূলক সমালোচনা রাষ্ট্রের ভুলত্রুটি সংশোধনে সহায়তা করে। পাশাপাশি নাগরিকদের সচেতনতা বৃদ্ধি, সামাজিক আন্দোলন এবং জনমত গঠনের মাধ্যমে দুর্নীতির বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব। তথ্য অধিকার আইন এবং উন্মুক্ত তথ্যপ্রকাশের সংস্কৃতি প্রশাসনিক স্বচ্ছতা বাড়াতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা এবং প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এসব ক্ষেত্রেও যদি দুর্নীতি ও অনিয়ম প্রবেশ করে, তবে উন্নয়নের ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়ে। তাই উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ থেকে বাস্তবায়ন এবং মূল্যায়ন পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।
উন্নয়নের প্রকৃত মানদণ্ড শুধু বড় বড় স্থাপনা নির্মাণ নয়; বরং এমন একটি রাষ্ট্র গঠন, যেখানে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত, নাগরিকের অধিকার সুরক্ষিত, সরকারি সেবা সহজলভ্য এবং জনগণের অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত হয়। সুশাসন, জবাবদিহিতা ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ ছাড়া কোনো উন্নয়নই দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না। উন্নয়নের সুফল তখনই জনগণের জীবনে বাস্তব পরিবর্তন আনবে, যখন রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি স্তরে সততা, স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীলতা প্রতিষ্ঠিত হবে।
টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনে সরকার, প্রশাসন, বিচার বিভাগ, গণমাধ্যম, ব্যবসায়ী সমাজ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সাধারণ নাগরিক সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে, আইনের শাসনকে শক্তিশালী করতে হবে এবং জবাবদিহিতার সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করতে হবে। মনে রাখতে হবে, উন্নয়নের প্রকৃত শক্তি কেবল অর্থ বা অবকাঠামো নয়, প্রকৃত শক্তি হলো সুশাসন। আর সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলেই টেকসই উন্নয়নের পথ হবে আরও সুদৃঢ়, নিরাপদ ও সমৃদ্ধ।
টেকসই উন্নয়ন কেবল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বা দৃশ্যমান অবকাঠামো নির্মাণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, এর প্রকৃত সার্থকতা নিহিত রয়েছে এমন একটি রাষ্ট্র ও সমাজ গঠনে, যেখানে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত, রাষ্ট্র পরিচালনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত, জনগণের প্রতি জবাবদিহিতা কার্যকর এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা বজায় থাকে। সুশাসন ছাড়া উন্নয়নের সুফল দীর্ঘস্থায়ী হয় না, জবাবদিহিতা ছাড়া জনআস্থা সৃষ্টি হয় না এবং দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ ছাড়া উন্নয়নের গতি ও মান কোনোটিই বজায় রাখা সম্ভব নয়।
টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনে সরকার, প্রশাসন, বিচার বিভাগ, রাজনৈতিক নেতৃত্ব, গণমাধ্যম, বেসরকারি খাত এবং সাধারণ নাগরিকসহ সমাজের প্রতিটি স্তরকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সততা, নৈতিকতা ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, জবাবদিহিতার কার্যকর ব্যবস্থা এবং সুশাসনের সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই একটি সমৃদ্ধ, ন্যায়ভিত্তিক ও কল্যাণমুখী বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব। সঠিক সিদ্ধান্ত, স্বচ্ছ প্রশাসন এবং দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র পরিচালনার মাধ্যমে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ, টেকসই ও উন্নত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।
লেখক : শিক্ষক, কবি, কলাম লেখক, সমাজসেবক ও সংগঠক।
পাঠকের মতামত:
- ‘জনগণ তাদের প্রতারণা বুঝে গেছে’
- কালুখালীতে ট্রাক-প্রাইভেটকার সংঘর্ষে কৃষি কর্মকর্তাসহ আহত ৬
- সালথায় ইউপি সদস্যের ইয়াবা সেবনের ভিডিও ভাইরাল, কারণ দর্শানোর নোটিশ
- পারুলিয়ায় অপদ্রব্য পুশকৃত চিংড়ি বিনষ্ট, ৩ ব্যবসায়ীকে জরিমানা
- রাজবাড়ীতে নিউজ টোয়েন্টিফোর’র গৌরবের ১১ উদযাপন
- মুখোমুখি দুই ট্রেন দেখে যাত্রীদের আতঙ্ক, চলন্ত ট্রেন থেকে লাফিয়ে আহত ৪
- টেকসই উন্নয়নের জন্য সুশাসন, জবাবদিহিতা ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ অপরিহার্য
- কাশিয়ানীতে আওয়ামী লীগের ৩ নেতার পদত্যাগের ঘোষণা
- কাপাসিয়ায় শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে মিথ্যা ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে শিক্ষকদের মানববন্ধন
- গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা
- গোপালগঞ্জে ট্রাক-নসিমনের মুখোমুখি সংঘর্ষে কিশোর নিহত
- অন্ধ মানুষ
- সুন্দরবন রক্ষায় বাঘ সংরক্ষণের বিকল্প নেই
- পীযূষ সিকদার’র কবিতা
- মিশরের এল-দাবা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটে রিঅ্যাক্টর প্রেসার ভেসেল স্থাপন
- মহম্মদপুরে বাঁশ-কঞ্চির গৃহস্থালী সামগ্রী তৈরি করছেন কার্তিক পোদ্দার
- সালথায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত
- সহপাঠীদের প্রহারে জীবন যায় যায় অবস্থা শিক্ষার্থী আতিকের
- আরও বেশি জনশক্তি নিতে ব্রুনাইয়ের সহযোগিতা চাইলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
- শ্যামনগরে অবৈধ ভাবে পাচারের সময় বিএডিসির ৫৭ বস্তা সার জব্দ
- ভারত-চীনের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের পথে ট্রাম্প
- সালথায় হত্যা মামলার পর গ্রেপ্তার আতংকে গ্রাম পুরুষশূন্য, পাট কাটতে বাঁধা দেওয়ার অভিযোগ
- দুর্ঘটনা রোধে রাজিব বাস সার্ভিসকে ১৩ নির্দেশনা
- শ্যামনগরে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ইয়াবাসহ ৩ জন মাদক কারবারি আটক
- বাংলাদেশে থাকতে পেরে, গাইতে পেরে আমি গর্বিত
- বান্ধবীর বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে চুরির অভিযোগে বান্ধবী ও স্বামীসহ বয়ফ্রেন্ড আটক
- সবার জন্য উন্মুক্ত হলো ঐতিহাসিক জালাল মঞ্চ, নির্মাণ ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন
- শাহরাস্তিতে অধ্যক্ষের দুই বছরের কারাদণ্ড
- সাপ্তাহিক পাংশা বার্তার ৩৩ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকি পালিত
- মহম্মদপুরে ছাত্রদল নেতা শহীদ আবু তৈয়েব'র দ্বিতীয় শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া
- নরসিংদীতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা
- অণ্ডকোষ চেপে বাবাকে হত্যা, কিশোর ছেলে পুলিশ হেফাজতে
- এইচএসসি পরীক্ষায় জহুর চান বিবি মহিলা কলেজের ঈর্ষণীয় সাফল্য
- চাঁদপুরে ঘরের গর্তে লুকানো সাপের দংশনে প্রাণ গেলো শিশুর
- আবদুল হামিদ মাহবুব'র একগুচ্ছ লিমেরিক
- বাবর-শাহিনের নৈপুণ্যে সিরিজ জয়ের হাসি পাকিস্তানের
- পীযূষ সিকদার’র কবিতা
- নবীনগর বাজারের উপর দিয়ে রাস্তা নির্মাণ না করার দাবিতে বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি প্রদান
- তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফেরাতে চতুর্থ দিনের আপিল শুনানি চলছে
- জমি জবরদখলের পর সুনীল মণ্ডলের পরিবার অবরুদ্ধ, টাঙানো হলো সাইনবোর্ড
- কুষ্টিয়ায় মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুর
- মেয়ের গাইড বই আনতে গিয়ে প্রাণ গেল সাংবাদিকের
- পঞ্চগড়ে গলায় গুলি ফুটিয়ে পুলিশ সদস্যের আত্মহত্যা
- গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা
- দুই দিনের রিমান্ডে গ্রেপ্তারকৃত সাইফুলের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে
-1.gif)








