বাজাও বাঁশরী
পীযূষ সিকদার
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২০২৬ সালকে ‘নজরুল বর্ষ’ নামে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি এই ‘নজরুল বর্ষ’ নাম দিয়ে নাট্যবোদ্ধা, সংগীতপ্রেমী ও আবৃত্তিকারদের মনে নজরুলের লেখা ও তাঁর দর্শন নিয়ে নজরুল প্রেমীদের মনে আনন্দের ঢেউ বহে যায়। নজরুলকে আমরা দু এক কথা বলে ছেড়ে দিলাম। যেনো নজরুল অপাংক্তেয়। অথবা নিষিদ্ধ একজন। কবি নজরুল নামটি শুনলে আমার ভেতরটা নাড়া দিয়ে যায় জ্যৈষ্ঠের হাওয়ার মতো। আমরা নজরুলকে ভুলতে বসেছিলাম। বিদ্রোহী কবি নামে কেউ আছেন তা বইয়ের পাতায় শোভা পেতো। নজরুলকে শুধু বইয়ের পাতায় না রেখে ব্যবহারিক জায়গায় নিয়ে এসেছে বাঁশরী শিল্পগোষ্ঠী। তারেক রহমানের এই ‘নজরুল বর্ষ’ বাজিকরের মতো কাজ করেছে। সুতা ঢিলে হয়ে গেছিলো। একটু টান মারলেন আর নজরুলে চরিত্ররা দুলে উঠলো।
কবি নজরুলকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশ নামক ভূখ-টি একটি এক টুকরো কাগজ। যা বইয়ের পাতায় পাতায় শোভা পায়। তাতে কবি নজরুলকে সম্মান করা হয় না। মাননীয় তারেক রহমানের একটি সুতোর টান নজরুলকে চিনতে শিখিয়েছে। আমরা এমনি জনগণ বড় মানুষকে আমরা আস্তাকুঁড়ে ঘরে ফেলে দিই। নইলে যে নিজেকে বড় করা যায় না। আমরা এমনি এক জাতি খালি ভুলে যাই। ভুল করে হাঁটতে থাকি। ভাবতে থাকি আকাশকুসুম।
নজরুল একটি ধূমকেতুর নাম। নজরুল একটি দেশের নাম। নজরুল একটি ছায়ানটের নাম। নজরুল একটি বিদ্রোহীর নাম। নজরুল একটি সাম্যের নাম। নজরুল একটি শান্তির নাম। নজরুল একটি কবিতার নাম।
আমরা অতীত বিস্মৃত হওয়া জাতি। ঠেকে গেলে নজরুলকে মনে পড়ে। বিপদ শেষ হলে আমরা ফেলে দিই নর্দমায়। নজরুলকে বাদ দিয়ে আমাদের আমাদের ঘর সংসার টিকে না। টিকে না আমাদের বিদ্রোহী হবার গান। তাই তো নজরুল কণ্ঠে ধ্বনিত হয়Ñ“যে দিন উৎপীড়িতের ক্রন্দল রোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না, আমি সেই দিন হবো শান্ত। অথবা আমি ভগবান বুকে এঁকে দিই পদচিহ্ন। অথবা দেখিনু সেদিন রেলে কুলি বলে এক বাবুসাব তাকে ঠেলে দিলো নিচে ফেলে! চোখের কোণে জল জমে। সে জল যেনো তিস্তা নদীকে মনে করিয়ে দেয়। প্রধানমন্ত্রীর একটি ঘোষণা ঔষধী গাছের মতো কাজ করেছে। নজরুল বর্ষ। এ যেনো একটা টনিক। নজরুলের কাজ দেখে দেখে আমি আরোগ্য হলাম। নিরোগ হলাম। একজন কবিই পারে তার পাঠকদের নিরোগ করতে।
আমরা সমকালে বড় বড় মানুষদের মেনে নিই না। মেনে নিলে ক্ষতি কী! মানি অন্ধ বিশ্বাসে! আর ঠাকুরমার কোলে গল্প শুনি না। এখন গল্প চলে গেছে ছোট একটি বাক্সে। যা শুনতে যা দেখতে চাই তাই হাজির হয় চোখের সামনে। আমরা আমাদের ছেলেমেয়েদের নিয়ে ভাবি না। ছেলে যে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে তা টের পাই না।
আমরা নজরুলকে কোনোদিন মেনে নিই নি। মেনে নিলে যে আমাদের ক্ষতি হয়ে যায়! কী ক্ষতি! সারাটাদিন টাকা টাকা করে কেবলি দৌঁড়াই। সময়কালে সে টাকা কোনো কাজে আসে না। একজন নজরুলকে বিশেষণের পর বিশেষণ যা নিয়ে তাকে শুধু আমরা ছোট করেছি। আমরা হিন্দু কী মুসলমান কী নজরুলকে মেনে নিই নি। নজরুলকে মেনে নিলে ক্ষতি কী! হ্যাঁ ক্ষতি আছে আমাদের। নজরুলকে জানলে যে মনের দরজা খুলে যায়। তাই আমরা আফিম খেয়ে না ঘুম না জাগরণ আছি !
নজরুল ভালোবাসতেন বাঙলা ও বাঙালিকে। কখনো হিন্দু হয়েছেন কখনো মুসলমান। যখন যা ভালো লেগেছে তাই করেছেন। সেতো ছায়ানট। আবার সে ছায়া শিকারী।
নজরুল এক জীবনে কী লেখেননি। শিল্পের সকল শাখায় তাঁর অবাধ বিচরণ। যা ভালো লেগেছে তাই করেছেন। মানুষকে ভালোবেসে। মানুষ-কে ভালোবাসতে বাসতে নিজেই বাঁশরী হয়েছে। উত্তর-দক্ষিণ অথবা পূর্ব-পশ্চিম। যে দিকে তাকাই। সমান তালে তার বিচরণ। আমরা তাকে মানি নি। তাই তো সে মুখ খুলছেন না। কথা বললেন না। এ কষ্টটি আমি বুঝি! যদি আমরা নজরুলকে ভালোবাসতাম তাহলে কবির কাছ থেকে অজ¯্র লেখা পেতাম। কথা পেতাম। আমরা জাতি হিসেবে খারাপ। আমরা ভালো কিছু মেনে নিই না। ভালোকে পরীক্ষা করতে করতে কয়লা হয়ে গেছে। সে কয়লা কোনো কাজে আসে না। খালি কালিমা লেপন করি মুখমন্ডলে। মুখোশে মুখোশে আসল মানুষটাকে চেনা দায়। তাই সে জীবিত থেকেও চিরদিনের জন্য বিদায় নিলেন। বাকিটা জীবন আর কথা বললেন না। অভিমানে অভিমানে চোখে শ্রাবণ ধারা! আমরা কতটুকুনই বা নজরুলকে চিনি। আমরা শুধু চিনি জানি বিদ্রোহী কবি হিসেবে। কবির আর কোনো পরিচয় নেই! সেতো প্রেমের কবি। সাম্যের কবি। নজরুলকে নিয়ে লিখতে যেয়ে আমার চোখভর্তি জল। কত বড় আঘাত পেলে চল্লিশটি বছর কোনো কথা না বলে থেকেছেন! অদ্ভূত আমরা!
আমাদের ঈদ হয় না। পূজা হয় না। কবিকে ছাড়া। তবুও তাকেই আমরা আঘাত করেছি। পলে পলে! জেনে শুনে একটি মানুষ কী এমন বেদনায় চুপ ছিলেন! তা কি আমরা খোঁজ নিয়েছি। হয়তো বলবো আমরা কে কার খোঁজ নেই। কেউ নেয় কেউ নেয় না। না হলে কলমে চলে কেমনে!
কবি নজরুল যৌবন থেকে শেষ বয়স অবদি কোনো কথা বলেননি। কোনো কথা বলেননি, এ কথা কি আমরা ভেবে দেখেছি!
আমাদের সময় এসেছে। এখন তাঁকে জানবার। ‘বাঁশরী’ তাই তো তার নাটক নিয়ে নাট্যাৎসব করছে। গান গাইছে। কবিতায় ডুবে গেছে কবিতারা। আরো ডুব দিতে হবে আমাদেরকে! নইলে নজরুলকে আমরা হারাবো। চিরদিনের জন্য।
বাঁশরী এই নাট্যোৎসব আমার ভালে লেগেছে। ভালো লেগেছে বলেই লিখতে বসলাম। তাঁকে নিয়ে কি লিখবো? লিখতে গেলে চোখের কোণে জল জমে!
এই উৎসবে শুরু হয়েছে ২৫ জুলাই, শেষ হবে ২৮ জুলাই। আমি দ্বিতীয় দিনে জাতীয় নাট্যশালায় নাটক দেখি। আলেয়া। নির্দেশনা দিয়েছেন গোলাম সারোয়ার। অদ্ভুত এক ভালো লাগা আমার। আমার কলম থেমে যায়। আলেয়া এ সময়ের সবচেয়ে ভালো নাটক। নিন্দুকেরা যাই বলুক। অভিনেতা/অভিনেত্রীর দারুন অভিনয় কলা প্রদর্শন করেছে। গোলাম সারোয়ারের নাট্যেÑআমি অচেনাকে চিনে নিলাম। এখন সময় এসেছে নজরুলকে নিয়ে কাজ করার নজরুল শুধু প্রেমের কবি না। সাম্যের কবি। মানুষে মানুষে মেলানোর কবি। হিন্দু মুসলমান যারা ভাগ করে করুক। নজরুলকে ভাগ করা যায় না। ধন্যবাদ বাঁশরী। ধন্যবাদ গোলাম সারোয়ার। ‘নজরুল বর্ষ’ সার্থক হোক। এ কামনা আমাদের।
“মোরা একই বৃন্তে দুটি কুসুম হিন্দু মুসলমান
মুসলিম তার নয়ন মণি, হিন্দু তাহার প্রাণ।”
বাঁশরী বেজে চলুক সমানে সমান।
কথালিপি
জীবনের হিসাব মেলাতে পারিনা। মনে হয়, এই তো হিসাব মিলে গেলো। হিসাব মেলে না। জীবনের হিসাব বড় জটিল। সেই জটিলতা থেকে বেরিয়ে আসতে ভীষণ কষ্ট। জীবনের মীমাংসা কি তবে মৃত্যু! জীবন কি তবে মৃত্যু দিয়ে মীমাংসা! জীবনের মীমাংসা আসলে কিসে? উত্তর মেলাতে মেলাতে হিম হয়ে আসে আঙুল। উত্তর মেলে না। জীবনের সব কিছুর উত্তর মেলাবার দরকার আছে? দরকার কী? জীবনকে যত সরলভাবে দেখা যাবে জীবন তত সুন্দর। জটিল অংক কষে কী লাভ! যত সহজ হওয়া যাবে যত বিশ্বাস স্থাপন করা যাবে জীবনের বরফ তত গলবে। যদিও জটিলতাই জীবনের ধর্ম। এতো কথা বলছি কেনো? কী দরকার আছে এতো কথা বলবার। বলতে বলতে সীমানা নির্ধারণ করতে যাই তখন অসীম এসে টান মারে। আমি অসীমবিহীন হই। কী যা-তা লিখছি। লিখতে গেলাম এক বলছি আরেক।
আমি বলতে চাচ্ছি আমার নাট্য গবেষণাধর্মী বইটি নিয়ে, ঢাকার মঞ্চে আমি অনেক নাটক দেখেছি। তার কিছু নাট্য-সমালোচনা নিয়ে, বাংলা নাট্যমঞ্চ; নির্বাচিত নাট্যদ্যোগের পর্যালোচনা বইটি বইটি বের হচ্ছে। বইটি কেমন হলো তা আমার চেয়ে পাঠকরাই ভালো বলতে পারবে। লেখকের কাজ লিখে যাওয়া। পাঠক সেখান থেকে কতটুকুন রস আস্বাদন করবে সেই দায় পাঠকের। লেখকের দায় এড়ায় না। পাঠক ও লেখক যখন একই রকম রাস্তায় হাঁটবে তখন লেখকের লেখা সার্থক হবে। পাঠক বাদ দিয়ে লেখক কেবলি অন্ধকারে হাবুডুবু খাবে। এই নাট্য নাট্য-সমালোচনা লেখার শুরুতে আমার প্রিয় শিক্ষক বলার কৌশলে বলেছিলেন, ঢাকার মঞ্চ নাটক নিয়ে লেখো। যিনি বলেছিলেন তিনি অধ্যাপক ড. লুৎফর রহমান। তাঁকে প্রাণভরে শ্রদ্ধা জানাই। তারপর থেকে নাটক নিয়ে লিখতে থাকি। আমার এই নাট্য সমালোচনায় আমার বন্ধু রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আরিফ হায়দার আমাকে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করেছে। অনুপ্রাণিত করেছে আমার সময়-অসময়ের বন্ধু অধ্যাপক ড. ইউসুফ হাসান অর্ক। তাঁর কাছে আমার ঋণ শোধ করবার নয়। কৃতজ্ঞতা জানাই আমার অমিত বন্ধু শেখ এহসানুর রহমানকে। ও ভেতরে ভেতরে আমাকে তাগিদ দেয়। ধন্যবাদ জানাই খালেদ আহমেদকে। তিনি আমাকে লেখার অপার স্বাধীনতা দিয়েছেন। আরেকজনকে ধন্যবাদ না জানালে নিজেই ছোট হয়ে যাব, সে আমার অনুজ বন্ধু মাহবুব আজিজ জুয়েল। আর একজনকে কৃতজ্ঞতা পাশে আবদ্ধ করতে চাই তিনি সৌম্য প্রকাশনীর কর্ণধার জেবুন্নেছা জেবুদিকে। আমার মতো সস্তা লেখকের বই উনি ছাপছেন। আমি যখন সর্বজনীয়তা পাবো তখনই লেখকের লেখা গ্রহণযোগ্যতা পাবে।
আমার লেখা, বাংলা মঞ্চনাটক: নির্বাচিত নাট্য পর্যালোচনায় সহজ ভাষায় ‘আমি’র ব্যবহার আমিত্ব ছাড়িয়ে সর্বজনীন হলে ভালো লাগবে। লেখকের তো কত ইচ্ছে থাকে। তা ধীরে ধীরে পাঠকুলে সমাদৃত হবে এ আশা করতেই পারি। বীজ ছাড়া বৃক্ষ। পাঠক ছাড়া বই। এ এক কুহক কল্পনা। আমার এই গ্রন্থখানি পাঠকপ্রিয়তা পাক- এ আশা ব্যক্ত করতেই পারি। নাটক নিয়ে অনেকেই লিখেছেন। আমিও লিখেছি আমি বলতে চাইনা আমিই সেরা। সেরা তো তিনি, যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন। তাঁর বোলামে বোলামে আমার লেখা সৃষ্টির সৃজনে সৃজনে মাতে। সে সৃজন তাঁর পায়ের তলার ধূলিসম হয়ে ঘূর্ণিপাকে ঘূর্ণিপাকে বৃত্তাকার ঝড় উঠে। আমার এই বইখানি ঝড় তুলুক সে আশা আমি করিনে। সীমাবদ্ধতা যদি আশীর্বাদ হয় সেই আশীর্বাদই আমার কাম্য। প্রশ্ন জাগে মনে। কিন্তু হিসাব মেলে না। জয় হোক পাঠকের। পাঠে পাঠে এই গ্রন্থখানি পূণ্যবতী বৃক্ষ হোক। । এ আশা আমার নিকট অমূলক নয়। যেমন অমূলক নয় জিজ্ঞাসু মন। আমি তো বৈশাখী ঝড়ের নিকট চেয়ে নিয়েছি আগামীর বার্তা।
লেখক : শিক্ষক ও নাট্যকার।
পাঠকের মতামত:
- দিনাজপুরে ক্লাসরুমে শিক্ষার্থী আহত ঘটনায় দোষী তিন শিক্ষার্থীকে এক মাস বহিষ্কার
- আ. লীগ নেতা সাংবাদিক মেহের মামুনের স্বেচ্ছায় পদত্যাগের ঘোষণা
- ভাঙ্গুড়ায় বৃত্তিপ্রাপ্ত ২৮ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা
- ক্যাশলেস লেনদেনের প্রসারে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে ব্র্যাক ব্যাংকের ‘বাংলা কিউআর’ চালু
- গোপালগঞ্জে জুলাই শহীদ পরিবারের হাতে প্রধানমন্ত্রীর উপহার পৌঁছে দিল ছাত্রদল
- কাপ্তাই প্রেস ক্লাবের সভাপতি মাহফুজ, সম্পাদক রিপন মারমা
- দেশে তুলা চাষের অপার সম্ভাবনা, প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ ও প্রণোদনা
- অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে শিক্ষার্থীদের সচেতন হওয়ার আহ্বান পাংশা থানার ওসির
- প্লাস্টিক পণ্যের দাপটে বিলুপ্তির পথে ঐতিহ্যবাহী বাঁশ শিল্প
- বাকিতে মদ কেনার টাকা পরিশোধ করছেন টাঙ্গাইলের এডিসি, ভিডিও ভাইরাল
- জামালপুরে শুরু হয়েছে সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা
- নড়াইলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নছিমন খাদে, চালক নিহত
- লোহাগড়ায় নবাগত ইউএনওকে শুভেচ্ছা জানালেন বিএনপির নেতৃবৃন্দ
- বাজাও বাঁশরী
- অনুপম রায়ের কনসার্ট আবার স্থগিত
- ভূমি অফিসে সাইবার নিরাপত্তা জোরদারে ১০ নির্দেশনা
- ফুলপুরে খাল খনন কর্মসূচি বন্ধ
- ‘আর্জেন্টিনা যেভাবে খেলে, ওটাকে তো ফুটবলই বলা যায় না’
- আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বলে দিলেন আজিঙ্কা রাহানে
- ডিএমপির অভিযানে গ্রেপ্তার ৫২৯, অস্ত্র-গুলি-মাদক উদ্ধার
- ইউনেস্কোর সহযোগিতা আরও জোরদারের আহ্বান শামা ওবায়েদের
- গুজব-অপতথ্য ছড়ালে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড
- ‘খাদ্য মূল্যস্ফীতির চাপ সবচেয়ে বেশি নিম্নআয়ের মানুষের ওপর’
- বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রকল্পে ব্যয় বাড়লো ৬ কোটি ৭১ লাখ টাকা
- ভূমিকম্প মোকাবিলায় প্রস্তুত করা হচ্ছে ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবী
- নরসিংদীতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা
- চাঁদপুরে ঘরের গর্তে লুকানো সাপের দংশনে প্রাণ গেলো শিশুর
- আবদুল হামিদ মাহবুব'র একগুচ্ছ লিমেরিক
- এইচএসসি পরীক্ষায় জহুর চান বিবি মহিলা কলেজের ঈর্ষণীয় সাফল্য
- জমি জবরদখলের পর সুনীল মণ্ডলের পরিবার অবরুদ্ধ, টাঙানো হলো সাইনবোর্ড
- বাবর-শাহিনের নৈপুণ্যে সিরিজ জয়ের হাসি পাকিস্তানের
- তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফেরাতে চতুর্থ দিনের আপিল শুনানি চলছে
- নবীনগর বাজারের উপর দিয়ে রাস্তা নির্মাণ না করার দাবিতে বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি প্রদান
- কুষ্টিয়ায় মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুর
- মেয়ের গাইড বই আনতে গিয়ে প্রাণ গেল সাংবাদিকের
- পঞ্চগড়ে গলায় গুলি ফুটিয়ে পুলিশ সদস্যের আত্মহত্যা
- বাকিতে মদ কেনার টাকা পরিশোধ করছেন টাঙ্গাইলের এডিসি, ভিডিও ভাইরাল
- প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অবস্থান, প্রেমিক পরিবার লাপাত্তা
- থানায় হামলা চালিয়ে আসামি ছিনতাইয়ের চেষ্টা, আটক ৯
- বাউফলে ভয়াবহ কালবৈশাখী ঝড়ে নিহত ২, আহত ২০
- আমতলীতে ফোরকান ও তালতলীতে মিন্টু উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত
- দুই দিনের রিমান্ডে গ্রেপ্তারকৃত সাইফুলের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে
- সাংবাদিকতা ফেলোশীপ পেলেন সাংবাদিক অমর ডি কস্তা
- নিউইয়র্ক সিটির নতুন মেয়র ইসলামভীতি দূর করবেন?
- জামালপুরে শুরু হয়েছে সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা
-1.gif)








