শক্তিশালী স্থানীয় সরকার উন্নয়নের ধারক-বাহক
লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল
দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন কেবল কেন্দ্রীয় সরকারের নীতিনির্ধারণ ও বৃহৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করে না, উন্নয়নের সুফল জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য শক্তিশালী ও কার্যকর স্থানীয় সরকার অপরিহার্য। স্থানীয় সরকার হলো রাষ্ট্রের এমন একটি প্রশাসনিক কাঠামো, যা জনগণের নিকটতম পর্যায়ে থেকে তাদের প্রয়োজন, সমস্যা ও প্রত্যাশাকে চিহ্নিত করে এবং সেসব অনুযায়ী সেবা প্রদান করে। তাই গণতন্ত্রের ভিত্তি সুদৃঢ় করা, সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করা, জনগণের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং প্রশাসনিক দক্ষতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের মতো জনবহুল ও বৈচিত্র্যময় দেশে টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের জন্য শক্তিশালী স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার কোনো বিকল্প নেই।
স্থানীয় সরকার বলতে রাষ্ট্রের নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকার জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে প্রশাসন পরিচালনা ও জনসেবা প্রদানের ব্যবস্থাকে বোঝায়। ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন স্থানীয় সরকারের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান।
কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিটি মানুষের প্রয়োজন ও সমস্যার বিষয়ে সমানভাবে অবগত থাকা সম্ভব নয়। স্থানীয় সরকার জনগণের খুব কাছাকাছি অবস্থান করায় স্থানীয় বাস্তবতা সম্পর্কে তাদের ধারণা তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে। ফলে কোন এলাকায় রাস্তা প্রয়োজন, কোথায় পানি ও স্যানিটেশন সমস্যা রয়েছে, কোন অঞ্চলে শিক্ষা বা স্বাস্থ্যসেবার ঘাটতি আছে এসব বিষয়ে স্থানীয় সরকার দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারে। এ কারণেই স্থানীয় সরকারকে জনগণ ও রাষ্ট্রের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন বলা হয়।
উন্নয়নকে কার্যকর ও টেকসই করতে হলে তা হতে হবে স্থানীয় চাহিদাভিত্তিক। শক্তিশালী স্থানীয় সরকার সেই কাজটিই করতে পারে। কেন্দ্র থেকে একই ধরনের উন্নয়ন পরিকল্পনা সারাদেশে প্রয়োগ করলে অনেক সময় স্থানীয় বাস্তবতা উপেক্ষিত হয়। কিন্তু স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণে পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হলে উন্নয়ন প্রকল্প অধিক কার্যকর ও জনবান্ধব হয়।
স্থানীয় সরকার স্থানীয় সড়ক, ব্রিজ, কালভার্ট, ড্রেনেজ, বাজার, খেলার মাঠ, গণশৌচাগার, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহসহ বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে। এসব ছোট ও মাঝারি অবকাঠামো স্থানীয় অর্থনীতি ও জনজীবনের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। একটি ভালো রাস্তা কৃষকের উৎপাদিত পণ্য দ্রুত বাজারে পৌঁছাতে সাহায্য করে, উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা শিক্ষার্থী ও রোগীদের চলাচল সহজ করে, নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন জনস্বাস্থ্য উন্নত করে। ফলে স্থানীয় সরকারের কার্যকর ভূমিকা সামগ্রিক অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের গতি বাড়ায়।
স্থানীয় সরকার গণতন্ত্রের সবচেয়ে কাছের প্রতিষ্ঠান। জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ যেমন সরকার নির্বাচন করে, তেমনি স্থানীয় নির্বাচনের মাধ্যমে তারা নিজেদের এলাকার প্রতিনিধি নির্বাচন করে। এর ফলে জনগণ সরাসরি জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগ ও তাদের কর্মকাণ্ড মূল্যায়নের সুযোগ পায়।
স্থানীয় সরকার শক্তিশালী হলে জনগণের রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধি পায়। সাধারণ মানুষ বাজেট, উন্নয়ন পরিকল্পনা, স্থানীয় সমস্যা ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত সম্পর্কে মতামত দেওয়ার সুযোগ পায়। এতে অংশগ্রহণমূলক গণতন্ত্র বিকশিত হয়। একই সঙ্গে স্থানীয় পর্যায়ে নেতৃত্ব তৈরির সুযোগ সৃষ্টি হয়, যারা ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়েও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
উন্নয়ন তখনই টেকসই হয়, যখন জনগণ উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকে। শক্তিশালী স্থানীয় সরকার জনগণকে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় যুক্ত করতে পারে। স্থানীয় বাজেট প্রণয়ন, উন্নয়ন প্রকল্প নির্বাচন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির উপকারভোগী নির্বাচন এবং বিভিন্ন জনসেবার মান পর্যবেক্ষণে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা সম্ভব।
জনগণের কাছে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা তুলনামূলকভাবে সহজলভ্য হওয়ায় জবাবদিহির সুযোগও বেশি থাকে। কোনো প্রকল্পের মান খারাপ হলে বা সেবা যথাযথভাবে প্রদান না হলে জনগণ সরাসরি স্থানীয় প্রতিনিধিদের কাছে প্রশ্ন করতে পারে। ফলে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বৃদ্ধি পায় এবং অনিয়ম ও দুর্নীতি কমানোর সুযোগ তৈরি হয়।
বাংলাদেশের অর্থনীতির একটি বড় অংশ এখনো গ্রামীণ অর্থনীতি ও কৃষির সঙ্গে যুক্ত। কৃষি উৎপাদন, ক্ষুদ্র ব্যবসা, হস্তশিল্প, মৎস্য ও পশুপালনের মতো খাতগুলোর উন্নয়নে স্থানীয় সরকারের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
স্থানীয় যোগাযোগব্যবস্থা উন্নত হলে কৃষিপণ্য দ্রুত বাজারজাত করা যায় এবং কৃষক ন্যায্যমূল্য পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। স্থানীয় হাট-বাজারের অবকাঠামো উন্নয়ন, কৃষকদের তথ্যপ্রাপ্তির সুযোগ বৃদ্ধি, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সহায়তা এবং স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থানের পরিবেশ সৃষ্টি করা গেলে গ্রামীণ অর্থনীতি আরও গতিশীল হবে। এর ফলে শহরমুখী অতিরিক্ত অভিবাসন কমবে এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলেও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়বে।
শিক্ষা ও স্বাস্থ্য একটি দেশের মানবসম্পদ উন্নয়নের মূল ভিত্তি। স্থানীয় পর্যায়ে বিদ্যালয়, কমিউনিটি ক্লিনিক, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, মাতৃস্বাস্থ্যসেবা, পুষ্টি ও স্যানিটেশন কার্যক্রমে স্থানীয় সরকার সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করতে পারে।
স্থানীয় সরকার কোনো এলাকার ঝরে পড়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা, বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত সমস্যা কিংবা স্বাস্থ্যসেবার ঘাটতি সম্পর্কে দ্রুত তথ্য সংগ্রহ করতে পারে। স্থানীয় বাস্তবতার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করলে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মান বাড়ানো সম্ভব। বিশেষ করে নারী, শিশু, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী মানুষের জন্য স্থানীয় পর্যায়ে সেবা সহজলভ্য করতে শক্তিশালী স্থানীয় সরকার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
দারিদ্র্য বিমোচনে স্থানীয় সরকার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। ভাতা, খাদ্য সহায়তা, কর্মসংস্থান কর্মসূচি, দুর্যোগকালীন ত্রাণ এবং বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির প্রকৃত উপকারভোগী শনাক্ত করতে স্থানীয় পর্যায়ের প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা অপরিহার্য।
স্থানীয় জনগণের আর্থসামাজিক অবস্থা সম্পর্কে জনপ্রতিনিধিদের ধারণা থাকায় প্রকৃত দরিদ্র ও অসহায় মানুষকে চিহ্নিত করা তুলনামূলকভাবে সহজ। তবে এ ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রভাব, পক্ষপাত ও অনিয়ম বন্ধ করে স্বচ্ছ ও তথ্যভিত্তিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি।
বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর অন্যতম। বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, নদীভাঙন, জলাবদ্ধতা, লবণাক্ততা ও তাপপ্রবাহের মতো দুর্যোগ মোকাবিলায় স্থানীয় সরকার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দুর্যোগের আগে সতর্কবার্তা প্রচার, আশ্রয়কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা, উদ্ধার তৎপরতা, ত্রাণ বিতরণ এবং দুর্যোগ-পরবর্তী পুনর্বাসনে স্থানীয় সরকার জনগণের সবচেয়ে কাছের প্রতিষ্ঠান। স্থানীয় বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ জলবায়ু অভিযোজন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হলে দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।
বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার সম্ভাবনা অনেক হলেও নানা সীমাবদ্ধতার কারণে দেশ স্বাধীন হাওয়ার ৫৫ বছরেও স্থানীয় সরকারকে কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে শক্তিশালী করা সম্ভব হয়নি। পর্যাপ্ত অর্থের অভাব, নিজস্ব রাজস্ব আহরণের সীমিত ক্ষমতা, দক্ষ জনবলের ঘাটতি, কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ, রাজনৈতিক প্রভাব, দুর্নীতি ও স্বচ্ছতার অভাব শক্তিশালী স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে অন্যতম সমস্যা।
অনেক ক্ষেত্রেই স্থানীয় প্রতিষ্ঠান নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী স্বাধীনভাবে পরিকল্পনা ও অর্থ ব্যয় করতে পারে না। কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতার কারণে স্থানীয় উদ্যোগ অনেক সময় বাধাগ্রস্ত হয়। আবার কোথাও কোথাও জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের মধ্যে সমন্বয়ের অভাবও কার্যক্রমের গতি কমিয়ে দেয়।
স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে পর্যাপ্ত আর্থিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতা দিতে হবে। কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা কমিয়ে স্থানীয়ভাবে রাজস্ব আহরণের সুযোগ বৃদ্ধি করতে হবে।
স্থানীয় সরকারের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কার্যকর ক্ষমতা ও দায়িত্ব নিশ্চিত করতে হবে। দায়িত্বের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ক্ষমতা না থাকলে কোনো প্রতিষ্ঠানই কার্যকরভাবে কাজ করতে পারে না।
স্থানীয় সরকারের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দক্ষতা বাড়াতে প্রশিক্ষণ ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা প্রয়োজন। ডিজিটাল সেবা, অনলাইন তথ্যব্যবস্থা, ই-নথি ও ডেটাভিত্তিক পরিকল্পনা স্থানীয় প্রশাসনকে আরও দক্ষ করে তুলতে পারে।
স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে স্থানীয় বাজেট ও প্রকল্পের তথ্য জনগণের জন্য উন্মুক্ত করা উচিত। সামাজিক নিরীক্ষা, নাগরিক মতামত ও গণশুনানির মতো ব্যবস্থা আরও কার্যকর করা দরকার।
নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে। উন্নয়ন পরিকল্পনায় নারী, দরিদ্র, প্রতিবন্ধী, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও অন্যান্য পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিতে হবে।
উন্নয়ন কেবল বড় বড় অবকাঠামো নির্মাণের নাম নয়, উন্নয়ন হলো মানুষের জীবনমানের ইতিবাচক পরিবর্তন। আর মানুষের জীবনমানের পরিবর্তন সবচেয়ে কার্যকরভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব স্থানীয় পর্যায় থেকে। তাই শক্তিশালী স্থানীয় সরকারই হতে পারে অন্তর্ভুক্তিমূলক, টেকসই ও জনমুখী উন্নয়নের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।
বাংলাদেশের উন্নয়নের ধারাকে আরও গতিশীল করতে হলে স্থানীয় সরকারকে কেবল কেন্দ্রীয় প্রশাসনের অধীন একটি বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখলে চলবে না, বরং জনগণের অংশগ্রহণে স্থানীয় উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের সক্ষমতাসম্পন্ন একটি স্বায়ত্তশাসিত ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। পর্যাপ্ত অর্থ, ক্ষমতা, দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে স্থানীয় সরকার দেশের প্রতিটি অঞ্চলের মানুষের কাছে উন্নয়নের সুফল পৌঁছে দিতে পারবে।
শক্তিশালী স্থানীয় সরকার মানে শক্তিশালী গণতন্ত্র, কার্যকর জনসেবা, সুষম আঞ্চলিক উন্নয়ন এবং জনগণের ক্ষমতায়ন। সমৃদ্ধ, বৈষম্যহীন, জনকল্যাণমুখী ও মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্যে শক্তিশালী স্থানীয় সরকার পরিহাার্য। তৃণমূল পর্যায়ে টেকসই উন্নয়ন ও সুশাসন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই বলা যায়, শক্তিশালী স্থানীয় সরকার দেশের উন্নয়নের ধারক-বাহক।
লেখক : শিক্ষক, কবি, কলাম লেখক, সমাজসেবক ও সংগঠক।
পাঠকের মতামত:
- গুরুত্ব বিবেচনায় একটি সংক্ষিপ্ত বিশ্লেষণ
- শক্তিশালী স্থানীয় সরকার উন্নয়নের ধারক-বাহক
- বিরামপুর সীমান্তে ২ দফা পুশইন চেষ্টা প্রতিহত: সতর্ক অবস্থানে বিজিবির গ্রামবাসী
- কোহিনুর হত্যা: গ্রেপ্তার সোবহানের ২ দিনের রিমাণ্ড মঞ্জুর
- গ্যালাক্সি এস২৬ এফই: সাশ্রয়ী দামে শক্তিশালী এস সিরিজের স্মার্টফোন
- বজ্রপাতের ঝুঁকি কমাতে তালবীজ রোপণ করলেন রাজারহাট ইউএনও
- ফোবানাকে ব্যক্তি নয়, শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান
- খোলপেটুয়া নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলনের দায়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা
- ফরিদপুরে দিনে দুপুরে ব্যবসায়ীর বাড়িতে ডাকাতি, ভাঙচুর, লুটপাট
- ধর্মীয় উপাসনালয়ের কর্মীদের সম্মানী ভাতা দেবে সরকার
- ‘উদ্যোক্তা তৈরি করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি সরকারের মূল লক্ষ্য’
- শিশুদের মুখে খাবার তুলে দিতে না খেয়ে থাকছে বড়রা
- ‘রাজপথ কাউকে ইজারা দেয়নি বিএনপি’
- ‘মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনার আপিলের সুযোগ নেই’
- ‘কোম্পানি আইন সংশোধনে ব্যবসায়ীদের যত সময় প্রয়োজন, দেওয়া হবে’
- রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে জাপানের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
- ‘সাহসও নেই, লড়াইয়ের মানসিকতাও নেই’
- ‘ইউপি নির্বাচন উপজেলা ভিত্তিক হবে’
- ‘কাতারে হামলা করেছি’
- ‘ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রের জন্য দায়িত্বশীল গণমাধ্যম অপরিহার্য’
- প্রাথমিকের শিক্ষক বদলি অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত
- আগস্টে সড়কে ঝরেছে ৪৮১ প্রাণ
- মুক্তিযোদ্ধারা জগদলহাট দখল করে
- সাতক্ষীরার আবাদেরহাটে জমি দখল-পাল্টা দখলের প্রতিযোগিতা
- বাগেরহাটে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ: চার মাসে আক্রান্ত ১১৮৫, মৃত্যু ১২
- পঞ্চগড় জেলা পর্যায়ে ৫২তম গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা সম্পন্ন
- টাঙ্গাইলে ‘বিরতি’ রিসোর্ট থেকে তিন খদ্দেরসহ সাত যৌনকর্মী গ্রেপ্তার
- মধুমতির বুকে হাজারো ভ্রমণ পিপাসুর ভিড়
- মিষ্টি কড়া ত্রিশ ছড়া
- ‘পাঁচ বছরেই দেশকে সোনার খনিতে রূপান্তর সম্ভব’
- হেমন্ত মানে
- কুমিল্লায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪
- খোলপেটুয়া নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলনের দায়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা
- কুমিল্লায় কাউন্সিলরসহ দুজনকে গুলি করে হত্যা
- কেন্দুয়ায় অর্ধ শতাব্দি পর উন্মোচিত হলো বাউল কবি দীন শরৎ স্মৃতি ফলক ও জালাল মঞ্চ
- ফকির আপ্তাব উদ্দিন খাঁর ৯১তম ওরশে ভক্তদের ঢল
- চট্টগ্রামে ৩ দিনব্যাপী উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত সম্মেলন উদ্বোধন করবেন সুরস্রষ্টা শেখ সাদী খান
- বাংলার ঘরে ঘরে পালিত হল ভাই ফোঁটা
- পঞ্চগড়ে ‘আমরাই প্রকৃতির স্বজন’ সংগঠনের শীতবস্ত্র বিতরণ
- ফরিদপুরে দিনে দুপুরে ব্যবসায়ীর বাড়িতে ডাকাতি, ভাঙচুর, লুটপাট
- শিশুদের মুখে খাবার তুলে দিতে না খেয়ে থাকছে বড়রা
- ‘রাজপথ কাউকে ইজারা দেয়নি বিএনপি’
- লাখো মুসল্লীর আমিন আমিন ধ্বনিতে শেষ হলো কুড়িগ্রামের ইজতেমা
- ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’র শুরুটা আশা জাগানিয়া
- নড়াইলের আলোচিত সেই কৃষি কর্মকর্তার পদাবনতি
-1.gif)








