E Paper Of Daily Bangla 71
Sikdar Dental Care
Walton New
Mobile Version

বিশ্বজিৎ হত্যা মামলার আপিল শুনানি ৮ ডিসেম্বর

২০২৬ অক্টোবর ১৯ ১৮:২১:৩৩
বিশ্বজিৎ হত্যা মামলার আপিল শুনানি ৮ ডিসেম্বর

স্টাফ রিপোর্টার : প্রায় ১৪ বছর আগে পুরান ঢাকায় বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোটের কর্মসূচি চলাকালে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের কর্তৃক কুপিয়ে দর্জি দোকানি বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলার আপিল শুনানির জন্য ৮ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত। রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (১৯ অক্টোবর) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক এ দিন ধার্য করেন।

এর আগে সোমবার সকালে এই মামলার আপিল দ্রুত শুনানির জন্য আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদন করার কথা জানান অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।

এ মামলায় ২০১৪ সালের ১৮ ডিসেম্বর ৮ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ১৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন ঢাকার চার নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এবিএম নিজামুল হক।
এরপর হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে আসে। সেই সঙ্গে মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করে আসামিরা।

ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি শেষে ২০১৭ সালের ৬ আগস্ট দুই জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন হাইকোর্ট। হাইকোর্টের রায়ে মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছিল রফিকুল ইসলাম শাকিল ও রাজন তালুকদারের।
আর মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস পেয়েছিলেন সাইফুল ইসলাম ও কাইয়ুম মিঞা টিপু।

এ ছাড়া মৃত্যুদণ্ড থেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়েছিল মাহফুজুর রহমান নাহিদ, এমদাদুল হক এমদাদ, জি এম রাশেদুজ্জামান শাওন ও মীর মো. নূরে আলম লিমনকে। অন্যদিকে বিচারিক আদালতের দেয়া যাবজ্জীবন থেকে খালাস পান এএইচএম কিবরিয়া ও গোলাম মোস্তফা।

তবে রায়ের বিরুদ্ধে আবেদন না করায় বিচারিক আদালতে যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত বাকি ১১ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখা হয়েছিল। তারা হলেন- খন্দকার ইউনুস আলী, তারেক বিন জোহর, আলাউদ্দিন, ওবায়দুল কাদের, ইমরান হোসেন, আজিজুর রহমান, আল আমিন শেখ, রফিকুল ইসলাম, মনিরুল হক পাভেল, কামরুল হাসান ও মোশাররফ হোসেন।

হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের আইনজীবীরা পরে আপিল করেন। সেই আপিল দ্রুত শুনানির জন্য এবার রাষ্ট্রপক্ষ থেকে উদ্যোগ নেয়া হলো।

২০১২ সালের ৯ ডিসেম্বর ১৮ দলের অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে রাজধানীর পুরান ঢাকার ভিক্টোরিয়া পার্কের সামনে বিশ্বজিৎ দাসকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় ২০১৩ সালের ৫ মার্চ ছাত্রলীগের ২১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
(ওএস/এএস/অক্টোবর ১৯, ২০২৬)

পাঠকের মতামত:

১৯ অক্টোবর ২০২৬

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test