বৈধ অভিবাসনেও নজরদারি বাড়াচ্ছেন ট্রাম্প
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : একজন আফগান অভিবাসীর হাতে ন্যাশনাল গার্ড সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনার পর বৈধ অভিবাসন ব্যবস্থাতেও কঠোরতা আরোপের দিকে এগোচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার এই পদক্ষেপ প্রথম মেয়াদের নীতিগুলোর পুনরাবৃত্তি এবং একই ধরনের আইনি বাধার মুখে পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ঘটনার দুই দিনেরও কম সময়ের মধ্যে ট্রাম্প আফগান অভিবাসন আবেদন প্রক্রিয়া স্থগিত করেন, আগের প্রশাসনে আশ্রয় পাওয়া সব আবেদনকারীর পুনর্মূল্যায়নের নির্দেশ দেন এবং ১৯টি দেশের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার আওতায় আরো কঠোর যাচাই-বাছাইয়ের ইঙ্গিত দেন।
এই বছরের জানুয়ারিতে ক্ষমতায় ফেরার পর থেকেই ট্রাম্প অভিবাসন আইন প্রয়োগে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন—যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বড় শহরে ফেডারেল এজেন্ট পাঠানো এবং যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তে আশ্রয়প্রার্থীদের ফেরত পাঠানোর মতো পদক্ষেপ নিয়েছেন। তবে বৈধ অভিবাসন ব্যবস্থায় পরিবর্তনের বিষয়টি আগে তেমনভাবে সামনে আনেননি।
বুধবারের হামলার পর ঘোষিত নতুন বিধিনিষেধগুলো ইঙ্গিত দেয় যে তার প্রশাসন এখন জাতীয় নিরাপত্তার যুক্তি দেখিয়ে বৈধ অভিবাসনেও নজরদারি জোরদার করতে চাইছে এবং আগের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের তুলনামূলক শিথিল নীতিকে দায়ী করছে।
নতুন সিদ্ধান্তগুলোর কিছু সম্পূর্ণ নতুন—যেমন সব আফগান অভিবাসন আবেদন স্থগিত—আবার কিছু ২০১৭-২০২১ মেয়াদে চালু হওয়া ট্রাম্প যুগের পুরনো নীতির ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠছে।
ডগ র্যান্ড (বাইডেন প্রশাসনের সাবেক অভিবাসন কর্মকর্তা) বলেন, এই পদক্ষেপগুলো ট্রাম্প প্রশাসনের আগের পরিকল্পনাগুলোই দ্রুত বাস্তবায়নের চেষ্টা, যা আমাদের নিরাপদ করবে না।
সমালোচকরা বলছেন, একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনার কারণে আফগানিস্তানসহ নির্দিষ্ট দেশের অভিবাসীদের অন্যায়ভাবে দায়ী করা হচ্ছে।
ভেটেরান ও স্বেচ্ছাসেবকদের সংগঠন আফগানএভ্যাক এক বিবৃতিতে বলেছে যে, এই সহিংস ঘটনা পুরো আফগান অভিবাসী সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব করে না; তারা যুক্তরাষ্ট্রে বহুমুখী অবদান রেখে যাচ্ছে এবং সবচেয়ে কড়াকড়ি যাচাই-বাছাইয়ের মধ্য দিয়ে আসে।
রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান মাইক ললারও বলেন যে কঠোর যাচাই জরুরি হলেও, যুক্তরাষ্ট্রকে আফগান মিত্রদের প্রতি অঙ্গীকার ভাঙা উচিত নয়।
এদিকে ট্রাম্পের নতুন অভিবাসন কড়াকড়ি এমন সময়ে আসছে যখন জরিপে তার অভিবাসন নীতির জনপ্রিয়তা কিছুটা কমেছে।
রয়টার্স/ইপসোস জরিপে দেখা যায়, নভেম্বরের মাঝামাঝি ট্রাম্পের অভিবাসন নীতিতে সমর্থন ছিল ৪১ শতাংশ—যা মার্চে ছিল ৫০ শতাংশ।
একদিকে ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরো বিস্তৃত পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিলেও, সরকারি সংস্থাগুলো আপাতত সীমিত পরিসরে পদক্ষেপ ঘোষণা করেছে।
ট্রাম্প ‘থার্ড ওয়ার্ল্ড কান্ট্রি’ থেকে অভিবাসন স্থায়ীভাবে বন্ধ রাখার কথা বললেও, মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ জানায় যে বিষয়টি মূলত আগের ১৯টি ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার দেশকেই বোঝায়—যার মধ্যে আফগানিস্তান এরই মধ্যে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
ইউএসসিআইএস প্রধান জো এডলো জানান যে ‘উদ্বেগজনক দেশ’ থেকে গ্রীন কার্ড আবেদনগুলো কঠোরভাবে পুনর্মূল্যায়ন করা হবে।
হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ তদন্ত শুরু করেছে বাইডেন প্রশাসনে অনুমোদিত সব আশ্রয় মামলা পুনর্বিবেচনা করার জন্য। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এত বিপুল সংখ্যক পুরোনো মামলা পুনরায় খোলা নজিরবিহীন এবং এতে সিদ্ধান্ত গ্রহণে দীর্ঘ বিলম্ব হবে।
ট্রাম্প আরও বলেছেন, তিনি অ-নাগরিকদের জন্য ফেডারেল সুবিধা বন্ধ করবেন, আইন ভঙ্গ করলে নাগরিকত্ব বাতিল করবেন এবং যারা পাশ্চাত্য সভ্যতার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ তাদের দেশ থেকে বিতাড়িত করবেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব প্রস্তাবের অনেকগুলোই আদালতে টিকবে না।
হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র অ্যাবিগেইল জ্যাকসন ডেমোক্র্যাটদের প্রতিরোধকে দায়ী করে বলেছেন যে ট্রাম্প প্রশাসন দেশকে সুরক্ষিত করতে সম্ভাব্য সব ব্যবস্থা নিচ্ছে।
ডেমোক্র্যাট নেতারা পাল্টা যুক্তি দিয়ে বলেন যে ট্রাম্পের কঠোর পদক্ষেপগুলো প্রকৃত অপরাধীর বদলে সাধারণ অভিবাসীদেরও টার্গেট করছে এবং পরিবারগুলোকে বিচ্ছিন্ন করে দিচ্ছে।
তথ্যসূত্র : রয়টার্স
(ওএস/এএস/নভেম্বর ২৯, ২০২৫)
পাঠকের মতামত:
- জিঞ্জিরায় নিরীহ আশ্রয়প্রার্থীদের ওপর পাকসেনাবাহিনী আক্রমণ চালায়
- ৩০ এপ্রিল সিলেট যাবেন প্রধানমন্ত্রী
- জামালপুরে ১০ দিনব্যাপী বিসিক উদ্যােক্তা মেলা শুরু
- শিক্ষার্থী সেজে শিক্ষা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করলেন লৌহজংয়ের ইউএনও
- ‘প্রাথমিকের ২ লাখ শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস দেওয়া হবে’
- ইউনূসসহ সকল উপদেষ্টা অপরাধী : মোমিন মেহেদী
- অসুস্থতা ও একাকিত্বের জ্বালা সইতে না পেরে কাপ্তাইয়ে বৃদ্ধের আত্মহনন
- নগরকান্দায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পলাতক
- ভারত থেকে পাইপলাইনে এলো ৭ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল
- ঈশ্বরদীতে ভুয়া জজ পরিচয়ে প্রতারণার চেষ্টা, সাবেক সেরেস্তাদার আটক
- নড়াইলে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করলেন জেলা পুলিশ সুপার
- মুদি দোকানে ৩৫০ টাকা লিটারে পেট্রোল বিক্রি, জরিমানা ৫০ হাজার
- নড়াইলে রাস্তার ধারে দৃষ্টিনন্দন সজনের বাহার
- সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সহকারী সমিতির দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন ২৩ এপ্রিল
- বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির মামলা
- মোটরসাইকেলের বৈধ কাগজ না থাকায় মিলছে না জ্বালানি তেল, ১২ জনের জরিমানা
- গোপালগঞ্জে ৭০ বোতল উইনসেরেক্সসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
- একটি সেতুর কারণে ৯ বছরের দুর্ভোগে ১০ গ্রামের মানুষ
- হামের টিকাদান কর্মসূচি শুরু ৫ এপ্রিল
- ‘মাদক সম্পৃক্ততা প্রমাণ করতে পারলে আত্মহত্যা করবো’
- কাশিয়ানীতে রেস্টুরেন্টে নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে কর্মচারী গ্রেফতার
- ‘পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে সব পদক্ষেপ নেবে সরকার’
- মেলেনি লাইসেন্স, পেছাচ্ছে জ্বালানী লোডিং
- মহম্মদপুরে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৭ ইয়াবাসেবী আটক
- সুন্দরবনের মধু আহরণ ও জলদস্যু নির্মূল কার্যক্রমের উদ্বোধন
- কুড়িগ্রামে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬.৮ ডিগ্রী, মানুষের নাভিশ্বাস
- চাঁদপুরে জাহাজে ৭ খুন: স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর
- একুশে বইমেলায় ‘দেখা শোনা জানা কথা’
- '১৫ আগস্ট দুপুর গড়াতে না গড়াতেই রেডিওতে কোরাস কণ্ঠে উপর্যুপরি পরিবেশিত হয় মুজিব বিরোধী গান......এতো দিন মহাজনী করেছে যারা মুখোশ এবার তাদের খুলবোই.....'
- চুলের যত্নে জানতে হবে যে ১০ তথ্য
- শরীয়তপুরে তিনটি আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ঘোষণা
- ‘নাহিদের বালখিল্য বক্তব্য জাতি আশা করে না’
- কৃষ্ণচূড়ার ডালে ডালে
- মেহেরপুরে মেহেগুনি বাগান প্রিমিয়ার লিগে চ্যাম্পিয়ন সার্কেল চ্যাম্পিয়ান
- চাঁদপুরে জাহাজে খুন হওয়া ছেলের শোকে বাবার মৃত্যু
- খাগড়াছড়িতে চলছে ১৫ দিনব্যাপী বৈসাবি মেলা
- বরগুনায় টিকা নিয়ে হাসপাতালে ১৬ শিক্ষার্থী
- মেহেরপুরে বিভিন্ন আয়োজনে দিনব্যাপী প্রবীণদের মিলন মেলা
- শরীয়তপুরে সমকাল প্রতিনিধিকে হাতুড়িপেটার প্রতিবাদে মানববন্ধন
- ‘কেউ ভাবেনি গাজায় যুদ্ধবিরতি সম্ভব’
- রংপুরে তারুণ্যের ভাবনায় আগামীর বাংলাদেশ শীর্ষক কর্মশালা
- পবিত্র মহন্ত জীবন এর দু’টি কবিতা
- ‘কুমিল্লায় সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজদের যেকোনো মূল্যে প্রতিহত করা হবে’
- একাত্তরে নিখোঁজ হওয়া পিতার প্রথম মৃত্যু সংবাদ পেলাম পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট
- ফরিদগঞ্জে তিন সন্তানের জননী ও যুবকের আত্মহত্যা
-1.gif)








