E Paper Of Daily Bangla 71
Sikdar Dental Care
Walton New
Mobile Version

বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পরমাণু শক্তি চালিত আইসব্রেকারের জ্বালানী উৎপাদন করলো রসাটম

২০২৬ জানুয়ারি ০৩ ১৮:০৫:৩০
বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পরমাণু শক্তি চালিত আইসব্রেকারের জ্বালানী উৎপাদন করলো রসাটম

বিশেষ সংবাদদাতা : 'লীডার' প্রকল্প (প্রকল্প ১০৫১০) এর অধীনে পরবর্তী প্রজন্মের পরমাণু শক্তি চালিত আইসব্রেকার 'রছিয়া' এর প্রথম রিয়‍্যাক্টর কোর এর উৎপাদন ও কমিশনিং সফলভাবে সম্পন্ন করেছে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি সংস্থা রসাটম। এই রিয়‍্যাক্টরের প্রথম জ্বালানী উৎপাদন করেছে ইলেকট্রোস্তালে অবস্থিত রসাটম জ্বালানী বিভাগের যন্ত্র প্রস্তুতকারী কারখানা। রসাটমের মিডিয়া উইং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

রছিয়ায় মোট দু'টি RITM-400 রিয়‍্যাক্টর স্থাপিত হবে, যেগুলো RITM-200 রিয়‍্যাক্টরের তুলনায় ১.৮ গুন অধিক শক্তিশালী। উল্লেখ্য, বর্তমানে RITM-200 রিয়‍্যাক্টরগুলো রাশিয়ার অন্য একটি প্রকল্প ২২২২০ এর অধীনে পরিচালিত ইউনিভার্সাল আইসব্রেকারগুলোতে ব্যবহৃত হচ্ছে। দু'টি RITM-400 রিয়‍্যাক্টর থেকে মোট ১২০ মেগা-ওয়াট শ্যাফট পাওয়ার পাওয়া যাবে। একারনেই রছিয়া আইসব্রেকারটি হবে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী।

ইউনিভার্সাল আইসব্রেকারগুলো সাধারণত গভীর এবং অগভীর পানিতে চলাচলে সক্ষম হলেও লীডার প্রকল্পের আইসব্রেকারগুলোর কাজ হবে কিছুটা ভিন্ন। এই শক্তিশালী আইসব্রেকার চার মিটার পুরু বরফ কেটে এগিয়ে যাবার সময় পঞ্চাশ মিটার প্রশস্থ একটি চ্যানেল তৈরি করবে, যার ফলে পন্যবাহী জাহাজগুলো সহজেই এই চ্যানেল দিয়ে চলাচল করতে পারবে। উত্তর সমুদ্রপথকে সারা বছর ধরে জাহাজ চলাচলের উপযোগী রাখতে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনুসরণকারী জাহাজগুলোকে এসকর্ট করে রছিয়া আইরব্রেকার দুই মিটার পুরু বরফ কেটে ঘন্টায় বারো নটিক্যাল মাইল গতিতে এগিয়ে যেতে পারবে।

উত্তর সমুদ্রপথ, ইউরোপ এবং এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলকে সংযুক্ত করে এবং এই পথের দুরত্ব সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত। কারাগেট প্রনালী থেকে বেরিং প্রনালী পর্যন্ত দূরত্ব মাত্র ৫,৬০০ কিমি। বিশ্বে রাশিয়াই একমাত্র দেশ হিসেবে পরমাণু শক্তি চালিত আইসব্রেকার পরিচালনা করছে। তাদের বহরে বর্তমানে ৮টি আইসব্রেকার চালু রয়েছে এবং বেশ কয়েকটি নির্মানাধীন।

(এসকেকে/এসপি/জানুয়ারি ০৩, ২০২৬)

পাঠকের মতামত:

০৫ জানুয়ারি ২০২৬

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test