E Paper Of Daily Bangla 71
Sikdar Dental Care
Walton New
Mobile Version

ইরানকে সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে সাহায্য করছে রাশিয়া

২০২৬ সেপ্টেম্বর ০৩ ১৬:২৮:১১
ইরানকে সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে সাহায্য করছে রাশিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : শিয়া গোপনে ইরানকে নতুন প্রজন্মের সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে সাহায্য করে আসছে, যা মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ও যুদ্ধজাহাজের জন্য হুমকি হতে সক্ষম। দ্য ফিন্যান্সিয়াল টাইমস-এর একটি প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে বুধবার এনডিটিভি অনলাইন এ তথ্য জানিয়েছে।

সি৪৩০এল সাংকেতিক নামের এই গোপন কর্মসূচিটি ২০২৩ সালে রূপ নিতে শুরু করে এবং এর কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে এমন প্রযুক্তি যা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রগুলোকে শব্দের গতির চেয়ে কয়েকগুণ বেশি বেগে চলতে সক্ষম করবে।

র‍্যামজেট প্রোপালশন সিস্টেম এমন একটি প্রযুক্তি যা ইরান বহু বছর ধরে তৈরি করার চেষ্টা করছে। এই ধরনের একটি ব্যবস্থা তেহরানকে আরো দ্রুতগামী ও সহজে প্রতিহত করা যায় না এমন ক্ষেপণাস্ত্র দিতে পারে। এর ফলে পশ্চিমা বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলো কোনো আগত আক্রমণ শনাক্ত ও তার জবাব দেওয়ার জন্য অনেক কম সময় পাবে।

প্রযুক্তি হস্তান্তরের ব্যাপকতা থেকে বোঝা যায় যে, এই কর্মসূচিটির জন্য রুশ সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে অনুমোদনের প্রয়োজন হতো।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক অস্ত্র শনাক্তকরণ সংস্থা কনফ্লিক্ট আর্মামেন্ট রিসার্চ-এর জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক এবং ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র বিশেষজ্ঞ ফ্যাবিয়ান হিনজ বলেন, “এটি রাশিয়া থেকে একটি অত্যন্ত কৌশলগতভাবে সংবেদনশীল সামরিক প্রযুক্তির হস্তান্তর, যা ইরানিরা কয়েক দশক ধরে অর্জন করতে চেয়ে আসছে। এই ধরনের একটি কর্মসূচির জন্য রাশিয়ার সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে রাজনৈতিক অনুমোদন প্রয়োজন হবে।”

এই ব্যবস্থাটি মস্কো ও তেহরানের মধ্যকার একটি বৃহত্তর সামরিক অংশীদারিত্বের অংশ বলে মনে হচ্ছে। ইরান রাশিয়ার ড্রোন কর্মসূচিতে সমর্থন দিয়েছে, অন্যদিকে রাশিয়া ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়নে সহায়তা করেছে।

ফাঁস হওয়া নথি থেকে জানা যায়, ৭ অক্টোবরের হামলার মাত্র কয়েক সপ্তাহ পর, ২০২৩ সালের নভেম্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হওয়ার আগেই সি৪৩০এল চুক্তির প্রস্তুতি চলছিল।

(ওএস/এএস/সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২৬)











পাঠকের মতামত:

০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test