E Paper Of Daily Bangla 71
Sikdar Dental Care
Walton New
Mobile Version

‘মার্কিন সামরিক পদক্ষেপের চরম ঝুঁকির জন্যও প্রস্তুত কানাডা’

২০২৬ সেপ্টেম্বর ২৪ ১৫:১৮:২৯
‘মার্কিন সামরিক পদক্ষেপের চরম ঝুঁকির জন্যও প্রস্তুত কানাডা’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কানাডার বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের মতো একটি ‘চরম ঝুঁকির’ সম্ভাবনা মোকাবিলায় দেশের সক্ষমতা সরকার খতিয়ে দেখছে বলে জানিয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি। 

তবে বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্কের অবনতি ঘটলেও তার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন কার্নি।

কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্য হতে পারে- ট্রাম্পের এমন অতীত মন্তব্যকে তিনি ‍গুরুত্বের সঙ্গে নেন কিনা, বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জানান, সরকারগুলোর দায়িত্ব হলো যেকোনো অসম্ভব কিন্তু মারাত্মক পরিস্থিতির জন্য আগে থেকেই প্রস্তুতি রাখা।

তিনি বলেন, “এই ধরনের দায়িত্বে থাকলে চরম ঝুঁকিগুলো নিয়েও ভাবনাচিন্তা করার দায়িত্ব আপনার রয়েছে। এটি নিছক ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা। এটি আমাদের মূল পরিকল্পনা নয়, তবে এ নিয়ে প্রস্তুতি না নেওয়াটা দায়িত্বজ্ঞানহীনতা হবে।”

গত আগস্টে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য আলোচনা ভেঙে যাওয়ার পর থেকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তার কয়েক দফা কথা হয়েছে বলে জানান কার্নি।

তিনি বলেন, “আমার দিক থেকে বলব, আমাদের সম্পর্কটি এমন যে আমরা যেকোনো সময় ফোন তুলে একে অপরের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে পারি।”

কানাডা যেগুলোকে অন্যায় ও অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিকর বলে মনে করছে- যুক্তরাষ্ট্র শেষ মুহূর্তে এমন কিছু শর্ত জুড়ে দেওয়ায় গত ২১ আগস্ট কানাডা বাণিজ্য আলোচনা স্থগিত করে দেয়।

মার্কিন প্রযুক্তি ও সরবরাহকারীদের ওপর কানাডার নির্ভরতা কমানোর প্রচেষ্টার কথাও তুলে ধরেন কার্নি। এর মধ্যে ইলন মাস্কের স্যাটেলাইন নেটওয়ার্কের ওপর থেকে নির্ভরতা কমিয়ে বৈচিত্র্য আনার পরিকল্পনা ও কানাডার পূর্বনির্ধারিত মার্কিন নির্মিত ৮৮টি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়টি পর্যালোচনা করার পরিকল্পনাও রয়েছে।

তিনি জানান, বেইজিংয়ের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সম্পর্ক জোরালো করার বিষয়টি বাদ দিয়ে, চীনসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরো গভীর করতে চায় কানাডা।

বাণিজ্যিক বিরোধ সত্ত্বেও ওয়াশিংটনের সঙ্গে পারস্পরিকভাবে লাভজনক একটি চুক্তির সুযোগ এখনো রয়েছে বলে মন্তব্য করেন কার্নি।

তিনি কানাডার পটাশের কথা উল্লেখ করেন, যা যুক্তরাষ্ট্রের আমদানিকৃত এই প্রধান সার উৎপাদনের সিংহভাগ পূরণ করে। পটাশ নিয়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে সহযোগিতার একটি সম্ভাব্য ক্ষেত্র রয়েছে বলে তিনি মনে করেন। এর আগে চলতি সপ্তাহে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, ওয়াশিংটন বেলারুশের সঙ্গে একটি পটাশ চুক্তি করার চেষ্টা করছে।

কার্নি বলেন, ভবিষ্যতে অন্য কোনো মার্কিন প্রশাসন ক্ষমতায় এলেও কানাডা তার অর্থনৈতিক ও কৌশলগত বৈচিত্র্য বাড়ানোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।

তথ্যসূত্র: আনোদোলু এজেন্সি

(ওএস/এএস/সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬)


পাঠকের মতামত:

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test