E Paper Of Daily Bangla 71
Sikdar Dental Care
Walton New
Mobile Version

উপসাগরীয় ৭ দেশে হামলার হুমকি ইরানের

২০২৬ অক্টোবর ২৩ ১৩:০৭:২০
উপসাগরীয় ৭ দেশে হামলার হুমকি ইরানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সেক্রেটারি মোহসেন রেজায়ি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যদি নতুন করে হামলা চালায়, তবে পারস্য উপসাগরীয় সাতটি দেশে অবস্থিত তেল স্থাপনা, সমুদ্রতলদেশের ক্যাবল, ডেটা সেন্টার এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সংক্রান্ত স্থাপনাগুলোতে ইরান আঘাত হানবে।

ইরানের কট্টরপন্থী নেতা মোহাম্মদ গালিবাফের উপদেষ্টা মেহেদি মোহাম্মাদি—যিনি দুই দেশের মধ্যকার সংঘাত অবসানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের আলোচনায় নেতৃত্ব দিয়েছিলেন—জানিয়েছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প ও বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু নীতিগতভাবে হামলার বিষয়ে একমত হয়েছেন, তবে তারা এই হামলার সফল পরিণতির নিশ্চয়তা দিতে পারছেন না।

তিনি বলেন, “আমরা পরবর্তী সংঘাতকে অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই হিসেবে দেখছি। দুই বছরের মধ্যে তৃতীয় যুদ্ধ মানেই অস্তিত্বের ওপর হুমকি। আমাদের কৌশল হলো—কোনো ‘রেড লাইন’ বা সীমাবদ্ধতা না রাখা।”

মোহাম্মাদি বলেন, “আমরা এই সংঘাতের সময়গত ও স্থানগত সীমানা ভেঙে ফেলব। শত্রুপক্ষ যা ধারণা করছে, তার চেয়ে অনেক দীর্ঘ সময় ধরে এবং অনেক বিস্তৃত ভৌগোলিক এলাকাজুড়ে এই যুদ্ধ চলবে।”

ইরানি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রেজায়ি ঘোষণা করেছেন: “যুদ্ধ শুরু হলে কেবল সামরিক লক্ষ্যবস্তুই নয়, বরং ক্যাবল, ডেটা সেন্টার এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক স্থাপনাগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করা হতে পারে। সংঘাত যদি আবারো ছড়িয়ে পড়ে, তবে আমাদের হাতে আরো বিস্তৃত পরিকল্পনা থাকবে।”

তিনি বলেছেন, “এমন কোনো সমঝোতা হতে পারে না যেখানে ইরানের অর্থনৈতিক প্রাণকেন্দ্রগুলো আক্রমণের শিকার হবে, অথচ সেই আক্রমণগুলো পরিচালনার পেছনে যে অর্থনৈতিক কাঠামো কাজ করছে, তা অক্ষত ও সুরক্ষিত থেকে যাবে।”

মার্কিন গণমাধ্যমের সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন সামরিক উপদেষ্টারা ইরানকে লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নতুন যৌথ হামলার জন্য একটি বিস্তারিত লক্ষ্যবস্তু তালিকা প্রস্তুত করেছেন। ৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিতব্য মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের

(ওএস/এএস/অক্টোবর ২৩, ২০২৬)


পাঠকের মতামত:

২৩ অক্টোবর ২০২৬

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test