E Paper Of Daily Bangla 71
Sikdar Dental Care
Walton New
Mobile Version

মার্কিন নাগরিকদের ভিসা বাতিলের সিদ্ধান্ত ৩৯ দেশের

২০২৬ জানুয়ারি ০৭ ১৭:২৩:০৬
মার্কিন নাগরিকদের ভিসা বাতিলের সিদ্ধান্ত ৩৯ দেশের

ইমা এলিস, নিউ ইয়র্ক : নতুন বছরে পা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেকেই ২০২৬ সালে আরও বেশি ভ্রমণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে ফ্লাইট খোঁজা বা টিকিট বুক করার আগে জেনে নেওয়া জরুরি কোন কোন দেশ আমেরিকান নাগরিকদের জন্য ভিসা বাতিল বা স্থগিত করছে।

২০২৬ সালের ভ্রমণ ইতোমধ্যেই অস্থিরতার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে। ভেনেজুয়েলাকে ঘিরে সম্ভাব্য সংঘাতের কারণে গত সপ্তাহান্তে ক্যারিবীয় অঞ্চলে যাতায়াতকারী হাজারো ফ্লাইট বাতিল হয়েছে, ফলে বহু যাত্রী আটকে পড়েছেন বলে জানা গেছে।

এর আগেই, ডিসেম্বরের মাঝামাঝি, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর প্রশাসন ঘোষণা করে যে তারা ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরও কয়েকটি দেশে সম্প্রসারণ করবে এবং কিছু দেশের নাগরিকদের জন্য নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করবে।

২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত আফ্রিকা, এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও লাতিন আমেরিকার মোট ৩৯টি দেশ যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা বা নির্দিষ্ট ধরনের ভিসায় কড়াকড়ির মুখে পড়েছে। এমনকি একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের একটি ভূখণ্ড আবার স্পেনের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলেও খবর এসেছে।

ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা ও বিধিনিষেধ সম্প্রসারণ প্রসঙ্গে হোয়াইট হাউসের এক বিবৃতিতে বলা হয়, সন্ত্রাসী হামলা চালানোর উদ্দেশ্য থাকা, জাতীয় নিরাপত্তা ও জননিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলা, ঘৃণামূলক অপরাধে উসকানি দেওয়া বা অন্য কোনো কু-উদ্দেশ্যে অভিবাসন আইন অপব্যবহার করতে চায় এমন বিদেশি নাগরিকদের হাত থেকে মার্কিন নাগরিকদের সুরক্ষা দেওয়াই যুক্তরাষ্ট্রের নীতি।

কোন কোন দেশ আমেরিকানদের ভিসা বাতিল করছে?

নাইজার: ২৬ ডিসেম্বর পশ্চিম আফ্রিকার স্থলবেষ্টিত দেশ নাইজার ঘোষণা দেয়, তারা 'মার্কিন নাগরিকদের জন্য সব ধরনের ভিসা সম্পূর্ণ ও স্থায়ীভাবে বাতিল করছে এবং অনির্দিষ্টকালের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের নিজ ভূখণ্ডে প্রবেশ নিষিদ্ধ করছে।

চাদ: মধ্য আফ্রিকার দেশ চাদ জানায়, তারা “পারস্পরিকতার নীতির ভিত্তিতে” যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের ভিসা প্রদান স্থগিত করছে। গত জুনে চাদকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার পরই এ সিদ্ধান্ত আসে।

বুরকিনা ফাসো ও মালি: পশ্চিম আফ্রিকার আরও দুটি দেশ বুরকিনা ফাসো ও মালি সম্প্রতি একই পথ অনুসরণ করে মার্কিন নাগরিকদের ওপর পূর্ণ ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এটি ট্রাম্প প্রশাসনের তাদের নাগরিকদের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞার পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে নেওয়া হয়েছে।

বুরকিনা ফাসো ঘোষণা দেয়, তারা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের ওপর 'সমমানের ভিসা ব্যবস্থা' কার্যকর করছে। একই সঙ্গে দেশটি জানায়, তারা “পারস্পরিক সম্মান, রাষ্ট্রের সার্বভৌম সমতা এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কে পারস্পরিকতার নীতির প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ।”

মালি, যা বুরকিনা ফাসোর দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্তঘেঁষা, তারাও যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে পাল্টা ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। দেশটির পররাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, যুক্তরাষ্ট্রে মালিয়ান নাগরিকদের প্রবেশের ক্ষেত্রে যে শর্ত ও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে, আমেরিকান নাগরিকদের ক্ষেত্রেও 'একই শর্ত ও প্রয়োজনীয়তা' প্রযোজ্য হবে।

(আইএ/এসপি/জানুয়ারি ০৭, ২০২৬)

পাঠকের মতামত:

১৩ জানুয়ারি ২০২৬

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test