E Paper Of Daily Bangla 71
Sikdar Dental Care
Walton New
Mobile Version

যুক্তরাষ্ট্রে ডিপফেক আইনে ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা’ ব্যবহারকারী ব্যক্তি দোষী সাব্যস্ত

২০২৬ এপ্রিল ১০ ১৮:১৮:০৯
যুক্তরাষ্ট্রে ডিপফেক আইনে ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা’ ব্যবহারকারী ব্যক্তি দোষী সাব্যস্ত

ইমা এলিস, নিউ ইয়র্ক : যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যের বাসিন্দা ৩৭ বছর বয়সী জেমস স্ট্রাহলার নারীদের ভয় দেখানো ও হয়রানির উদ্দেশ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে যৌনউত্তেজক ভুয়া ছবি তৈরি করার অভিযোগে দোষ স্বীকার করেছেন। ওহাইওর দক্ষিণাঞ্চলীয় জেলার মার্কিন অ্যাটর্নি অফিস জানিয়েছে, তিনি সাইবারস্টকিং, শিশু যৌন নির্যাতনমূলক কনটেন্ট তৈরির ভিজ্যুয়াল তৈরি এবং ডিজিটাল জালিয়াতি প্রকাশের অভিযোগে অভিযুক্ত হন।

স্ট্রাহলারের বিরুদ্ধে 'ডিজিটাল ফোরজারি' প্রকাশের অভিযোগটি ২০২৫ সালে পাস হওয়া 'টেক ইট ডাউন অ্যাক্ট' আইনের আওতায় পড়ে। এই আইনে দোষী সাব্যস্ত হওয়া তিনিই প্রথম ব্যক্তি বলে জানিয়েছেন দক্ষিণ ওহাইওর ইউএস অ্যাটর্নি ডোমিনিক জেরেস।

অভিযোগ অনুযায়ী, স্ট্রাহলার এআই ব্যবহার করে প্রাপ্তবয়স্ক নারী ও অপ্রাপ্তবয়স্কদের নিয়ে সম্মতি ছাড়া ৭০০টিরও বেশি আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও তৈরি করেন এবং ভুক্তভোগীদের কাছে হুমকিমূলক বার্তা পাঠান।

তদন্তে আরও জানা যায়, তিনি একাধিক এআই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে ভুয়া ছবি ও ভিডিও তৈরি করে অনলাইনে ছড়িয়ে দেন। কিছু ক্ষেত্রে ভুক্তভোগীদের পরিবার ও সহকর্মীদের কাছেও এসব কনটেন্ট পাঠিয়ে হয়রানি করা হয়।

২০২৫ সালের জুনে তাকে ফেডারেল অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তিনি আদালতে দোষ স্বীকার করেন। তার সাজা পরবর্তীতে ঘোষণা করা হবে।

'টেক ইট ডাউন অ্যাক্ট' আইন অনুযায়ী, সম্মতি ছাড়া তৈরি বা প্রকাশ করা অন্তরঙ্গ ছবি যার মধ্যে এআই-নির্ভর ডিপফেকও অন্তর্ভুক্ত অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এছাড়া, ভুক্তভোগীর অভিযোগ পাওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এসব কনটেন্ট অপসারণের বাধ্যবাধকতাও এই আইনে রয়েছে।

এই আইনটি রিপাবলিকান সিনেটর টেড ক্রুজ এবং ডেমোক্র্যাট সিনেটর অ্যামি ক্লোবুচার যৌথভাবে উত্থাপন করেন এবং দুই দলের সমর্থনে পাস হয়। প্রথম লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প ও এই আইনের পক্ষে জোরালো ভূমিকা রাখেন।

(আইএ/এসপি/এপ্রিল ১০, ২০২৬)

পাঠকের মতামত:

১০ এপ্রিল ২০২৬

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test