E Paper Of Daily Bangla 71
Sikdar Dental Care
Walton New
Mobile Version

‘আগামী বছর সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড ডে মিল’

২০২৬ সেপ্টেম্বর ০৮ ১৩:৫৪:৫২
‘আগামী বছর সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড ডে মিল’

স্টাফ রিপোর্টার : আগামী বছরের মধ্যে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড ডে মিল চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

তিনি বলেন, ‍“বর্তমানে ১৫১টি উপজেলায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় ৩০ লাখের বেশি শিক্ষার্থী পুষ্টিকর খাবার পাচ্ছে। বাকি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে আগামী বছর থেকে একই ধরনের কর্মসূচি ‘মিড ডে মিল’-এর আওতায় আনা হবে।”

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ববি হাজ্জাজ বলেন, “মিড ডে মিল আগামী বছরের ভেতরে আমরা সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করছি।”

মিড ডে মিলে খাবারের তালিকায় পরিবর্তন আনা হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “খাবারের পুষ্টিমান ঠিক রেখে পরিবর্তনের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। নতুন কোনো খাবার যুক্ত করা হলে এর সরবরাহ ব্যবস্থা ও পুষ্টিমান দুটিই বিবেচনায় নেওয়া হবে।”

তিনি বলেন, “আমরা চেষ্টা করছি যে, অন্য কোনো ধরনের পরিবর্তন আনতে চাই কি না, নিউট্রিশন ভ্যালুটা একই রেখে।”

খাবারের সরবরাহ নিশ্চিত করতে আগাম চুক্তির বিষয়েও কাজ চলছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, “প্রয়োজন হলে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে আগেই চুক্তি করা হবে। এতে তারা উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে পারবে এবং পরবর্তী বছর থেকে সরকার প্রয়োজনীয় পণ্য সংগ্রহ করতে পারবে।”

মিড ডে মিল কর্মসূচির খাবারের মান নিয়ে বিভিন্ন সময়ে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে ববি হাজ্জাজ জানান, গত কয়েক মাসে এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। গত এক মাসে তিনি নিজে ১২ থেকে ১৪টি জেলা পরিদর্শন করে কর্মসূচির পরিস্থিতি দেখেছেন।

ববি হাজ্জাজ বলেন, “শুরুর দিকে যে ফল্ট লেভেলগুলো ছিল, সেগুলো একদম কমে গেছে। আমি হয়তো জিরো বলব না, কিন্তু জিরোর কাছাকাছি চলে এসেছে।”

কিছু এলাকায় মিথ্যা প্রতিবেদনও পাওয়া গেছে বলে দাবি করেন প্রতিমন্ত্রী। পাশাপাশি খাবারের মান যাচাইয়ে মায়েদের সম্পৃক্ত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, “খাবার গ্রহণের প্রক্রিয়ায় ‘মাদার্স কমিটি’কে যুক্ত করা হয়েছে। এ কমিটিতে তিনজন মা, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও একজন শিক্ষক থাকছেন। খাবার গ্রহণযোগ্য মনে না হলে তা ফেরত পাঠানোর বিষয়ে মায়েদের আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”

তিনি বলেন, “তারা যদি এক্সেপ্টেবল না মনে করেন, ইমিডিয়েটলি তারা ফেরত পাঠিয়ে দেবেন। এটাতেও আমরা অনেক ভালো রেজাল্ট দেখছি।”

প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়া ও বিদ্যালয়ের বাইরে থাকা শিশুদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় ফিরিয়ে আনতেও মিড ডে মিল কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে বলে জানান ববি হাজ্জাজ।

তিনি বলেন, “৪ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুদের আবার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার আওতায় আনা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। বিশেষ করে যারা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বাইরে রয়েছে, তাদের স্কুলে ফিরিয়ে আনতে বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে।”

(ওএস/এএস/সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৬)




পাঠকের মতামত:

০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test