E Paper Of Daily Bangla 71
Sikdar Dental Care
Walton New
Mobile Version

‘ডেকে এনে টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে’

২০২৬ মে ১৩ ১৩:৫৩:০২
‘ডেকে এনে টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে’

স্টাফ রিপোর্টার : কোনো শিশু যাতে টিকাদান কর্মসূচির বাইরে না থাকে, সে জন্য তাদের ডেকে এনে টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। 

বুধবার (১৩ মে) সচিবালয়ে চীনা প্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাক ফাউন্ডেশেনের ৩ লাখ ৮০ হাজার ডোজ পোলিও ভ্যাকসিন অনুদান গ্রহণের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আমাদের যথেষ্ট টিকা মজুদ আছে।
আপনারা বলছেন আমরা কতটুকু সিরিয়াস। সরকার টিকাদান কার্যক্রমে অত্যন্ত সিরিয়াস।

তিনি দাবি করেন, বিভিন্ন জেলায় শতভাগের কাছাকাছি টিকা কাভারেজ অর্জিত হয়েছে। যেসব এলাকায় এখনো টার্গেট পূর্ণ হয়নি, সেখানে মাইকিং করে এবং খুঁজে খুঁজে শিশুদের টিকা দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, টিকা দেওয়ার পর শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হতে তিন থেকে চার সপ্তাহ সময় লাগে। এই সময় পর্যন্ত রোগ প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে চিকিৎসা, আইসোলেশন ও আইসিইউ ব্যবস্থাও চালু রয়েছে বলে তিনি জানান।

হাম পরিস্থিতি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, সরকার পরিস্থিতি মোকাবিলায় কাজ করছে এবং পর্যাপ্ত টিকা মজুত রয়েছে। কোনো শিশু যাতে টিকা থেকে বাদ না পড়ে, সে বিষয়টি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

টিকা সংকটের কারণ তদন্ত হবে কি না-এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তদন্ত করব না-এ কথা আমি বলিনি। আমরা এখন সংকট মোকাবিলা করছি। পরে প্রয়োজন হলে বিষয়টি দেখা হবে।

তিনি বলেন, এটি আমাদের ওপর চাপের একটা বিষয়। অনেক ইনফরমেশন, অনেক পত্রিকায় আসছে। আপনারা জানেন, হামের পরে যেই রোগটা হয়, এমনকি নিউমোনিয়ার ঘটনাও ঘটে, যেগুলো অনেক ক্ষেত্রে সারভাইভেবল নয়। যেগুলো আপনারা জানেন, আমাদের বেসিক ইন দ্য লাস্ট ফিউ ইয়ারস ফর দিস ইস্যু। সেই বেসিক পলিসি অনুযায়ী পর্যাপ্ত পরিমাণে আমরা প্রত্যেক জায়গায় দিয়েছি। আমাদের হাতে আজকের থেকে এই মুহূর্ত পর্যন্ত আরও ১০টি ভেন্টিলেটর, আমেরিকা থেকে আমাদেরকে দিয়েছে। আমাদের একজন প্রাইভেট ফার্মাসিউটিক্যাল প্রোডাকশন দিয়েছে, আমরা সেগুলো আজকে ডিস্ট্রিবিউট করব।

মন্ত্রী বলেন, যক্ষার এনএসটিভি ওষুধ আমরা রিসিভ করেছি, আমরা প্রয়োগ করেছি, সেগুলো আমাদের চলছে। প্রত্যেকটি ভ্যাকসিনেশন আমাদের এখন চলছে। ভিটামিন এ একটু শর্ট আছে, বাই নেক্সট মান্থ জুন। জুন নাগাদ আমরা ভিটামিন এ সম্পূর্ণ পাবো এবং আমরা বছরে যেটা প্রি-ডিসাইডেড থিং, বছরে দুইবার ভিটামিন এ দেওয়া-সেটাও আমরা ইনশাল্লাহ কন্টিনিউ করব।

তিনি আরও বলেন, সরকার বর্তমানে এ বিষয়েই বেশি মনোযোগ দিচ্ছে এবং পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

হাম প্রসঙ্গে অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আমরা আশা করি, আমরা টিকা দিচ্ছি। টিকার ওপর তো আর কোনো ট্রিটমেন্ট নেই এবং এটি একটি কন্টিনিউয়াস প্রসেস। আমরা প্রতিদিনই কাজ করছিএটা এমন নয় যে টার্গেট শেষ হলে আমরা বন্ধ করে দেব। আমরা খুঁজে খুঁজে টিকা দেব।

তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে অনেক জায়গায় শতভাগ টার্গেট পূরণ হয়েছে। ওয়ার্ল্ড হেল্থ অর্গানাইজেশনও স্বীকার করেছে যে আমাদের টার্গেট পূর্ণ হয়েছে। এখন আমরা খুঁজে বের করছি যারা এখনো টিকা পায়নি, সেই শিশুরা যেন বাদ না পড়ে।

এ সময় চীনা দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সিনোভ্যাক বায়োটেক লিমিটেডের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
(ওএস/এএস/মে ১৩, ২০২৬)


পাঠকের মতামত:

১৩ মে ২০২৬

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test