E Paper Of Daily Bangla 71
Sikdar Dental Care
Walton New
Mobile Version

৭ অক্টোবর, ১৯৭১

দিনাজপুর ও লালমনিরহাটে মুক্তিবাহিনী ও পাকিস্তানি বাহিনীর মধ্যে প্রচন্ড সংঘর্ষ হয়

২০২৬ অক্টোবর ০৭ ০০:৪৯:৩৭
দিনাজপুর ও লালমনিরহাটে মুক্তিবাহিনী ও পাকিস্তানি বাহিনীর মধ্যে প্রচন্ড সংঘর্ষ হয়

উত্তরাধিকার ৭১ নিউজ ডেস্ক : ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জগজীবন রাম নয়াদিল্লীতে বলেন, আমরা বাংলাদেশ প্রশ্নের একটি রাজনৈতিক সমাধান বলতে একমাত্র ‘স্বাধীনতা’ বুঝি। আমরা বিশ্বাস করি, বাঙালিরা একদিন স্বাধীনতা লাভ করবে এবং বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্রের মর্যাদা ও স্বীকৃতি পাবে। কেননা, তারা ন্যায় ও সত্যের জন্য লড়াই করছেন।

কাদেরিয়া বাহিনী ভূয়াপুর থানায় অবস্থানরত পাকসেনাদের ওপর আক্রমণ চালায়। এ অভিযানে মুক্তিযোদ্ধারা ভ’য়াপুর থানা পাকসেনা মুক্ত করে। এতে ৭০/৮০ জন রাজাকার মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে ধরা পড়ে। যুদ্ধে ২ জন বীর মুৃক্তিযোদ্ধা শহীদ হন।

২নং সেক্টরে মুক্তিবাহিনী ক্যাপ্টেন গাফফারের নেতৃত্বে শালদা নদী রেলওয়ে স্টেশন দখলের পরিকল্পনা অনুযায়ী পাকসেনা ঘাঁটি বড়দাসুয়া, চাঁদলা, কায়েমপুর এবং গোবিন্দপুর আক্রমণ করে। পাকসেনারা পাল্টা আক্রমণ চালালে উভয় পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। এই আক্রমণে মুক্তিবাহিনীর নায়েব সুবেদার সিরাজ, সুবেদার মঙ্গল মিয়া এবং সুবেদার বেলায়েত স্ব-স্ব প্লাটুন নিয়ে উত্তর-পশ্চিম দিক সামনে রেখে পূর্ব দিকে অবস্থান নেন।

রাজশাহীর মাগুরাপাড়ায় মুক্তিবাহিনী পাকসেনাদের বিরুদ্ধে এক সফল অভিযান চালায়। এই অভিযানে ৩ জন পাকসৈন্য ও ৪ জন পাকপুলিশ নিহত হয়।

দিনাজপুর ও লালমনিরহাটের মোগলহাটে মুক্তিবাহিনী ও পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর মধ্যে প্রচন্ড সংঘর্ষ হয়।

ডাঃ এ.এম. মালিক তার মন্ত্রী সভায় আরো তিনজন মন্ত্রী অন্তভর্’ক্ত করেন। নতুন মন্ত্রীরা হচ্ছেন- পিডিপি-র এ.কে. মোশারফ হোসেন, জসিম উদ্দিন আহমদ ও কাইয়ুম মুসলিম লীগের মুজিবুর রহমান এ্যাডভোকেট।

বিশ্ব ব্যাংকের সহকারী আবাসিক প্রতিনিধি শিগোমটস্থ কারিয়ামা খাদ্য ও কৃষিমন্ত্রী নওয়াজেশ আহমদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

লেঃ জেনারেল নিয়াজী সৈয়দপুরের নবনির্মিত বিমান ঘাঁটির উদ্বোধন করেন। দালাল ও সেনাবাহিনীর একতাবদ্ধতার নিদর্শন হিসেবে বিমান ঘাঁটিটি সম্মিলিতভাবে তৈরী করা হয়। বিমান ঘাঁটি উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে নিয়াজী বলেন, ‘যারা ভাষাভিত্তিক প্রশ্ন তুলে আমাদের মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি করতে চায় তারা পাকিস্তানের শত্রু। আমরা ঐক্যবদ্ধ মুসলিম জাতি হিসেবে টিকে থাকবো এবং শত্রুর দুরভিসন্ধি নস্যাৎ করে দেবো।

সিরিয়ার প্রতিনিধি জাতিসংঘে ভাষণ দিতে গিয়ে বলেন, ‘ সিরিয়া পাকিস্তানের ঐক্য রক্ষা এবং পূর্ব পাকিস্তানের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ দেখতে আগ্রহী।’

তথ্যসূত্র : মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর।

(ওএস/এএস/অক্টোবর ০৭, ২০২৬)




পাঠকের মতামত:

০৭ অক্টোবর ২০২৬

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test