ঐতিহাসিক ৬ দফা ছিলো বাংলাদেশের স্বাধীনতার সোপান, বাঙালির মুক্তির সনদ
মকিস মনসুর
১৯৬৬ সালের ৭ ই জুন ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস। “জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৬৬ সালের ঐতিহাসিক ৬ দফা বাঙালির মুক্তির সনদ, বাংলাদেশের স্বাধীনতার সোপান” বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষিত ছয় দফা কোন রাতারাতি কর্মসূচি ছিল না। এর প্রস্তুতি ছিল দীর্ঘদিনের। উনিশ’শ চল্লিশ সালের লাহোর প্রস্তাব, ‘৪৭ সালের ভারত ভাগ, ১৯৪৯ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগের জন্ম, রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন, ‘৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের বিজয়, ১৯৫৮ সালে আইয়ুব খানের সামরিক শাসন – এসবই ছয় দফার ভিত তৈরি করেছে। বঙ্গবন্ধুর ঘোষিত ছয় দফা ছিল একটা সাঁকো, যাতে চেপে স্বাধিকার থেকে স্বাধীনতায় উন্নীত হওয়া যায়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের রোডম্যাপ মুলত রচিত হয়েছিলো বঙ্গবন্ধুর ছয় দফা থেকেই। সোচ্চার বাঙালির সাহসের উৎস আর মুক্তির প্রেরণা ৭ জুন ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষিত ৬-দফা আন্দোলন ১৯৬৬ সালের ৭ই জুন নতুন মাত্রা পায়। বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ৬-দফার প্রতি বাঙালির অকুণ্ঠ সমর্থনে রচিত হয় স্বাধীনতার রূপরেখা। ৬-দফা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে অঙ্কুরিত হয় স্বাধীনতার স্বপ্নবীজ। ৬-দফা ভিত্তিক আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন স্বাধীনতা সংগ্রামে রূপ নেয়। ৬-দফা ভিত্তিক ১১-দফা আন্দোলনের পথপরিক্রমায় শুরু হয় ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান। সর্বোপরি ১৯৭০-এর সাধারণ নির্বাচনে বাংলার জনগণ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তথা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মনোনীত প্রার্থীদের পক্ষে একচেটিয়া রায় প্রদান করে। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভের পরও পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী যখন সরকার গঠনে নির্বাচিত বাঙালি জনপ্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য গড়িমসি শুরু করে তখনই ১৯৭১-এর ৭ই মার্চে রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ঐতিহাসিক ভাষণের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের ডাক দেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
এখানে উল্লেখ্য যে পাকিস্তানি শাসন-শোষণ বঞ্চনা থেকে মুক্তির লক্ষ্যে ১৯৬৬ সালের ৫ই ফেব্রুয়ারি আইয়ুব সরকারের বিরুদ্ধে লাহোরে এক জাতীয় সম্মেলন আহ্বান করে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এইদিন অনুষ্ঠিত সম্মেলনে ৬ দফা উত্থাপন করেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষিত বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ ৬ দফা দাবির পক্ষে দেশব্যাপী তীব্র গণ আন্দোলনের সূচনা হয়।
ছয় দফা আন্দোলন বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। ১৯৬৬ সালে ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর এক সম্মেলনে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ৬ দফা দাবি পেশ করেন। ছয় দফা দাবির মূল উদ্দেশ্য- পাকিস্তান হবে একটি Federal বা যৌথরাষ্ট্র এবং ছয় দফা কর্মসূচীর ভিত্তিতে এই Federation বা যৌথরাষ্ট্রের প্রতিটি অঙ্গরাজ্যকে পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন দিতে হবে। পরবর্তীতে এই ৬ দফা দাবিকে কেন্দ্র করে স্বায়ত্তশাসনের আন্দোলন জোরদার করা হয়।
এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন ছয় দফার ভিতরে কি দাবি দাবিগুলো ছিলো যাহা নিম্নরূপ:
প্রথম দফা : সরকারের বৈশিষ্ট হবে Federal বা যৌথরাষ্ট্রীয় ও সংসদীয় পদ্ধতির; তাতে যৌথরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্যগুলো থেকে কেন্দ্রীয় ব্যবস্থাপক সভার নির্বাচন হবে প্রত্যক্ষ এবং সার্বজনীন প্রাপ্তবয়স্ক ভোটাধিকারের ভিত্তিতে। কেন্দ্রীয় ব্যবস্থাপক সভার প্রতিনিধি নির্বাচন জনসংখ্যারভিত্তিতে হবে।
দ্বিতীয় দফা : কেন্দ্রীয় সরকারের দায়িত্ব থাকবে কেবল প্রতিরক্ষা ও বৈদেশিক বিষয় এবং তৃতীয় দফায় ব্যবস্থিত শর্তসাপেক্ষ বিষয়।
তৃতীয় দফা : পুর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের জন্য দুটি পৃথক মুদ্রা-ব্যবস্থা চালু করতে হবে, যা পারস্পরিকভাবে কিংবা অবাধে উভয় অঞ্চলে বিনিময় করা চলবে। অথবা এর বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে একটি মুদ্রা-ব্যবস্থা চালু থাকতে পারে এই শর্তে যে, একটি কেন্দ্রীয় সংরক্ষণ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে হবে, যার অধীনে দুই অঞ্চলে দুটি রিজার্ভ ব্যাংক থাকবে। তাতে এমন বিধান থাকতে হবে যেন এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চলে সম্পদ হস্তান্তর কিংবা মূলধন পাচার হতে না পারে।
চতুর্থ দফা : রাজস্ব ধার্য ও আদায়ের ক্ষমতা থাকবে অঙ্গরাজ্যগুলোর হাতে। প্রতিরক্ষা ও বৈদেশিক বিষয়ের ব্যয় নির্বাহের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে প্রয়োজনীয় রাজস্বের যোগান দেয়া হবে। সংবিধানে নির্দেশিত বিধানের বলে রাজস্বের এই নির্ধারিত অংশ স্বাভাবিকভাবেই কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে জমা হয়ে যাবে। এহেন সাংবিধানিক বিধানে এমন নিশ্চয়তা থাকবে যে, কেন্দ্রীয় সরকারের রাজস্বের প্রয়োজন মেটানোর ব্যাপারটি এমন একটি লক্ষ্যের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ হতে হবে যেন রাজস্বনীতির উপর নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা নিশ্চিতভাবে অঙ্গরাজ্যগুলোর হাতে থাকে।
পঞ্চম দফা : যৌথরাষ্ট্রের প্রতিটি অঙ্গরাজ্য যে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করবে, সেই অঙ্গরাজ্যের সরকার যাতে স্বীয় নিয়ণ্ত্রনাধীনে তার পৃথক হিসাব রাখতে পারে, সংবিধানে সেরূপ বিধান থাকতে হবে। কেন্দ্রীয় সরকারের যে পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রার প্রয়োজন হবে, সংবিধান নির্দেশিত বিধি অনুযায়ী নির্ধারিত অনুপাতের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যগুলো থেকে তা আদায় করা হবে। সংবিধান নির্দেশিত বিধানানুযায়ী দেশের বৈদেশিক নীতির কাঠামোর মধ্যে, যার দায়িত্ব থাকবে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে, বৈদেশিক বাণিজ্য ও বৈদেশিক সাহায্য সম্পর্কে চুক্তি সম্পাদনের ক্ষমতা আঞ্চলিক বা প্রাদেশিক সরকারগুলোর হাতে থাকবে।
ষষ্ঠ দফা : ফলপ্রসূভাবে জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার কাজে সাহায্যের জন্য অঙ্গরাজ্যগুলোকে মিলিশিয়া বা আধা-সামরিক বাহিনী গঠনের ক্ষমতা দিতে হবে।
বঙ্গবন্ধু ঘোষিত ৬ দফা দাবির মুখে পাকিস্তানের তৎকালীন সামরিক শাসক আইয়ুব খান বিচলিত হয়ে পড়েন। দেশে ফিরে ৬ দফা কর্মসূচি জনগণের মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার জন্য বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দসহ সারা দেশে ৩৫ দিনে মোট ৩২টি জনসভায় বক্তৃতা করেন। ছয় দফার সপক্ষে জনমত প্রবল হয়ে ওঠায় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের উপর নেমে আসে অমানবিক নির্যাতন, গ্রেপ্তার হন বঙ্গবন্ধু। ছয় দফা প্রচারকালে তিন মাসে আটবার গ্রেপ্তার হন তিনি। ১৯৬৬ সালের ৮ মে থেকে একটানা ৩৩ মাস কারাবন্দি ছিলেন জাতির পিতা। বঙ্গবন্ধুর ১৪ বছরের কারাজীবনে এটাই ছিল দীর্ঘ কারাবাস।
বঙ্গবন্ধুকে কারাগারে নিক্ষেপ করে তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দিয়েও ছয় দফার আন্দোলনকে যখন রোধ করা যাচ্ছিল না, তখন বঙ্গবন্ধুকে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝুলিয়ে চিরতরে তাঁর কণ্ঠ স্তব্ধ করে দেওয়ার জন্য আগরতলা মামলা দায়ের করা হয়। বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে আওয়ামী লীগ ১৯৬৬ সালের ৭ জুন সারাদেশে সাধারণ ধর্মঘট আহ্বান করে। এ ধর্মঘটে ঢাকা, টঙ্গি ও নারায়ণগঞ্জে পুলিশ ও ইপিআর’র গুলিতে মনু মিয়া, শফিক ও শামসুল হকসহ ১১ জন শহীদ হন। এরপর থেকেই বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের দিকে এগিয়ে যায় পরাধীন বাঙালি জাতি। ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি সব রাজবন্দির মুক্তির পর মুক্তি লাভ করেন শেখ মুজিব। ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে লক্ষ লক্ষ মানুষের উপস্থিতিতে শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
৬ দফা দাবির পক্ষে বাঙালি জাতির সর্বাত্মক রায় ঘোষিত হয় ১৯৭০ সালের ঐতিহাসিক নির্বাচনে মধ্য দিয়ে। অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধুর দলকে জনগণ বিজয়ী করলেও স্বৈরাচারী পাকিস্তানী শাসকরা সরকার গঠন করতে না দিলে আবারো বঙ্গবন্ধু জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে স্বাধীনতার পক্ষে আন্দোলন শুরু করেন। এরই ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অভ্যুদয় ঘটে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের।
আজ ৭ জুন ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবসের লেখার মাধ্যমে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কে। ঐতিহাসিক ৬ দফার স্বপ্নদ্রষ্টা, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি জাতির মুক্তির পথপ্রদর্শক। প্রতিটি বাঙালির হৃদয়ের মণিকোঠায় তিনি চিরকাল ভাস্বর হয়ে থাকবেন।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি জাতির মুক্তির পথপ্রদর্শক হিসাবে দিয়ে গেছেন একটি দেশ পতাকা আর মানচিত্র। যাদের অবদানের কারণে আজ আমরা বাংলাদেশ পেয়েছি, সেই জাতীয় নেতাদের তথা মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েল আহমদ সহ অন্যান্য নেতাদের
জানাজা জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে অনুষ্ঠিত হতে দেওয়া হয়নি। শুধু তাই নয়, জাতীয় শহীদ মিনারেও তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগ দেওয়া হয়নি।
আজ আমাদের প্রাণের বাংলাদেশ ভালো নেই, চারদিকে শুধু হাহাকার, চলছে বিনা দোষে গ্রেফতার, দিন দুপুরে হচ্ছে হত্যা, ছিনতাই, ধর্ষণ, চাঁদাবাজি, আর মবসন্ত্রাস,
আজ কোটির উপরে মানুষ ঘরবাড়ি ছাড়া, লাখো মানুষকে বিনা বিচারে জেলের অভ্যন্তরে বন্দি করে রাখা হয়েছে। অনেকের এক মামলায় জামিন হলে ও অন্য মিথ্যা মামলা দেখিয়ে আবার জেলে রাখা হচ্ছে বছর কা বছর, বাঙ্গালী মূল্যবোধ আজ চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি এই অরাজকতা থেকে বাংলাদেশকে বাঁচাতে হলে ৬-দফার জনপ্রিয় দাবিতে জাতি যেভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়েছিলো তার আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকারের চেতনা নতুন স্বাধীন রাষ্ট্রে মূর্ত হয়। আজকের ঘোর সংকটে ৬-দফা দিবসের এই গভীর রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব সবাইকে উপলব্ধি করতে হবে। তাই সামগ্র জাতির সামনে ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই, আজকের এই দিনে আমাদের হোক দীপ্ত দৃপ্ত শপথ ;আঁধার কেটে ভোর হোক; জয় বাংলা. জয় বঙ্গবন্ধু. প্রাণের বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।
লেখক : লেখক ও সাংবাদিক।
পাঠকের মতামত:
- শুরু হচ্ছে বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠক: সীমান্তবাসীর নানা আকাঙ্খা
- সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির ডাক
- ঘটনার নেপথ্য জানতে শামীমকে জিজ্ঞাসাবাদের দাবি স্বজনদের
- মাদ্রাসা অধ্যক্ষ ও দুই সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ
- টুঙ্গিপাড়ায় বিদ্যালয়ের ফ্যান জানালা বিনামূল্যের বই ও খাতা বিক্রির অভিযোগ
- সালথায় ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রগুলোতে জনবল ও ঔষধ সংকট
- সোনাতলায় হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার বহুতল ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
- ফুলপুরে ফিসারিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু
- ঈশ্বরদী ঠাকুরবাড়িতে ৩২ প্রহরব্যাপী মহানামযজ্ঞ মহোৎসব সম্পন্ন
- জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তর ও কার্যকরের আহ্বান
- কাপ্তাইয়ে ৪ উপজেলার গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে সিসিএইচপি’র জেন্ডার বিষয়ক কর্মশালা
- লেবাননে নিহত শফিকুল-নাহিদের লাশ সাতক্ষীরার বাড়িতে
- দূষণমুক্ত পৃথিবী গড়তে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি কেন জরুরি
- সাংবাদিক রাষ্ট্রের কর্মচারী নন
- গাইবান্ধার রাধাগোবিন্দ মন্দির গুড়িয়ে দেয়ার অব্যাহত হুমকিতে ঐক্য পরিষদের উদ্বেগ
- ঐতিহাসিক ৬ দফা ছিলো বাংলাদেশের স্বাধীনতার সোপান, বাঙালির মুক্তির সনদ
- বঙ্গবন্ধুর ছয় দফা: বাঙালির জাতীয় সত্তার ভিত্তি ও বর্তমান প্রেক্ষাপট
- ভ্যাট রিটার্ন অনলাইনে এন্ট্রির সময়সীমা ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়লো
- জীবনের অর্থ নিয়ে ঐশ্বরিয়ার আবেগঘন বার্তা
- বাজেট ঘিরে কার্যকর ভূমিকা রাখতে এমপিদের প্রশিক্ষণ দিলো জামায়াত
- ‘পরিবেশ রক্ষায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন’
- শিরোপা হাতছাড়া হওয়ার পর আগের সাফ জেতা পুরস্কার পেলেন নারী ফুটবলাররা
- পুশইনের শিকার ছোট্ট রোজিনার বাড়ি ফেরার আকুতি
- গণ-অভ্যুত্থান দিবসে শহীদ পবিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেবে সরকার
- ‘হাইকোর্টে দ্রুততম সময়ে রামিসা হত্যা মামলার শুনানির ব্যবস্থা করবো’
- ঝালকাঠিতে ভবন নির্মাণ কাজের চাঁদা না পেয়ে হামলা
- গোপালগঞ্জের মানহানি মামলা থেকে তারেক রহমান খালাস
- উপজেলা ছাত্রলীগ নেতার কল রেকর্ড ভাইরাল, রয়েছে অনিয়মের অভিযোগ
- নীলফামারীতে মহিলা উন্নয়ন ক্লাবের উদ্যোগে শীতার্ত মহিলাদের মাঝে কম্বল বিতরণ
- রেকর্ড গড়ে বড় লিড নিলো বাংলাদেশ
- শ্রীমঙ্গলে জাল টাকা ও ভারতীয় রুপিসহ আটক ১
- মোশাররফের পর ব্রাত্য বসুর সিনেমায় চঞ্চল চৌধুরী
- নীলফামারীতে কোরবানির পশুর হাটে জমজমাট কেনাবেচা, চাহিদার চেয়ে দ্বিগুণ পশু প্রস্তুত
- শাহরাস্তিতে কলেজ অধ্যক্ষের যোগদানকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ আহত ১০
- শৈলকুপার কানাই-বলাই গ্রুপের লিডার গ্রেফতার, এলাকাবাসীর মিষ্টি বিতরণ
- শ্রীমঙ্গল পৌর যুবদলের পক্ষ থেকে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি ও আলোচনা সভা
- কুমিল্লায় ট্রেনে কাটা পড়ে তিন যুবকের মৃত্যু
- সেই এমবি অভিযান-১০ লঞ্চটির ঝালকাঠি ত্যাগ
- জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তর ও কার্যকরের আহ্বান
- নবীনগর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান
- ‘ভালো মেয়েদের জন্য রঙিন জীবন না’
- ঝালকাঠিতে বিচার বিভাগীয় কর্মচারী এসোসিয়েশনের কর্মবিরতি পালন
- স্টার সিনেপ্লেক্সে ‘হুমায়ুন আহমেদ সপ্তাহ’
- ১৯ ডিসেম্বর কাশিয়ানী মুক্ত দিবস
- ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’র শুরুটা আশা জাগানিয়া
০৭ জুন ২০২৬
- দূষণমুক্ত পৃথিবী গড়তে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি কেন জরুরি
- ঐতিহাসিক ৬ দফা ছিলো বাংলাদেশের স্বাধীনতার সোপান, বাঙালির মুক্তির সনদ
-1.gif)







