আমার জীবনের আলোকবর্তিকারা
সুমন দত্ত
মা থেকে শুরু, শিক্ষকদের হাত ধরে—একজন ছাত্রের বেড়ে ওঠার গল্প। আমার নাম সুমন দও। জীবনের পথে হাঁটতে গিয়ে আজ যতটুকু বুঝতে শিখেছি, তার পেছনে যদি কাউকে সবচেয়ে বেশি খুঁজে পাই, তিনি হলেন আমার মা—কবিতা দও। পৃথিবীর কাছে তিনি হয়তো একজন সাধারণ মা, কিন্তু আমার কাছে তিনি হলেন জীবনের প্রথম শিক্ষক, প্রথম পথপ্রদর্শক এবং সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা। আমার প্রথম হাতেখড়ি মায়ের কাছেই। এরপর আমার স্কুলজীবন শুরু হয় কানাইপুর কিশালয় বিদ্যানিকেতন-এ। স্কুলটি আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষক ও বিশিষ্ট সাংবাদিক প্রবীর সিকদার স্যারের হাতে গড়ে ওঠা। তখনকার দিনে স্কুলটিতে পড়াশোনার পাশাপাশি শিশুদের খেলাধুলার পরিবেশও ছিল চমৎকার।
প্রবীর স্যারের একটি বিষয় আজও আমার মনে গভীরভাবে গেঁথে আছে। তিনি স্কুটি চালিয়ে রাতে আমাদের বাড়ি বাড়ি যেতেন। বাচ্চারা পড়াশোনা করছে কি না, তা খোঁজ নিতেন। কখনো সঙ্গে থাকত ছোট্ট একটি চকলেট। আজ বুঝি, সেই চকলেট শুধু চকলেট ছিল না—সেটি ছিল একজন শিক্ষকের ভালোবাসা দিয়ে ছাত্রকে পড়ার টেবিলে ফিরিয়ে আনার এক অসাধারণ কৌশল।
কিন্তু ছোটবেলায় পড়াশোনার গুরুত্ব আমি তখনও বুঝতাম না। খেলাধুলাই ছিল আমার কাছে সবচেয়ে আনন্দের বিষয়। ফলে মা সিদ্ধান্ত নিলেন, আমাকে মামাবাড়ি মাগুরার নান্দুয়ালী ৭ নম্বর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি করাবেন। সেখান থেকেই যেন আমার জীবনের গল্পটি নতুন মোড় নিল।
আমার বেবি মাসি আমাকে পড়াশোনার মধ্যে আনন্দ খুঁজে পেতে শেখালেন। হঠাৎ করেই বই-খাতা আমার কাছে আর ভয়ের বিষয় রইল না; বরং নতুন কিছু জানার দরজা হয়ে উঠল। মাও এই স্কুলে পড়েছিলেন। ফলে স্কুলটির সঙ্গে আমাদের পরিবারের এক গভীর আবেগের সম্পর্ক ছিল।
সেই স্কুলের শিক্ষকরা আমাকে খুব ভালোবাসতেন। কনিকা ম্যাম, আঙ্গুরবালা ম্যাম, লৎফা ম্যাম, হায়দার স্যার, নিতাই সিকদার স্যার—আজও তাঁদের কথা মনে পড়লে শৈশবের সেই দিনগুলো চোখের সামনে ভেসে ওঠে।
সেখানে আমার বন্ধু হয়েছিল তরুণ দাস, সুকান্ত বিশ্বাস, সুজয় বিশ্বাস, কমল বিশ্বাস, শিমুল, রানা সিকদার, রনি সিকদার, সুমন সিকদারসহ আরও অনেকে। বন্ধুত্ব, শিক্ষক-শিক্ষিকার স্নেহ আর পড়াশোনার আনন্দ—সব মিলিয়ে আমার ছাত্রজীবন যেন নতুন প্রাণ পেল। সেই স্কুল থেকে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে প্রাথমিক শিক্ষাজীবন শেষ করি।
কানাইপুর স্কুলে ফিরে আসা
২০০০ সালে জন্মস্থান কানাইপুরে ফিরে এসে কানাইপুর স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হলাম। ভর্তি পরীক্ষায় আমার রোল হলো ১০। আমার মা খুব একটা খুশি হতে পারেননি। হয়তো তাঁর মনে হয়েছিল, ছেলে আরও ভালো করতে পারত।
আমাদের গ্রামের আরও কয়েকজন—দেবাশীষ, সজল, মানব, পার্থ, শুভ্র, সুশীল—একসঙ্গে স্কুলে ভর্তি হয়েছিল। সজলের রোল ১, দেবাশীষের ২, শুভ্রর ৩, পার্থর ৪। আর আমার রোল ১০।
কিন্তু জীবনে কখনো কখনো একটি সংখ্যা মানুষকে থামিয়ে দেয় না, বরং তাকে এগিয়ে যাওয়ার কারণ দেয়।
আমি, দেবাশীষ ও সুমন দাস গ্রামের সুবল স্যারের কাছে প্রাইভেট পড়তে শুরু করলাম। সকাল ৬টায় স্যার আমাদের পড়াতেন। ইংরেজি ও অংকের মৌলিক বিষয়গুলো তাঁর কাছ থেকেই শেখা শুরু।
খুব বেশি দিন স্যারের কাছে পড়তে পারিনি—মাত্র চার মাস। কিন্তু সেই চার মাসের শিক্ষা পরবর্তীকালে আমার জীবনে, এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার সময়ও, অসাধারণ কাজে লেগেছিল।
আমি মনে মনে সুবল স্যারকে ডাকতাম “সক্রেটিস” বলে।
কারণ স্যারকে যেখানে দেখা যেত, সেখানেই যেন কিছু না কিছু শেখার সুযোগ তৈরি হতো। তাঁর কাছে শিক্ষা শুধু বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ ছিল না। জীবনের পথে চলতে চলতেও তিনি শেখাতেন।
সুবল স্যার, আপনার প্রতি আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।
ষষ্ঠ শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার পর আমার রোল হলো ৪। সপ্তম শ্রেণিতে উঠে প্রথম তিন মাস নিজে নিজে পড়ার চেষ্টা করলাম। অন্যান্য বিষয়ে মোটামুটি ভালো করলেও অংকে গিয়ে অবস্থা খারাপ। কোনোমতে ৩৩ নম্বর পেয়ে পাশ করলাম। আমি হতাশ হয়ে গেলাম। মা-ও খুব কষ্ট পেলেন।
আমার বন্ধু দেবাশীষ বিষয়টি দেখে আমাকে তাদের বাসায় নিয়ে গেল। সেখানে শচীন স্যার পড়াতেন।
সেখান থেকেই আবার আমার পড়াশোনার গতি বাড়তে শুরু করল।
স্যারের কাছে নিয়মিত পড়তাম, শুক্রবার পরীক্ষা দিতে হতো। তখন বছরে তিনটি টার্ম পরীক্ষা হতো। প্রথম পরীক্ষায় অংকে সেই আমি, যে ৩৩ পেয়েছিলাম, শচীন স্যারের কাছে পরীক্ষায় ৯৪ নম্বর পেলাম।
সেদিন হয়তো শুধু আমার নম্বর বাড়েনি—আমার নিজের ওপর বিশ্বাসও বেড়ে গিয়েছিল।
শচীন স্যার আমাকে শুধু অংক শেখাননি। তিনি আমাকে বুঝিয়েছেন, একজন ছাত্র দুর্বল হতে পারে, কিন্তু তাকে দুর্বল ভেবে ছেড়ে দেওয়া যায় না। সেই বছর স্কুলের পরীক্ষায় ভালো ফল করে বার্ষিক পরীক্ষায় আমার রোল হলো ৩।
শাসনের ভেতরেও যে ভালোবাসা ছিল
অষ্টম শ্রেণিতে বৃত্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে হলো। আমাদের ক্লাস টিচার ছিলেন শাজাহান স্যার। স্যার আমাদের কঠোরভাবে শাসন করতেন।
আজ এত বছর পর পেছনে ফিরে তাকালে মনে হয়—আমরা সত্যিই সৌভাগ্যবান ছিলাম।
কারণ তখনকার শিক্ষকদের শাসনের ভেতরেও ছিল দায়িত্ববোধ, ভালোবাসা এবং আমাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর চিন্তা। আজকের দিনে দাঁড়িয়ে বুঝি, সেই শাসন ছিল আমাদের মানুষ করে তোলারই একটি অংশ।
শচীন স্যারের কাছে অংক, আজিজ স্যারের কাছে ইংরেজি এবং চঞ্চল দও স্যারের কাছে বিজ্ঞান শেখা শুরু হলো। আজিজ স্যার শুধু পড়াতেন না, আমাদের নিয়মিত গাইড করতেন। বাসায় আমরা কতটুকু পড়াশোনা করছি, সে ব্যাপারেও তাঁর নজর ছিল।
আর চঞ্চল দও স্যার বিজ্ঞানকে আমাদের কাছে এত সহজ করে তুলেছিলেন যে কঠিন বিষয়ও সহজ মনে হতো। সবচেয়ে বড় কথা, স্যারের কাছে কখনো সম্মানীর বিষয়টি বড় হয়ে ওঠেনি। তিনি যেন শিক্ষকতার দায়িত্বটাকেই সবচেয়ে বড় সম্মান মনে করতেন।
আজ সেসব দিনের কথা মনে হলে হৃদয়ের গভীর থেকে শ্রদ্ধা জাগে। নবম শ্রেণি—স্বপ্নের আরও কাছে
সজল তখন নবম শ্রেণিতে জেলা স্কুলে ভর্তি হয়ে গেল। আমরা কানাইপুর স্কুলেই রয়ে গেলাম। আমি বিজ্ঞান বিভাগ নিলাম।
আমার চারপাশে তখন একদল নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক— শচীন স্যার—অংকের জন্য। আজিজ স্যার—ইংরেজির জন্য। চঞ্চল দও স্যার—বিজ্ঞানের জন্য।
নবম শ্রেণিতে আমাদের ক্লাস টিচার ছিলেন লুৎফর রহমান স্যার। স্যার আমাকে খুব পছন্দ করতেন। অসম্ভব অমায়িক একজন মানুষ ছিলেন তিনি। আমাদের শেখানোর প্রতি তাঁর আন্তরিকতা ছিল চোখে পড়ার মতো। তাঁর অংকের ক্লাস আমার খুব ভালো লাগত।
গাঙ্গুলি স্যার জীববিজ্ঞান ও রসায়ন পড়াতেন। ছাত্রদের তিনি ভালোবাসতেন। ননী গোপাল স্যার পড়াতেন উচ্চতর গণিত। আর রুহুল আমিন স্যার ছিলেন আমাদের স্কুলের অত্যন্ত জনপ্রিয় একজন শিক্ষক। রুহুল আমিন স্যারের ক্লাস আমাদের ছিল না, কিন্তু তাঁর সঙ্গে আমাদের পারিবারিক সম্পর্ক ছিল অত্যন্ত ভালো। তিনি আমাকে খুব স্নেহ করতেন, ভালোবাসতেন।
কিছু শিক্ষক বইয়ের শিক্ষক হন, আর কিছু শিক্ষক হয়ে ওঠেন জীবনের শিক্ষক। আমার জীবনে রুহুল আমিন স্যার ছিলেন তেমনই একজন।
প্রথম হওয়া এবং শিক্ষকদের গর্ব
দশম শ্রেণিতে আমি প্রথম হয়ে উত্তীর্ণ হলাম। তখন আমাদের প্রধান শিক্ষক ছিলেন আব্দুর রব স্যার। তিনি ছিলেন অত্যন্ত মৃদুভাষী মানুষ। ছাত্রদের ওপর রাগ করতেন না। আমাদের ইংরেজি শেখাতেন।
টেস্ট পরীক্ষায় আবার আমি দ্বিতীয় হলাম। টেস্ট পরীক্ষার পর মা আমাকে সুশীল স্যারের কাছে পড়ালেন। স্যার নিয়মিত পরীক্ষা নিতেন। আমার ছোট ছোট ভুলগুলো ধরিয়ে দিতেন। একজন ছাত্রের বড় ভুল সবাই দেখতে পায়, কিন্তু একজন প্রকৃত শিক্ষক তাঁর ছোট ভুলটিও দেখতে পান—কারণ তিনি জানেন, ছোট ভুলই একদিন বড় সমস্যার কারণ হতে পারে।
আজ ফিরে তাকালে… এরপর এলো ২০০৫ সাল—আমার জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বছর। এসএসসি পরীক্ষা। আমাদের পরীক্ষা হয়েছিল ফরিদপুর ময়েজউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ে। পরীক্ষার সময় দেবাশীষের সিট কেটে অন্য রুমে চলে গিয়েছিল। আমরা এক রুমে, আর সে অন্য রুমে। সেই পরীক্ষায় কানাইপুর স্কুল থেকে আমরা দুজন জিপিএ-৫ (A+) পেয়েছিলাম।
সেদিন আমার সাফল্যের পেছনে আমার নিজের যতটুকু চেষ্টা ছিল, তার চেয়ে অনেক বেশি ছিল আমার মায়ের স্বপ্ন এবং আমার শিক্ষকদের অক্লান্ত শ্রম। আজ জীবনের এই জায়গায় দাঁড়িয়ে যখন পেছনে ফিরে তাকাই, তখন মনে হয়—আমার শিক্ষাজীবন আসলে কোনো একক মানুষের তৈরি নয়।
আমার জীবনের প্রতিটি ধাপে একজন করে মানুষ হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।
মা কবিতা দও আমাকে প্রথম শিক্ষা দিয়েছেন। প্রবীর সিকদার স্যার শিক্ষার পরিবেশ ও স্বপ্ন দেখিয়েছেন। বেবি মাসি পড়াশোনার আনন্দ বুঝিয়েছেন। কনিকা ম্যাম, আঙ্গুরবালা ম্যাম, লৎফা ম্যাম, হায়দার স্যার, নিতাই সিকদার স্যার শৈশবের ভিত গড়ে দিয়েছেন। সুবল স্যার মৌলিক শিক্ষা ও শেখার অভ্যাস তৈরি করেছেন। শচীন স্যার আমাকে অংকের ভয় জয় করতে শিখিয়েছেন। শাজাহান স্যার শাসনের মধ্য দিয়ে দায়িত্ববোধ শিখিয়েছেন। আজিজ স্যার নিয়মিত পরিশ্রম ও শৃঙ্খলা শিখিয়েছেন। চঞ্চল দও স্যার কঠিন বিজ্ঞানকে সহজ করে দিয়েছেন। লুৎফর রহমান স্যার ভালোবাসা দিয়ে শেখার পরিবেশ তৈরি করেছেন। গাঙ্গুলি স্যার ও ননী গোপাল স্যার জ্ঞানের আরও গভীরে যাওয়ার পথ দেখিয়েছেন। রুহুল আমিন স্যার শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্ক যে শ্রেণিকক্ষের বাইরেও হতে পারে, তা অনুভব করিয়েছেন। আব্দুর রব স্যার মৃদুভাষী নেতৃত্বের উদাহরণ দিয়েছেন।
আর সুশীল স্যার ছোট ছোট ভুল সংশোধন করে আমাকে আরও পরিণত হওয়ার সুযোগ দিয়েছেন।
শিক্ষকদের কাছে আমার ঋণ। জীবনে কিছু ঋণ কখনো শোধ করা যায় না। মায়ের ঋণ যেমন শোধ করা যায় না, তেমনি শিক্ষকের ঋণও শোধ করা যায় না।
একজন শিক্ষক হয়তো একটি ক্লাস নেন এক ঘণ্টা। কিন্তু সেই এক ঘণ্টার একটি কথা একজন ছাত্রের পুরো জীবন বদলে দিতে পারে। আমার জীবনে এমন অনেক কথা, অনেক শাসন, অনেক উৎসাহ, অনেক পরীক্ষার খাতা, অনেক ভুল ধরিয়ে দেওয়া—আজও আমার সঙ্গে আছে। আমার শিক্ষকরা হয়তো তখন বুঝতে পারেননি, তাঁদের বলা ছোট্ট একটি কথা আমার জীবনের কত বড় সম্পদ হয়ে থাকবে।
আজ আমি তাঁদের বলতে চাই— স্যার, ম্যাম, আপনারা আমাদের শুধু বই পড়াননি; আপনারা আমাদের মানুষ হতে শিখিয়েছেন। আপনাদের শাসনে আমরা কেঁদেছি, আপনাদের প্রশংসায় আনন্দ পেয়েছি, পরীক্ষার নম্বরে হতাশ হয়েছি, আবার আপনাদের উৎসাহে ঘুরে দাঁড়িয়েছি। আজ বুঝি, ৩৩ থেকে ৯৪ শুধু একটি নম্বরের গল্প নয়; এটি একজন শিক্ষকের বিশ্বাসের গল্প। আজ বুঝি, রোল ১০ থেকে রোল ১ হওয়া শুধু একজন ছাত্রের সাফল্য নয়; এর পেছনে থাকে একজন মায়ের অশ্রু, শিক্ষকের পরিশ্রম আর অসংখ্য নির্ঘুম রাত। তাই আমার জীবনে যতটুকু অর্জন, যতটুকু আত্মবিশ্বাস, যতটুকু পথচলা—তার প্রতিটি সাফল্যের পাতায় আমার শিক্ষকদের নাম লেখা আছে। আমার শ্রদ্ধেয় সকল শিক্ষককে বিনম্র প্রণাম।
আপনাদের কেউ হয়তো আজ আমার পাশে নেই, কেউ হয়তো বয়সের ভারে অবসর নিয়েছেন, কেউ হয়তো দূরে আছেন। কিন্তু আমার স্মৃতিতে আপনারা আজও সেই আগের মতোই আছেন—হাতে চক, সামনে ব্ল্যাকবোর্ড, আর চোখে ছাত্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে স্বপ্ন। আমি জানি, আপনাদের দেওয়া শিক্ষা হয়তো কোনোদিন পুরোপুরি ফিরিয়ে দিতে পারব না। তবু জীবনের প্রতিটি ভালো কাজের মাধ্যমে যদি আপনাদের মুখে একটুখানি হাসি ফুটাতে পারি, সেটাই হবে আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। আমি সুমন দও—আজ যা কিছু শিখেছি, তার শুরু প্রথম শিক্ষক আমার মায়ের হাত ধরে; আর সেই পথকে আলোকিত করেছেন আমার পড়াশোনার জীবনের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের শ্রদ্ধেয় শিক্ষকগণ।
প্রিয় পাঠক, একজন শিক্ষক শুধু মানুষ গড়েন না, তিনি একটি প্রজন্মের ভবিষ্যৎ গড়ে দেন। আপনাদের সবার প্রতি আমার অন্তরের অন্তস্তল থেকে শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা।
লেখক: সাবেক ঢাবি ছাত্র ও ব্যবসায়ী।
পাঠকের মতামত:
- কনটার্টে ‘শেখ হাসিনা’ শ্লোগান, আয়োজক গ্রেফতার
- শিশুদের জন্য আর্থিক শিক্ষায় দেশের প্রথম পাপেট শো চালু করল প্রাইম ব্যাংক
- গোবিপ্রবিতে ‘ভাইস চ্যান্সেলর’স বেস্ট রিসার্চার অ্যাওয়ার্ড চালু
- সুন্দরবনের অভয়ারণ্যে মাছ ধরার অপরাধে ৭ জেলে আটক, নৌকা-জাল জব্দ
- স্মার্টফোনে ফাস্ট চার্জিং ও রিভার্স চার্জিংয়ের সুবিধা
- আমার জীবনের আলোকবর্তিকারা
- গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজে আন্তঃবিভাগ ফুটবল প্রতিযোগিতা উদ্বোধন
- সোনাতলায় ৩০০ টাকা চুরির অভিযোগে যুবককে পিটিয়ে হত্যা, ৮ দিনেও গ্রেপ্তার নেই
- নড়াইলে আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব বিরোধের জের ধরে কৃষককে কুপিয়ে হত্যা, নারীসহ আহত ৭
- ঈশ্বরগঞ্জে সাক্ষরতা দিবসে র্যালি আলোচনা সভা
- বাংলাদেশ ব্যাংকের রপ্তানি বহুমুখীকরণ উদ্যোগে যুক্ত হলো ব্র্যাক ব্যাংক
- গোবিপ্রবি উপাচার্যের প্রশাসনিক ও একাডেমিক ভবন পরিদর্শন
- ৫৬ বোতল কোরেক্স মাদকসহ সাতক্ষীরায় দুই পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার
- পাবনায় ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার
- মহান মুক্তিযুদ্ধে আমার যুদ্ধ
- অন্য একটি দেশের আবদার রক্ষা করা এত জরুরি কেন?
- ইতালিতে হামলা, শারীরিকভাবে লাঞ্ছনার শিকার অভিনেত্রী বাঁধন
- ‘ট্রাইব্যুনালের সঙ্গে গুম প্রতিরোধ বিল সাংঘর্ষিক নয়’
- ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুরু হচ্ছে ৩ মাসব্যাপী বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান
- সালথায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ২০
- শুরু হচ্ছে চ্যাম্পিয়নস লিগ, কে জিতবে শিরোপা
- নির্দিষ্ট কাউন্টের সুতায় সুবিধা প্রত্যাহার, শর্তপূরণ সাপেক্ষে আমদানি
- ‘এই দেশে শিল্পী হওয়াটাও পাপ’
- ‘ধর্মীয় সম্প্রীতি নষ্টের অপচেষ্টা, তবু অটুট থাকবে সৌহার্দ্য’
- ‘আগামী বছর সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড ডে মিল’
- কুমিল্লায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪
- বাংলার ঘরে ঘরে পালিত হল ভাই ফোঁটা
- অন্য একটি দেশের আবদার রক্ষা করা এত জরুরি কেন?
- ফকির আপ্তাব উদ্দিন খাঁর ৯১তম ওরশে ভক্তদের ঢল
- চট্টগ্রামে ৩ দিনব্যাপী উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত সম্মেলন উদ্বোধন করবেন সুরস্রষ্টা শেখ সাদী খান
- জলে ডোবা স্বপ্ন
- কেন্দুয়ায় অর্ধ শতাব্দি পর উন্মোচিত হলো বাউল কবি দীন শরৎ স্মৃতি ফলক ও জালাল মঞ্চ
- পঞ্চগড়ে ‘আমরাই প্রকৃতির স্বজন’ সংগঠনের শীতবস্ত্র বিতরণ
- লাখো মুসল্লীর আমিন আমিন ধ্বনিতে শেষ হলো কুড়িগ্রামের ইজতেমা
- পারাবত ট্রেনে ভয়াবহ আগুন, ঢাকা-সিলেট ট্রেন চলাচল বন্ধ
- নড়াইলের আলোচিত সেই কৃষি কর্মকর্তার পদাবনতি
- পঞ্চগড় সদরে শেষ হলো বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্নামেন্ট
- লাইজু তুই এমপি হয়েছিস!
- ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’র শুরুটা আশা জাগানিয়া
- নেত্রকোনা- ৩ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী রফিকুল ইসলাম হিলালীর সমর্থনে গণমিছিল
- সাংবাদিক বুলুর মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে অধিকতর তদন্তের দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন
- বাংলা একাডেমির নতুন মহাপরিচালক হারুন-উর-রাশীদ আসকারী
- পাবনায় ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার
- মহান মুক্তিযুদ্ধে আমার যুদ্ধ
- ৩৯টি শহীদ পরিবারের মেলেনি ‘রাষ্ট্রীয়’ স্বীকৃতি, নির্মিত হয়নি স্মৃতিসৌধ
-1.gif)








