সাতক্ষীরা সদরের অদম্য নারী পুরষ্কারের জন্য নির্বাচিত পাঁচজনের আত্মকথা
রঘুনাথ খাঁ,সাতক্ষীরা : পারিবারিক ও সামাজিক নানা প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে জীবন সংগ্রামে সাফল্য অর্জন করেছেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ৫ নারী। নানা বাঁধা বিপত্তিকে পায়ে মাড়িয়ে তৃণমূল থেকে উঠে আসা এসব নারীদের খুঁজে বের করে অদম্য নারী পুরষ্কার: ২০২৫ সালের জন্য ৫টি ক্যাটাগরীতে নির্বাচিত করেছে উপজেলা প্রশাসন। এই ৫ নারীর প্রত্যেকের জীবনে রয়েছে অসীম আত্মশক্তি ও সংগ্রামের আলাদা আলাদা জীবন কাহিনী। তাদের সেই সংগ্রামী জীবনের কিছু তথ্য তুলে ধরা হলো:
অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী রায়হাতুল জান্নাত রিমি: জীবন সংগ্রামে দারিদ্রতাকে পিছনে ফেলে সাফল্য অর্জন করেছেন রায়হাতুল জান্নাত রিমি। তিনি সাতক্ষীরা সদরের কাটিয়া লস্কর পাড়া এলাকার মোঃ মিজানুর রহমান ও মোছাঃ শাহানারা বেগমের কন্যা। বাবা-মায়ের একমাত্র মেয়ে হওয়ায় অত্যন্ত আদর-যত্নে বড়ো হয়েছিলেন তিনি। হঠাৎ অষ্টম শ্রেণিতে পড়ার সময় মাত্র ১৩ বছর বয়সে তিনি বাল্যবিবাহের শিকার হন। এরপর শুরু হলো তার জীবনের করুণ অধ্যায়। নিজেকে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার পরিচয় দিয়ে এক ব্যক্তি তার বাবা-মায়ের কাছে রিমিকে বিয়ে করার প্রস্তাব দেন। পূর্বে দুই বিয়ে করা ঐ যুবক রিমিকে বিদেশ নিয়ে যাওয়াসহ বিভিন্ন প্রলোভন দেখান। এদিকে হজ্জ্বে পাঠানোর নাম করে একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে মোট অংকের টাকা হাতিয়ে নেয় সে। অথচ তাদেরকে হজ্জ্ব পালনে না নিয়ে সটকে পড়ে সে। সেই ঋণের বোঝা রিমির বাবাকে পরিশোধ করতে হয়। এরই মধ্যে রিমির একটি কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। এ সময় হসপিটালে থাকা অবস্থায় তার প্রচন্ড খিচুনিসহ ব্রেইন স্ট্রোক হয়। যার ফলে রিমির শরীরের বাম পাশ অবশ হয়ে যায়। এক পর্যায়ে স্বামীর সাথে তার ডিভোর্স হয়ে যায়। এদিকে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় সাতক্ষীরা জেলার মধ্যে কেন্দ্রে ফার্স্ট হয় রিমি। পরীক্ষার পর হস্তশিল্প ও বিউটি পার্লারের কাজ শেখার পাশাপাশি পড়াশোনা চালিয়ে যায় সে। পারিবারিকভাবে আবারো বিয়ে হলো তার। কিছুদিন পর একটি পুত্র সন্তানের জন্ম হয় তাদের ঘরে। এদিকে তার দ্বিতীয় স্বামী জড়িয়ে পড়ে নারীঘটিত ঝামেলায়। এক পর্যায়ে দ্বিতীয় স্বামীর সাথেও তার ডিভোর্স হয়ে যায়।
এদিকে ডিপ্লোমার পাশাপাশি মাষ্টার্সও কমপ্লিট করার একটা প্রাইভেট ক্লিনিকে চাকরি শুরু করে রিমি। পরে উক্ত চাকরি ছেড়ে বিউটি পার্লার ও বিভিন্ন হাতের কাজের ট্রেনিং নিতে সে ভারতে চলে যায়। ফিরে এসে সে সাতক্ষীরা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর থেকে তিন মাস বিউটিফিকেশন এর প্রশিক্ষণ নেয়। সাতক্ষীরা শহরের নারিকেলতলা মোড়ে একটি পার্লার ও বুটিক্স খোলেন। বর্তমানে তিনি অনলাইনের মাধ্যমে বুটিক্সের পোশাক, কসমেটিকস ও জুয়েলারি সেল করে লাখ টাকা আয় করছেন। বিজয় মেলায় সেরা স্টল বিজয়ী হিসেবে জেলা প্রশাসকের কাছ থেকে ক্রেস্ট এবং ব্র্যাকের পক্ষ থেকে সেরা উদ্যোক্তা হিসেবে সম্মাননা পুরস্কার পান। বর্তমানে দেশি হাঁস মুরগি ও ফাওমি মুরগিসহ তার ৫ টি মুরগির ঘর রয়েছে সেখান থেকে ডিম ও মাংসের চাহিদা পূরণ করে বাইরে বিক্রি করে আয় করছেন। পার্লারের পাশে রাস্তার ধারে পাঁচ জন নারী উদ্যোক্তা সাথে নিয়ে স্ট্রিট ফুডের স্টল করেছেন। বর্তমানে তিনি পৌরসভা নারী সুরক্ষা ফোরামের সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এক সময়ে দুঃখ-কষ্টে থাকা রায়হাতুল জান্নাত রিমি বর্তমানে ছেলে-মেয়ে নিয়ে সুখে শান্তিতে জীবন যাপন করছেন।
শিক্ষা ও চাকুরীক্ষেত্রে সফল নারী গুলশান আরা বেগম: শিক্ষা ও চাকুরীক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী গুলশান আরা বেগম। তিনি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বাগানবাড়ি গ্রামের শেখ মিজানুর রহমানের কন্যা। আলোকবর্তিকা হয়ে তিনি ঘরে ঘরে শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছেন। দাদা-দাদী, চাচা, বাবা-মা ও সাত ভাইবোন নিয়ে একান্নবর্তী পরিবার তার। ছোট বেলা থেকেই মেধাবী ছিলেন গুলশান আরা। প্রাথমিকে বৃত্তি নিয়ে মাধ্যমিকে ভর্তি হন। তিনি এসএসসি ও এইচএসসিতে স্টাইপেন্ডসহ প্রথম বিভাগে পাশ করেন। বাবার স্বল্প আয়ে তখন বড় পরিবারের ব্যয় নির্বাহ করা কষ্ট সাধ্য হয়ে দাঁড়ায়। এক পর্যায়ে বাবা তার বিয়ে দিয়ে দেন। শ্বশুর বাড়িতে রান্না-বান্না ও অন্য সকল কাজের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে তিনি স্নাতক ভর্তি হন। শ্বশুরবাড়ির প্রতিকূল পরিবেশ তার লেখাপড়ার পথে বারবার অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। এর মধ্যদিয়ে তিনি স্নাতক ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানে মাস্টাস (এম.এস.এস) ডিগ্রী অর্জন করেন। ২০০০ সালে তিনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসাবে যোগদান করেন। অতঃপর সি.ইন.এড ও বি.এড ডিগ্রী অর্জন করেন। করোনোকালে তিনি জেলা প্রশাসক পরিচালিত অনলাইন স্কুল পরিচালনা, ঘরে বসে শিখি অনলাইন পাঠদান এবং গুগল মিট ব্যবহার করে পাঠদানের মাধ্যমে শিক্ষা ব্যবসা সচল রাখায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন এবং বিশেষ স্বীকৃতি অর্জন করেন। শিখন শিখানো কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি তিনি শিশুর সৃজনশীলতার বিকাশে আবৃত্তি, অভিনয়, চিত্রাঙ্গন, বিতর্ক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রভৃতি চর্চা করানোর কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। তিনি নিয়মিত ডিজিটাল কন্টেন্ট তৈরি করেন এবং মাল্টিমিডিয়া ও প্রজেক্টরের মাধ্যমে শ্রেণি পাঠ পরিচালনা করেন। তিনি শুধু লেখাপড়াই করান না, পুরো সমাজকে জাগিয়ে তোলার জন্য তিনি শিক্ষা, মানবিকতা ও নেতৃত্বের মাধ্যমে পরিবর্তনের সোপান তৈরি করেন। কন্যা শিশু ও অসহায় নারীদের এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য গ্রহণ করেন নানামুখি উদ্যোগ।
সাতিহ্যের প্রতি অনুরাগ এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে রচনা করেছেন- অনাগত সন্ধ্যার পদধ্বনি ও শিলাখণ্ড সাজায় নতুন স্বপ্ন নামে দুটি কাব্য গ্রন্থ প্রাথমিক শিক্ষায় তার গবেষণা মূলক গ্রন্থ আমার প্রাথমিক শিক্ষা ভাবনা। পত্র-পত্রিকায় নিয়মিত প্রকাশিত হয় তার লেখা-প্রবন্ধ, ছোট গল্প ও কবিতা। তিনি ২০২৩ সালে সাতক্ষীরা জেলার শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষিকা নির্বাচিত হন এবং ২০২৪ সালে খুলনা বিভাগের শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক নির্বাচিত হন। নিজের জীবনের প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে নারী শিক্ষা তথা নারীর জীবনের মান পরিবর্তনে তিনি অনন্য ভূমিকা রেখে চলেছেন।
সফল জননী লুৎফুন নেছা বেগম: সফল জননী সেই মা, যিনি নিজের সন্তানদের জীবনের প্রতিটি ধাপে সফল করে গড়ে তুলেছেন এবং তাঁদের সাফল্যে গর্বিত। এমনই একজন প্রেরণাদায়ী নারী লুৎফুন নেছা বেগম লুৎফা। যিনি প্রতিকূলতার মাঝেও দৃঢ় মনোবল নিয়ে আজ সমাজে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। মাত্র দুই বছর বয়সে মায়ের স্নেহের ছায়া হারিয়ে এক কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হন লুৎফা। পিতা দ্বিতীয় বিবাহ করার পর সৎ মাযের অমানুষিক নির্যাতন সহ্য করে তিনি বড় হন। শৈশব থেকেই ছিলেন অদম্য মেধাবী, কিন্তু সপ্তম শ্রেণিতে পড়ার সময়ই তার বাল্যবিবাহ হয়। নতুন জীবনে পা রাখতেই শুরু হয় আরেক দফা সংগ্রাম 'শ্বশুরবাড়ির নানা কষ্ট ও নির্যাতন।
স্বামীর ছিল সাত ভাইবোন; একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন তার স্বামী। সংসার চালানো ও দেবর-ননদের শিক্ষার দায়িত্ব এসে পড়ে লুৎফার কাঁধে। কটূ কথা, অপমান, শারীরিক নির্যাতন ' সব সহ্য করেও তিনি হার মানেননি। প্রথম সন্তান জন্মের পরেও নির্যাতনের হাত থেকে রেহাই পাননি তিনি। একসময় মনে হয়েছে সব ছেড়ে পালিয়ে যান, কিন্তু সৎ মাযের মুখ ভেসে উঠতেই তিনি নিজেকে শক্ত করেন। নিজের কাছে অঙ্গীকার করেন ' “আমার সন্তানরা মানুষ হবে, তবেই আমার জীবনের দুঃখ ঘুচবে। ক্রমে দেবর-ননদদের আলাদা সংসার হওয়ার পর লুৎফা আরও মনোনিবেশ করেন সন্তানদের মানুষ করার কাজে । স্বল্প আয়ের সংসারে সন্তানদের লেখাপড়ার খরচ যোগাতে তিনি গরু, হাঁস-মুরগি, কবুতর পালন, সেলাই কাজসহ নানা পরিশ্রমমূলক কাজে নিজেকে যুক্ত করেন। সন্তানদের পড়ার টেবিলে বসিয়ে নিজেও পাশে বসতেন অনুপ্রেরণা হয়ে। তার অক্লান্ত পরিশ্রম, দৃঢ় মনোবল ও মমতাময়ী নেতৃত্বে আজ তার সব সন্তান উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত ও সমাজে প্রতিষ্ঠিত। অগণিত প্রতিকূলতা, সীমাবদ্ধতা ও কষ্টের মাঝেও লুৎফুন নেছা আজ একজন সফল জননী হিসেবে সমাজে অনন্য উদাহরণ।
নির্যাতিতা থেকে উদ্যোমী, কর্মঠ ও স্বাবলম্বী নারী খুকুমনি : দুই সন্তানের জননী খুকুমনি। তার পিতা একজন কায়িক শ্রমিক। বিয়ের পর হতে সাংসারিক অনটনের কারণে বাবার মাধ্যমে স্থানীয় একজন দালালের সাথে পরিচয় হয়। উক্ত দালাল দেশের বিভিন্ন স্থান হতে অসহায় ও সহজ-সরল নারীদেরকে মোটা অংকের বেতনে সৌদি আরবে চাকুরীর প্রলোভন দেখায়। পরে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে তাকে সৌদি আরবে পাঠানো হয়। পরে খুকুমনিকে এক সৌদি মহিলার কাছে গৃহকর্মীর কাজের জন্য ৩ মাসের চুক্তিতে বিক্রি করা হয়। ওই মহিলা বাসায় নেয়ার পর খুকুমনির মোবাইল ফোন এবং পাসপোর্ট কেড়ে নেয়। কাজে কোন ত্রুটি হলে তার হাতে গরম পানি ঢেলে দিতো। আর সে যাতে পালিয়ে যেতে না পারে সেজন্য কাজে যাওয়ার আগে ঐ সৌদী মহিলা প্রতিদিন খুকুমনির পায়ের দুই হাটুতে ইনজেকশন দিয়ে দিত। ফলে প্রায় ৮ ঘণ্টা তার ২ পা অবশ থাকতো। তাকে ছাদের বাথরুমে অবরুদ্ধ রেখে সৌদি মহিলা অন্যত্র চলে যেতো। এভাবে বাথরুমের পানি পান করে বেঁচে থাকার চেষ্টা করে খুকুমনি। সে বাথরুমের কাপড়ের উপর সাবান দিয়ে লিখে পাশ্ববর্তী রাস্তায় ছুড়ে দেয়। আগান্তক এক বাঙ্গালী তার অবরুদ্ধের বিষয়টি বুঝতে পেরে সৌদি পুলিশের সহায়তায় তাকে বাসা থেকে উদ্ধার করে থানায় গিয়ে যায়। এ সময় সকল নির্যাতনের কাহিনী পুলিশকে জানানো হয়। এরপর পুলিশ সৌদী মহিলা ও তার স্বামীকে জরিমানা করেন। আর খুকুমনিকে ১ মাস ১৮ দিনের বেতনসহ চিকিৎসা খরচ এবং বিমান ভাড়া দিয়ে বাংলাদেশে ফেরৎ পাঠানো হয়। পরবর্তীতে দালাল ও এজেন্সীর লোকজন খুকুমনিকে পুনরায় জোরপূর্বক এজেন্সীর অফিসে নিয়ে যায় এবং ১ লক্ষ ৫ হাজার টাকার কেড়ে নেন।
পরের দিন খুকুমনি নিজ বাড়িতে ফিরে আসে এবং মারাত্মক অসুস্থ অবস্থায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়। সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে অবস্থিত ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেল (ওসিসি)-এর সার্বিক সহযোগীতায় চিকিৎসার সুযোগ পায় সে। এদিকে ওসিসি'র সহায়তায় ঐ দালালচক্রের বিরুদ্ধে লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইন-২০১৩ এবং মানব পাচার প্রতিরোধ দমন আইন-২০১২ অনুযায়ী বিজ্ঞ আদালতে দু’টি মামলা দাখিল করেন খুকুমনি। বর্তমানে তিনি বাড়িতে ছোট পর্যায়ে পোল্ট্রী খামার করেছেন। তাছাড়া হোমমেড কেক, বিস্কুট, আচার ইত্যাদি তৈরী করে বিভিন্ন পর্যায়েসহ অনলাইন অর্ডার নিয়ে বিক্রি করছেন তিনি। একটি কৃষি খামার গড়ে তুলে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চান তিনি । এ জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন খুকুমনি।
সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রেখেছেন মোহিনী পারভীন: সমাজ উন্নয়ন, মানবিকতা ও নেতৃত্বের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে অদম্য নারী পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন সাতক্ষীরা সদরের মধ্যকাটিয়া, মিলবাজার গ্রামের বাসিন্দা মোহিনী পারভীন। একজন সাহসী ও সচেতন সমাজকর্মী হিসেবে মোহিনী ইতোমধ্যেই এলাকায় ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছেন। তিনি একজন “জুলাই যোদ্ধা” হিসেবে বৈষম্যহীন সমাজ ও রাষ্ট্র বিনির্মাণের লক্ষ্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সক্রিয় নেতৃত্ব প্রদান করেছেন। একই সঙ্গে সমাজের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন। স্থানীয় প্রশাসন ও সচেতন নাগরিকদের সঙ্গে সমন্বয় করে তিনি বিভিন্ন সময় বাল্যবিবাহ বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে তিনি নিয়মিতভাবে বিভিন্ন বিষয়ে মেধা অন্বেষণমূলক প্রতিযোগিতা আয়োজন করে থাকেন। পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে তিনি শহর ও আশপাশের এলাকায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। একজন উদ্যোক্তা হিসেবে তিনি নিজেকে স্বাবলম্বী করে তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার জন্যও অনুপ্রাণিত করছেন। জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করাসহ বন্যা কবলিত অঞ্চলে ত্রাণ সহায়তা প্রদান, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সামাজিক সহমর্মিতা গড়ে তুলতে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। এছাড়াও তিনি মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন, বিভিন্ন খেলাধুলার আয়োজন এবং যুব সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে ক্রীড়াঙ্গনের প্রতি আকৃষ্ট করা এসব ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন।
(আরকে/এসপি/মার্চ ১৫, ২০২৬)
পাঠকের মতামত:
- ‘সরকার ও বিরোধী দলের ভূমিকায় রাষ্ট্রসংস্কার অনিশ্চিত’
- ‘আলোচনার জন্য প্রস্তুত ইরান’
- এবার সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আনন্দ-উৎসবে দুর্গাপূজা উদযাপিত হচ্ছে
- ইন্দিরা গান্ধী ও জোশেফ টিটো এক বৈঠকে মিলিত হন
- কাপাসিয়ায় রাস্তা বিরোধ ও মসজিদে যাতায়াতে বাধা, এলাকাবাসীর ক্ষোভ
- শিক্ষার পরিচয়
- জলবায়ু অভিযোজনে ক্ষতিগ্রস্থ দেশগুলোকে ঋণের ফাঁদে ফেলা চলবেনা
- গ্যাস-জ্বালানি সংকট নিরসনে লাগবে আরও এক বছর: পর্যটন মন্ত্রী
- ১০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ২৫০ জনের নামে থানায় মামলা, গ্রেপ্তার ২
- শরিফপুরকে উন্নয়ন ও আধুনিকতায় বদলে দিতে চান যুবনেতা কনক
- গোপালগঞ্জে শুরু হয়েছে শারদীয় দুর্গোৎসব
- ধামরাই মন্দিরে মন্দিরে চলছে ষষ্ঠী পূজা
- দুর্গাপূজায় শ্লোগান উঠুক, ‘চিন্ময় প্রভু’র মুক্তি চাই’
- কাপ্তাইয়ে শারদীয় দুর্গোৎসব শুরু, ৯ মণ্ডপে কঠোর নিরাপত্তা
- ‘শিক্ষকদের দুর্নীতিতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শিক্ষাব্যবস্থা’
- রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৫১০ জন
- আসছে মোহাম্মদ আলীর জীবন নিয়ে সিরিজ
- সর্দি-কাশি, হজমের সমস্যা সমাধানে পানপাতা
- ‘কপ সম্মেলনে অভিযোজনের অর্থায়ন বাড়ানোর দাবি তুলতে হবে’
- বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের ২৯ শতাংশ বেকার
- মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সরাসরি সম্প্রচার বাতিল করলেন ট্রাম্প
- বুড়িমারী স্থলবন্দর টানা ৮ দিন বন্ধ
- হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি বোর্ডের কার্যক্রমে বাধা কাটল
- সুবর্ণচরে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী ও ২ জন শিক্ষককে সংবর্ধনা
- নেত্রকোণায় সাংবাদিককে গুলি করে হত্যা
- ভৈরব পৌরসভার আয়োজনে নাগরিক সুবিধার্থে এই প্রথম ভিন্নধর্মী মেলা
- চুয়াডাঙ্গার গাছে গাছে আমের মুকুল, কাঙ্খিত উৎপাদন নিয়ে শঙ্কা
- বিএমএসএফ’র কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সাংবাদিক শাহী
- নানা সংকটে নড়াইলের বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ গ্রন্থাগার ও স্মৃতি যাদুঘর
- কাপাসিয়ায় রাস্তা বিরোধ ও মসজিদে যাতায়াতে বাধা, এলাকাবাসীর ক্ষোভ
- আবদুল হামিদ মাহবুব-এর একগুচ্ছ ছড়া
- কোরবানির ঈদে ঘরে বসেই সাশ্রয়ী ও নিরাপদ কেনাকাটার মেগা অফার নিয়ে এলো ‘স্বপ্ন’
- যশোরে জুলাইযোদ্ধা, যুবদল নেতাসহ আটক ৪, অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার
- মোড়লের ক্ষমতা আর নেই, বিশ্বাসযোগ্যতা হারাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
- ভৈরবে জাতীয় ও বিভাগীয় পর্যায়ে বিশেষ কৃতিত্বের জন্য শিশু কিশোরদের সংবর্ধনা
- প্রত্যক্ষ ভোটে সরস্বতীপুর একাডেমির নতুন কমিটি নির্বাচিত
- স্বাক্ষী নেই-দলিল নেই, দখলদারের শক্তিতে উত্তরাধিকারীরা বঞ্চিত
- ব্যারিস্টার সোলায়মান তুষারের বই ‘বাংলাদেশ আফটার এ গোরি ডন’ প্রকাশিত
- বৃষ্টির ছড়া
- উদ্যোক্তা অভিজ্ঞতা, কৌশলগত অনুসন্ধান ও নীতি-বিশ্লেষণকে যেভাবে একসূত্রে যুক্ত করছেন মো. ইমদাদুল হক সোহাগ
- ৭১’র যুদ্ধদিনে আমার বাবা গুলিবিদ্ধ
- গাছেই নষ্ট হচ্ছে একসময়ের জনপ্রিয় দেশি খেজুর
- 'নির্লজ্জ বেহায়া হতেই কী আমরা তোমাকে খুন করেছি কিংবা তোমাকে রক্ষা করিনি?'
- 'তোমার সহজাত উদারতা তোমাকে আকাশের সীমানায় উন্নীত করলেও তোমার ঘনিষ্ঠ অনেকের প্রশ্নবিদ্ধ আচরণ তোমার নৃশংস মৃত্যুর পথে কোনই বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি'
- খুন করবার মাত্র দুইদিন আগে মোশতাক বালি হাঁসের মাংস রান্না করে তোমার বাসায় দিয়ে যায়; কী ভয়ংকর খুনি মোশতাক!
-1.gif)








