ঝিনাইদহের ‘ফাটাকেস্ট’ মিন্টু

স্টাফ রিপোর্টার : ২০০৮ সালে উপজেলা নির্বাচন করে জামায়াত প্রার্থীর কাছে হেরেছিলেন সাইদুল করিম মিন্টু। ভোটে হারলেও ২০১১ সালে তাঁর ভাগ্যের দুয়ার খুলতে থাকে। ওই বছর ঝিনাইদহের পৌর মেয়র নির্বাচিত হন। এরপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। সীমানা নিয়ে আইনি জটিলতায় টানা ১১ বছর মেয়র ছিলেন তিনি। এ সময় জেলার রাজনীতির শীর্ষ পদে বসার পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে বাড়তে থাকে তাঁর সম্পদ। তার মারকুটে রাজনীতির কারণে এলাকায় পরিচিতি পান ‘ফাটাকেষ্ট’ হিসেবে।
ঝিনাইদহের রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক নেতার ভাষ্য, কেন্দ্রীয় বেশ কয়েক নেতার সঙ্গে ‘ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক’ থাকায় দীর্ঘদিন স্থানীয় আওয়ামীলীগে একক আধিপত্য মিন্টুর। যাঁকে খুশি সংগঠনে পদ দেন, আবার খেয়ালখুশিমতো বাদও দেন। সংসদ সদস্য আজীম হত্যায় অভিযুক্ত কাজী কামাল গিয়াস আহমেদ বাবুকে এভাবেই জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক পদে বসান। এখন রিমান্ডে থাকা বাবু তাঁর সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত। ঝিনাইদহে ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগকেও কার্যত হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে আসছেন তিনি।
মিন্টু ঝিনাইদহ শহরের আরাপপুর ক্যাসল ব্রিজ-সংলগ্ন ইন্দিরা সড়কের বিলাসবহুল বাড়িতে স্ত্রী ও দুই ছেলে নিয়ে থাকেন। বর্তমানে তিনি ঝিনাইদহ চেম্বার অব কমার্স এবং দোকান মালিক সমিতির সভাপতিও।
রাজনীতিতে উত্থান যেভাবে
ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামীলীগের রাজনীতির নেতৃত্বে থাকা সাইদুল করিমের শুরু ছাত্রলীগের হাত ধরে। রাজনীতিতে বেশ দ্রুতই উন্নতি করেছেন তিনি। রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তারে অন্যতম হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছেন ছাত্রলীগকেই।
সূত্র জানায়, সাইদুল করিম মিন্টুর বাবা রুহুল কুদ্দুসের আর্থিক অবস্থা অতটা ভালো ছিল না। ১৯৮১ সালে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটি দুই ভাগে বিভক্ত হলে একটি গ্রুপের নেতৃত্বে ছিলেন জালাল–জাহাঙ্গীর। সেই গ্রুপের এক নেতা ছিলেন সাইদুল করিম মিন্টু। ১৯৮৫ সালের দিকে ঝিনাইদহ জেলা কমিটিতে সভাপতি হন জেলার মহেশপুর উপজেলার বাসিন্দা রবিউল ইসলাম। সাধারণ সম্পাদকের পদ পান সাইদুল করিম মিন্টু। এই কমিটির মাধ্যমেই মিন্টু রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকায় অবতীর্ণ হন।
তবে কাঙ্ক্ষিত অবস্থান গড়তে না পেরে ৮০–এর দশকের গোড়ার দিকে ঢাকায় গিয়ে বাহাউদ্দিন নাছিমের সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবক লীগের রাজনীতি শুরু করেন। পরে কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম–সাধারণ সম্পাদক হন।
পরে আবার ঝিনাইদহ ফিরে যান মিন্টু। ১৯৯৩–৯৪ সালে স্বেচ্ছাসেবক লীগ ঝিনাইদহ জেলা শাখার আহ্বায়ক হন। আওয়ামী লীগের কনিষ্ঠ সদস্য হিসেবে আওয়ামী লীগ–যুবলীগ–ছাত্রলীগকে সংগঠিত করে রাজনীতিতে প্রভাবশালী হয়ে ওঠার কর্মযজ্ঞ শুরু করেন।
১৯৯৭ সালে সক্রিয় সাবেক ছাত্রলীগ কর্মীদের নিয়ে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন করে, তাঁদের রাজনৈতিক ভাবে পুনর্বাসন করে জেলা আওয়ামী লীগের হাত শক্তিশালী করেন। ফলে আওয়ামী লীগের স্থানীয় রাজনীতিতে নিজস্ব বলয় গড়ে ওঠে তাঁর।
১৯৯৯–২০০০ সালে জেলার সব সহযোগী সংগঠনকে নিয়ে শ্রমিক লীগ গঠনে উদ্যোগী হন মিন্টু। এ সময় জেলা শ্রমিক লীগকে সক্রিয় করে তোলেন। ২০০৫ সালে জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম–সাধারণ সম্পাদক হন মিন্টু। ২০০৯ সালে হরিণাকুণ্ডু উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরে যান। সেখান থেকে ভোটার স্থানান্তর করে ২০১০ সালে ঝিনাইদহ পৌরসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে মেয়র নির্বাচিত হন।
পৌর মেয়র হওয়ার পর মিন্টুকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। রাজনীতি যেমন প্রভাব–প্রতিপত্তি বেড়ে যায়, সেই সঙ্গে সমান তালে বাড়তে থাকে সম্পত্তি। দ্রুতই কয়েকশ কোটি টাকার মালিক বনে যান।
এর মধ্যে সদর উপজেলার পাগলাকানাই ইউনিয়ন ও সুরাট ইউনিয়নের সঙ্গে পৌরসভার সীমানা জটিলতা নিয়ে হাইকোর্টে মামলা করে পৌরসভা কর্তৃপক্ষ। ফলে প্রায় ১১ বছর পৌরসভার নির্বাচন বন্ধ থাকে। সেই সুবাদে টানা এক যুগ অপ্রতিদ্বন্দ্বী পৌর মেয়র থেকে যান সাইদুল করিম মিন্টু।
বিনা ভোটের দীর্ঘদিন মেয়র থাকাকালে মিন্টু বিভিন্ন সালিস বৈঠকের বিচার, পৌরসভার নানা প্রকল্প, শহরের হাটের দোকান বেচা–কেনা ইত্যাদি কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতে বিপুল অঙ্কের টাকা হাতিয়েছেন অভিযোগ রয়েছে। সেই সঙ্গে শুরু করেন ঠিকাদারি ব্যবসা। জমি দখলের অভিযোগও রয়েছে।
এছাড়া শহরের ট–বাজার সংলগ্ন জেলা বিএনপির সাবেক কার্যালয়ের জায়গা কিনে সেখানে গড়ে তোলেন ৬ তলা বিশিষ্ট মার্কেট। সেটি পরে বিক্রি করে দিয়েছেন বলে শোনা যায়। পৌর এলাকার মহিষাকুণ্ডুতে রয়েছে তাঁর বাগানবাড়ি। অবশ্য সেখানে কিছু বসার জায়গা এবং একটি টিনশেড ছোট ঘর ছাড়া কিছু নেই। সেখান প্রায় এক বছর হলো যান না সাইদুল করিম মিন্টু। বর্তমানে ঠিকাদারির পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা করেন তিনি।
২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সভাপতি সফিকুল ইসলাম অপু ঝিনাইদহ–২ আসন থেকে নৌকা প্রতীকের মনোনয়ন পান। কিন্তু নিজের পছন্দের প্রার্থী না হওয়ায় সাইদুল করিম মিন্টু তৎকালীন জেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেন। পরে অবশ্য সেই বিরোধ মিটিয়ে নিয়েছেন।
২০১৪ সালের মার্চের দিকে ঝিনাইদহ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের ইজারা সংক্রান্ত প্রায় ৭০ লাখ টাকার দ্বন্দ্বে খুন হন তৎকালীন জেলা বাস, মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গফফার বিশ্বাস। ওই রাতে মীমাংসার চেষ্টা করা হয়েছিল, কিন্তু সকালে চাকলাপাড়া এলাকার ব্রিজের পাশে তাঁর রক্তাক্ত দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। এই হত্যাকাণ্ডে সাইদুল করিম মিন্টুর সংশ্লিষ্টতা ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে সেই সময় শহরের বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক বিক্ষোভ ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছিল।
২০১৫ সালে ২৫ মার্চ জাতীয় নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন মিন্টু। এরপর থেকে সে পদেই রয়ে গেছেন তিনি।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বর্তমানে মিন্টুর বিরুদ্ধে দুটি মামলার বিচার চলমান। এর মধ্যে একটি পৌরসভার মেয়র থাকাকালীন মশক নিধন, গাড়ি মেরামত, রাস্তা পরিষ্কারসহ অন্যান্য প্রকল্পের বিলের চেকে মূল টাকার সঙ্গে অতিরিক্ত সংখ্যা বসিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের মামলা। জালিয়াতি করে ৩৮টি চেকের মাধ্যমে প্রায় ৭৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০২৩ সালের ২২ জানুয়ারি মামলাটি করে ঝিনাইদহ দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়। মামলায় সাইদুল করিম মিন্টুসহ চারজনকে আসামি করা হয়েছে। সেই মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন। এ ছাড়া সদর থানায় ২০১৫ সালের ১ জুলাই ৩০২ ধারায় করা একটি হত্যা মামলা আদালতে বিচারাধীন।
গত সংসদ নির্বাচনের আগে কালীগঞ্জের বিভিন্ন মিছিল মিটিংয়ের এমপি আনোয়ারুল আজীম আনারের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন সাইদুল করিম মিন্টু। আনারের বিরুদ্ধে একাধিকবার বক্তব্যও দিয়েছেন।
ঝিনাইদহ–৪ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন মিন্টু নিজেও। তবে শেষ পর্যন্ত ঝিনাইদহ–২ আসনের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। কিন্তু দলীয় মনোনয়ন পাননি। ফলে নির্বাচনে অনেকটা নীরব ছিলেন।
গত পৌর, জেলা পরিষদ, সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীর বিপক্ষে অবস্থান ছিল মিন্টুর। এসব নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা পরাজিত হন। সেসময় সরাসরি মিছিল মিটিংয়ে উপস্থিত থাকতেন না মিন্টু। তবে বিরোধী পক্ষে অবস্থানের কারণে স্থানীয় নেতা–কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়। কিছু বিভক্তিও দেখা দেয়।
বিশেষ করে গত সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে বেশ ক্ষিপ্ত হন মিন্টু। সেসময় ঝিনাইদহ–২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নেন এবং ঝিনাইদহ–৪ আসনের প্রার্থী আনারের বিপক্ষে গোপনে কাজ করেন। ঝিনাইদহ–২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়। তবে নির্বাচনের পর আনারের বিরুদ্ধে কথা বলা থেকে বিরত থাকেন মিন্টু।
এ ছাড়া সংসদ নির্বাচনে জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও ঝিনাইদহ–১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল হাইয়ের বিপক্ষে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিশ্বাস বিল্ডার্সের স্বত্বাধিকারী নজরুল ইসলাম দুলালের পক্ষে অবস্থান নিয়ে মিছিল মিটিংয়ে অংশ নিয়েছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেলা আওয়ামী লীগের এক শীর্ষ নেতা বলেন, ‘সাইদুল করিম মিন্টুর কাজই হচ্ছে বিরোধিতা করা। জেলা আওয়ামী লীগ যাকে সমর্থন করে তিনি তাঁর বিপক্ষে যায়। সংসদ নির্বাচনে ঝিনাইদহ–৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার এবং ঝিনাইদহ–১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল হাইয়ের বিপক্ষে কাজ করেছেন। এটা নিজের স্বার্থসিদ্ধি ও প্রতিহিংসা পরায়ণতার কারণেই করে থাকেন। সে সব সময় দলের মধ্যে ভাঙন সৃষ্টিতে ব্যস্ত থাকেন, সভা–সমাবেশে নেতা–কর্মীদের বিরুদ্ধে অশালীন বক্তব্য দেন। এতে অনেকেই তাঁর ওপর ক্ষুব্ধ।’
(এসআই/এসপি/জুন ১৩, ২০২৪)
পাঠকের মতামত:
- সুবর্ণচরে গাছ কর্তনের অভিযোগ
- আইনি জটিলতায় অঙ্কুশ, দিতে হবে হাজিরা!
- জিএস পদে ফরহাদের প্রার্থিতা নিয়ে রিটের শুনানি মঙ্গলবার
- ফরিদপুরের রণকাইল পদ্মবিলে নৌকাবাইচ, গ্রামীণ উৎসবে হাজারো মানুষের ঢল
- নারীদের জন্য ১০০ সংরক্ষিত আসনে সরাসরি নির্বাচন দাবি
- র্যাব-১০ এর দুইটি পৃথক অভিযানে ৩৫৭ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২
- ‘কারও কাছে পলিথিন পেলে জব্দ করা হবে’
- নুরকে রাষ্ট্রপতির ফোন
- ‘নুরের ওপর হামলা নির্বাচনী ষড়যন্ত্রের অংশ’
- ‘ক্ষমতায় গেলে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে জোর দেবে বিএনপি’
- ‘নুরের শারীরিক অবস্থা উন্নতির দিকে’
- গ্রাহকসেবার কল ৯০ সেকেন্ডের মধ্যে রিসিভ করতে হবে
- ১৩ মাসে ঢাকা ও আশপাশে ১৬০৪ অবরোধ
- বিকেলে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক
- ফুটবলে নতুন করে উন্মাদনা ছড়ানোর প্রত্যয় আসিফের
- মুক্তিবাহিনীর গেরিলা দল শিবপুর থানা আক্রমণ করে
- ‘স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি না থাকায় মব ভায়োলেন্স হচ্ছে’
- ‘নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে বিএনপি বদ্ধপরিকর’
- ‘নুরের ওপর হামলায় জড়িত কেউ রেহাই পাবে না’
- ‘৫ আগস্টের পর এদেশে বাংলাদেশ পন্থীরাই কেবল রাজনীতি করতে পারবে’
- সোনার দাম আরও বাড়লো, ভরি ১৭৪৩১৮ টাকা
- বাগেরহাটে পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, মোবাইল জ্যামারসহ গ্রেফতার ২
- ভিপি নূরের ওপর হামলাকারীদের শাস্তির দাবিতে বাগেরহাটে বিক্ষোভ
- জামালপুরে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ টুর্নামেন্ট
- পঞ্চগড়ে ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার টুর্নামেন্টের উদ্বোধন
- ডাকসু নির্বাচন : মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন আজ
- আমি হব সকাল বেলার পাখি
- সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ‘অ্যান্টিভেনম’ রাখার নির্দেশ
- আইনি জটিলতায় অঙ্কুশ, দিতে হবে হাজিরা!
- ফরিদপুরের রণকাইল পদ্মবিলে নৌকাবাইচ, গ্রামীণ উৎসবে হাজারো মানুষের ঢল
- যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য অঙ্গরাজ্যে মুসলিম উম্মাহর মহাসম্মেলন আয়োজনের পরিকল্পনা
- জিএস পদে ফরহাদের প্রার্থিতা নিয়ে রিটের শুনানি মঙ্গলবার
- নারীদের জন্য ১০০ সংরক্ষিত আসনে সরাসরি নির্বাচন দাবি
- তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত ধারাবাহিক মূল্যায়ন, সাময়িক পরীক্ষা হবে না
- দুরারোগ্য রোগে প্রতিবন্ধী হয়ে যাচ্ছেন উৎপল সরকার
- মুখভর্তি দাড়ি নিয়ে লোকচক্ষুর অন্তরালে রুমা বেগম
- পান খেতে ব্যস্ত চালক, সড়কেই উল্টে গেল বাস
- পদ্মা নদীর ভরাট বালু বিক্রির অভিযোগে দেড় লাখ টাকা জরিমানা
- বুধবার প্রদান করা হবে 'গ্র্যাজুয়েট স্বাধীনতা এওয়ার্ড ২০২৪'
- ড. ইউনূসকে নিয়ে বই লিখে তাকে উপহার দিলেন ব্রাজিলের সেকেন্ড লেডি লু
- ঝালকাঠিতে ৩ মামলায় কৃষক লীগ নেতা ও সাবেক পিপি আবদুল মান্নান কারাগারে
- ক্যানসার আক্রান্ত রোগীর মৃত্যু ক্যানসারে হয় না
- লক্ষ্মীপুরে ভূমিসেবা সপ্তাহ উপলক্ষে জনসচেতনতা মূলক সভা অনুষ্ঠিত
- মুক্তি পাচ্ছে দেশের ইংরেজি সিনেমা ‘ডট’
- ‘ক্ষমতা ছেড়ে দিন, এক বছরের মধ্যে পরিবর্তন করে দেবো’