E Paper Of Daily Bangla 71
Sikdar Dental Care

For Advertisement

Mobile Version

‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাত অনেক বিস্তৃত, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ না’

২০২৬ জুন ২৮ ১৭:৪৫:৩৩
‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাত অনেক বিস্তৃত, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ না’

স্টাফ রিপোর্টার : রাজধানীর মোহাম্মদপুরে পুলিশের ওপর হামলাকারীদের গ্রেফতার প্রসঙ্গে র‌্যাব-২ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি নয়মুল হাসান বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাত অনেক বিস্তৃত। আইনের ঊর্ধ্বে কেউ না।

রবিবার (২৮ জুন) কারওয়ান বাজারে র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। মোহাম্মদপুরে অভিযান চালিয়ে ‘পাটালি গ্রুপের’ সেকেন্ড ইন কমান্ড মো. শামীম পাটালিসহ আট ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার নিয়ে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।

নয়মুল হাসান জানান, শনিবার (২৭ জুন) গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র‍্যাব-২ জানতে পারে যে বসিলা এলাকায় কুখ্যাত ছিনতাইকারীচক্র পাটালি গ্রুপের সদস্যরা ছিনতাইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে। পরে র‍্যাব-২ এর একটি দল অভিযান পরিচালনা করে শামীম পাটালির দুই সহযোগী মো. খোকন মুন্সী ও মো. সজীব ব্যাপারীকে গ্রেফতার করে। তাদের তথ্যের ভিত্তিতে একই রাতে অভিযান পরিচালনা করে শামীম পাটালিকে চন্দ্রিমা মডেল টাউন থেকে একটি বিদেশি অস্ত্র এবং দুই রাউন্ড তাজা গুলিসহ গ্রেফতার করা হয়।

র‌্যাব-২ এর অধিনায়ক বলেন, শামীমসহ পাটালি পরিবারের অন্য সদস্যরা গত ১৫ মে মোহাম্মদপুরে একই পরিবারের সাত সদস্যকে কুপিয়ে জখম করার ঘটনায় অভিযুক্ত আসামি। পাটালি পরিবারের অপর দুই সদস্য রানা পাটালি এবং রাসেল পাটালি হত্যা মামলায় র‍্যাব-২ এর হাতে গ্রেফতার হয়ে এখন কারাগারে আছেন। পাটালি পরিবারের (গ্রুপের) সব সদস্যের নামে মোহাম্মদপুর থানায় চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি ও মাদক মামলাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

নয়মুল হাসান আরও জানান, একই রাতে র‍্যাব-২ এর পৃথক দুটি দল অভিযান পরিচালনা করে চাঁদ উদ্যান থেকে মো. শাকিউল করিম ও মো. আরিফকে একটি চাপাতিসহ এবং বাবর রোড থেকে হৃদয় ও নয়নকে একটি চাপাতিসহ গ্রেফতার করে। তারা দীর্ঘদিন যাবৎ দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে পথচারীসহ নিরীহ জনগণের সর্বস্ব ছিনিয়ে নিতেন।

তিনি জানান, এর আগে গত ২৪ জুন র‍্যাব-২ এর একটি দল নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রায়ের বাজার এলাকায় পাটালি গ্রুপের সদস্য মো. জুয়েল ও তার সহযোগী মো. শাকিলকে একটি তরবারিসহ গ্রেফতার করে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, শামীমের নামে আটটি, আরিফের নামে চারটি, খোকনের নামে দুটি, সজীবের নামে একটি, হৃদয়ের নামে সাতটি ও জুয়েলের নামে একটি মামলা রয়েছে।

মোহাম্মদপুরে বিভিন্ন অপরাধী গ্রুপের বিরুদ্ধে একাধিকবার পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা ও কোপানোর ঘটনা ঘটেছে। অভিযুক্তদের কেন ধরা হচ্ছে না সে বিষয়ে জানতে চাইলে র‍্যাবের এ কর্মকর্তা বলেন, ‘টাইম উইল সে (সময়ই বলে দেবে)। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাত অনেক বিস্তৃত। আইনের ঊর্ধ্বে কেউ না।’

(ওএস/এএস/জুন ২৮, ২০২৬)





পাঠকের মতামত:

২৮ জুন ২০২৬

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test