Occasion Banner
E Paper Of Daily Bangla 71
Janata Bank Limited
Technomedia Limited
Mobile Version

চর মালিকদের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই খুন হন ড্রেজার মালিক বিল্লাল

২০২১ জুন ১৫ ১৭:২৮:৪৫
চর মালিকদের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই খুন হন ড্রেজার মালিক বিল্লাল

স্টাফ রিপোর্টার : রাজবাড়ী ও মাগুরা জেলার মধ্যে ভাগ করা একমাত্র নদী গড়াই। গত সোমবার (১৪ মে) সকালে জেলার কালুখালি উপজেলার সাওরাইল ইউনিয়নের সিমান্ত এলাকা জামালপুর নামক গড়াই নদীর চর থেকে বালু উত্তোলন কে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি সৃষ্টি হলে ড্রেজার মালিক বিল্লাল হোসেন (৩৫) নিহত  হয়। 

নিহত বিল্লাল কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার মসলেমপুর এলাকার আবু বক্করের ছেলে। বিল্লাল দীর্ঘ দিন বিদেশ থাকায় গত এক বছর আগে বিয়ে করে, তার স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা। নিহত বিল্লালের মৃত্যুর কারণ জানার জন্য ঘটনা স্থলে গেলে জানা যায়, রাজবাড়ী জেলায় ৭ টি বালুমহাল এর মধ্যে কালুখালি উপজেলার এক মাত্র বালুমহাল সাওরাইলের পাতুরিয়া বালুর চর। তবে এই চরের চার কিলোমিটার দুরে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন হচ্ছে বলে একটি লিখিত দরখাস্ত দেওয়া হয় জেলা প্রশাসক বরাবর। যা কি না বারবার বিভিন্ন গন মাধ্যমে উঠে আসে।

জানা যায় গত বছর পাতুরিয়া বালুমহাল এর ইজারাদার কালুখালি উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক লাবু জোয়াদ্দার ও সাওরাইল ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি কামাল মন্ডল এ বছর ইজারা না পেয়ে মাধ্যম ব্যবহার করে ইউনিয়নের জামালপুর নামক এলাকার পাশের চর থেকে গত এক মাসের ও অধিক সময় ধরে বালু উত্তোলন করে আসছিলো।তবে গত কাল ওই চরে বালু উত্তোলন কে কেন্দ্র করে ড্রেজার মালিক খুন হয়ে যায়। অনুসন্ধান কালে জানাযায় ওই চরে খুন হওয়া বিল্লাল ও রফিকুল ইসলাম সম্পর্কে মামা ভাগ্নে। তারা দুই জন কথিত ইজারাদার লাবু জোয়াদ্দার ও কামাল মন্ডলের লোক। তবে ঘাতক দুই জন পাংশা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মারুফ ও সাবেক পাংশা উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক ফরহাদের লোক। ওই ঘাতক দুই জন হলো পাংশা উপজেলার হাবাসপুর ইউনিয়নের চর-আফড়া গ্রামের সোবাহানের ছেলে ইমরান (২৫) ও একই ইউনিয়নের চর-আফড়া দক্ষিণ পাড়া গ্রামের লিয়াকত বিশ্বাস এর ছেলে আনজু (২৮)। এর মূল রহস্য হলো, মারুফ ও ফরহাদ তাদের লোক দিয়ে ওই চরের আধিপত্য বিস্তার করার জন্য উক্ত ঘটনা ঘটায়।

উল্লেখ্য গত কাল সকালে নদীর মধ্যে মামা ভাগ্নে বিল্লাল ও রফিকুল ইসলাম ড্রেজার চালাচ্ছিলো, এমন সময় পারে এসে ইমরান ও আনজু তাদের ডাকতে থাকে। তখন বিল্লাল ছোট নৌকা নিয়ে পারে আসলে ইমরান ও আনজু দুই জন মিলে বৌঠা দিয়ে মাথায় আঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতা আহত বিল্লাল কে পাংশা হাসপাতালে নিয়ে যায় মামা রফিকুল ইসলাম। তবে হাসপাতালে আহত বিল্লাল কে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। তবে ধারণা করা হয়েছে ঘটনা স্থলেই বিল্লাল মারা গেছে।

(একে/এসপি/জুন ১৫, ২০২১)

পাঠকের মতামত:

২৯ জুলাই ২০২১

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test