E Paper Of Daily Bangla 71
Janata Bank Limited
Technomedia Limited
Mobile Version

শিরোনাম:

নীলফামারীতে মাথা গোঁজার ঠাঁই পাচ্ছে ১২৫০ পরিবার

২০২১ জুন ২০ ১৮:৩৬:৪৪
নীলফামারীতে মাথা গোঁজার ঠাঁই পাচ্ছে ১২৫০ পরিবার

ওয়াজেদুর রহমান কনক, নীলফামারী : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে দ্বিতীয় দফায় নীলফামারী জেলায় ১২৫০টি ভুমিহীন পরিবারের মাঝে জমি বরাদ্দের অংশ হিসেবে নীলফামারী সদরে আশ্রায়ন প্রকল্পের ঘর ও কাগজপত্র তুলে দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে । 

২০ জুন (রবিবার) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকা থেকে ভিডিও কনফারেন্সে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের সময় নীলফামারীতে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে ।

এর আগে জেলা প্রশাসকের সাথে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হন নীলফামারী-২ আসনের সংসদ সদস্য আসাদাজ্জামান নূর । সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এলিনা আক্তারের সভাপতিত্বে নীলফামারী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় ।

আসাদুজ্জামান নূর বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়নের চেষ্টা করছেন । প্রধানমন্ত্রী সব কাজ করছেন যুগপযোগী ভাবে, তাঁর প্রতিটি কাজ সুদূরপ্রসারী । নীলফামারীতে ভূমি সংক্রান্ত জটিলতা থাকার পরও কাজটি অত্যন্ত দক্ষতার সাথে সম্পন্ন করা হয়েছে । আজ যারা নতুন ঘর পেল তাদের জন্য দিনটি অনেক আনন্দের ।

সকাল ১১টা ১২মিনিটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধন পর্ব শুরু হলে উপস্থিত সকলে অনুষ্ঠানটি উপভোগ করেন । এরপর দুপুরে নীলফামারী সদরের খোকশাবাড়ি ইউনিয়নের রামকলায় আশ্রয়ন প্রকল্প প্রাঙ্গণে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এলিনা আকতার সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোঃ হাফিজুর রহমান চৌধুরী, বিশেষ অতিথি জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লিজা বেগম, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহিদ মাহমুদ, ভাইস চেয়ারম্যান শান্তনা চক্রবর্তী, প্রকল্প কর্মকর্তা রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ সদর ইটাখোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাফিজুর রশিদ মঞ্জু।

উদ্বোধনী প্রাঙ্গণে ৩৭টি পরিবারের ঠাঁই হলেও ২০জনের কাছে ঘরের চাবি ও প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র হস্তান্তর করা হয়। বাকিদের ঘর নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে।

এই ইউনিয়নে ঘর ও জমি পাচ্ছেন গৃহহীণ ও ভুমিহীন ৭৯টি পরিবার। অনুষ্ঠানে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উদ্যোগে বিদ্যুৎ সংযোগেরওধন করা হয়।

জেলা প্রশাসক মোঃ হাফিজুর রহমান চৌধুরী জানিয়েছেন, জেলায় দ্বিতীয় পর্যায়ে ১২৫০টি গৃহ নির্মাণ হয়েছে । এর মধ্যে নীলফামারী সদর উপজেলায় ২২০টি, সৈয়দপুর উপজেলায় ৬০টি, কিশোরগঞ্জ উপজেলায় ১৭০টি, ডোমার উপজেলায় ৩০০টি, ডিমলা উপজেলায় ২০০টি ও জলঢাকা উপজেলায় ৩০০টি গৃহ নির্মাণ হয়েছে ।

(কে/এসপি/জুন ২০, ২০২১)

পাঠকের মতামত:

০২ আগস্ট ২০২১

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test