E Paper Of Daily Bangla 71
Janata Bank Limited
Technomedia Limited
Mobile Version

না ফেরার দেশে চলে গেলেন ডা. আবদুল বারি

২০২২ জানুয়ারি ২৮ ১৭:২৭:৫৬
না ফেরার দেশে চলে গেলেন ডা. আবদুল বারি

মাদারীপুর প্রতিনিধি : না ফেরার দেশে চলে গেলেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী মাদারীপুর জেলার গুনিব্যক্তিত্ব ডা. আবদুল বারি (৭৭)। ২৭ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় ঢাকায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান (ইন্নালিল্লাহী...রাজিউন)। ডা. আবদুল বারি বার্ধক্যজণিত নানা জটিল রোগে ভুগছিলেন। তার মৃত্যুতে বিভিন্ন মহল শোক প্রকাশ করেছেন।

শুক্রবার বাদ জুম্মা পৌর কবরস্থান জামে মসজিদ ময়দানে নামাজে জানাজা শেষে তাকে পৌর কবরস্থানে দাফন করা হয়।

পারিবারিক সুত্রে জানা গেছে, গত ১ জানুয়ারি ডা. আবদুল বারি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ঢাকায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করা হয়। সেখানে তাকে উন্নত চিকিৎসা দেওয়া হয়। কিন্তু তার অবস্থা দিন দিন অবনতি হতে থাকে। শঙ্কটাপন্ন অবস্থায় বৃহস্পতিবার সকালে তাকে আইসিউতে নেওয়া হয়। সেখানে সন্ধ্যা সোয়া ৭ টায় মৃত্যুবরণ করেন।

শুক্রবার সকাল ৬টায় তার মরদেহ নিজ বাড়ি মাদারীপুর শহরের থানতলীতে আনা হয়। সেখানে তার হাজারো ভক্ত-অনুরাগী শেষ শ্রদ্ধা জানান। বাদ জুম্মা পৌর কবরস্থান জামে মসজিদ ময়দানে নামাজে জানাজা শেষে তাকে পৌর কবরস্থানে দাফন করা হয়।

ডা. আবদুল বারি ছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর আদর্শের সৈনিক ও মনে প্রাণে অসাম্প্রাদায়িক, ‘৬৯-এর গণ-আন্দোলনে ঢাকার রাজপথের অন্যতম সংগ্রামী নেতা, মাদারীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি, প্রবীণ রাজনীতিবিদ, বিএমএ মাদারীপুর জেলার সভাপতি, স্বাচিপ, মাদারীপুর জেলার সাবেক সভাপতি, বিশিষ্ট চক্ষু চিকিৎসক, গরীবের ডাক্তার খ্যাত ও ইতিহাস গবেষক। তার লেখা ৭টি দুর্লভ গ্রন্থের মধ্যে ‘মহানায়ক নেতাজী’, ‘বিস্মৃত বাঙালী নারী’, ‘অগ্নিগর্ভ মাদারীপুর’ অন্যতম।

বহুমুখী প্রতিভা সম্পন্ন ডা. আবদুল বারির মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, সাবেক নৌপরিবহণমন্ত্রী, মাদারীপুরের সংসদ সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা শাজাহান খান, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আফম বাহাউদ্দিন নাছিম, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক কাজল কৃষ্ণ দে, বিএমএ এবং স্বাচিপ মাদারীপুর জেলার নেতৃবৃন্দ, ইতিহাস ঐতিহ্য পরিষদ, জেলার বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।

(এএস/এসপি/জানুয়ারি ২৮, ২০২২)

পাঠকের মতামত:

২৩ মে ২০২২

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test