E Paper Of Daily Bangla 71
Janata Bank Limited
Technomedia Limited
Mobile Version

উত্তরাধিকার ৭১ নিউজে সংবাদ প্রকাশের পর অবৈধ কয়লা কারখানা ভেঙে দিলেন ইউএনও

২০২২ সেপ্টেম্বর ২৮ ১৬:৩২:০৩
উত্তরাধিকার ৭১ নিউজে সংবাদ প্রকাশের পর অবৈধ কয়লা কারখানা ভেঙে দিলেন ইউএনও

সঞ্জীব কুমার দাস, কাপাসিয়া : গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলায় “কাপাসিয়ায় অবৈধ কয়লা কারখানার ছড়াছড়ি”  শিরোনামে উত্তরাধিকার ৭১ নিউজে সংবাদ প্রকাশের পর গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা একেএম গোলাম মোর্শেদ খানের নেতৃত্বে বন বিভাগের কর্মকর্তাদের সহায়তায় উপজেলার তরগাঁও ইউনিয়নের মাঝি টেক ও বারিষাব ইউনিয়নের নরোত্তমপুর এলাকায় মোবাইল কোর্ট অভিযান চালিয়ে অবৈধ ভাবে গড়ে উঠা বিশেষ ধরনের কয়লা চুল্লি ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। 

রিপোটে বলা হয়, গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ ধরণের চুল্লিতে কাঠ পুড়িয়ে তৈরি করা হচ্ছে কয়লা। এতে একদিকে যেমন পরিবেশের ওপর পরছে বিরূপ প্রভাব অপরদিকে বনে থাকা পশুপাখি হারাচ্ছেন আপন নীড়। বন্যপ্রাণীরা প্রকাশ্যে আসায় হুমকিতে রয়েছে জনজীবন।

এলাকাবাসী জানান, কাপাসিয়া উপজেলার তরগাঁও এলাকার উত্তর শেষ প্রান্তে স্থানীয় কাওছার মিয়া প্রায় তিন মাস আগে পাঁচটি চুল্লি তৈরি করেন। রায়েদ ইউনিয়নের আমতলী এলাকার স্থানীয় ছিদ্দিকের মেয়ের জামাই মিলন মিয়া প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনটি চুল্লি তৈরি করে গড়ে তুলেন দূষণযজ্ঞের কয়লা তৈরির কারখানাটি। এছাড়া বারিষাব ইউনিয়নের শেষ প্রান্তে নরোত্তমপুর এলাকায় আনুমানিক ছয় মাস আগে শ্রীপুরের আবুল কাশেম নামে একজনে ৮টি চুল্লি ও ইউপি চুল্লি তৈরি করে অবৈধভাবে গড়ে তুলেন কয়লা তৈরির দূষণযজ্ঞের কারখানা, প্রতি এক সপ্তাহ পর পর চুল্লির মুখ ভেংগে ৩০০ থেকে ৩৫০ মন কয়লা বের করা হয়।

এই চুল্লি মালিকেরা অত্যান্ত দাপটের সাথে নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে বছরের পর বছর অবাধে সবুজ কাঠ শাল-গজারি, আকাশমনি, কড়ুই, মেহগনি, বহেড়া, আম-জাম, কাঠাল ও বেলজিয়ামসহ নানা প্রজাতির সবুজ বন ধ্বংস করে কাঠ পুড়িয়ে তৈরি করছে কয়লা। এতে চুল্লি থেকে নির্গত কালো ধোঁয়ায় দূষিত হচ্ছে গ্রামীণ পরিবেশ। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা একেএম গোলাম মোর্শেদ খান বলেন, বারিষাব ইউনিয়নের নরোত্তমপু ও তরগাঁও ইউনিয়নের মাঝির টেক এলাকায় মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করে অবৈধ কয়লা তৈরির কারখানায় এক্সেভেটর দিয়ে চুল্লি গুলো ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। সময়ের অভাবে রায়েদ ইউনিয়নের আমতলী এলাকায় যাওয়া হয়নি পরবর্তীতে অভিযান চালিয়ে ভেঙে দেওয়া হবে এবং আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। এসময় অভিযান পরিচলনায় সহায়তা করেন বন বিভাগের কর্মকর্তা, পুলিশ ও আনসার সদস্যরা।

(এসকেডি/এসপি/সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২২)

পাঠকের মতামত:

০৯ ডিসেম্বর ২০২২

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test