E Paper Of Daily Bangla 71
World Vision
Walton New
Mobile Version

নবীনগরে বাল্যবিয়ের অপরাধে অর্থদন্ড

২০২৩ সেপ্টেম্বর ১৮ ১৮:৪৮:১৬
নবীনগরে বাল্যবিয়ের অপরাধে অর্থদন্ড
বিশেষ প্রতিনিধি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে আবারও ইউএনও'র হস্তক্ষেপে অবশেষে বাল্য বিয়ের হাত থেকে রক্ষা পেল স্কুল পড়ুয়া ১৫ বছরের এক কিশোরী। ওই কিশোরী নবীনগর পৌরসভার ভোলাচং উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তবে এবার শুধু বিয়ে বন্ধ নয়, বাল্য বিয়ে দেয়া এবং করানোর অপরাধে  বর ও কনের দুই পরিবারকে ২০ হাজার টাকা অর্থদন্ডও (জরিমানা) করলেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ইউএনও।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর ফরহাদ শামীম সোমবার এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নবীনগর পৌরসভার ভোলাচং চৌধুরী পাড়ার ব্যবসায়ী রহমত উল্লাহর কন্যা দশম শ্রেণির ছাত্রীর (১৫) সঙ্গে একই গ্রামের আক্তার হোসেনের প্রবাসে থাকা পুত্র আবদুর রহিমের গতকাল রবিবার বিয়ে হওয়ার কথা ছিলো।
কিন্তু গোপন সূত্রে বাল্য বিয়ের এমন খবর জানতে পেরে নবীনগরের ইউএনও তানভীর ফরহাদ শামীম সন্ধ্যায় কনের বাড়িতে ছুটে যান। পরে স্থানীয় পৌর কাউন্সিলর জসিম উদ্দিনসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে তিনি বাল্য বিয়েটি বন্ধ করে দেন। পরে বাল্য বিয়ে দেয়ার অপরাধে বর ও কনে উভয় পরিবারকে ১০ হাজার করে মোট ২০ হাজার টাকা অর্থদন্ডও দেন ইউএনও।
এ বিষয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত পৌর কাউন্সিলর জসিম উদ্দিন বলেন,'কনের বয়স ১৫ বছর ১৬ দিন হওয়ায় ইউএনও স্যার ঘটনাস্থলে এসে দুই পরিবারকে ২০ হাজার টাকা অর্থদন্ড দেন। নবীনগরে বাল্য বিয়ে বন্ধে এমন কঠোর হওয়ায়, স্যারকে আমরা সাধুবাদ জানাই।'
ইউএনও তানভীর ফরহাদ শামীম আজ বলেন,'বাল্য বিয়ে একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তাই দুই পরিবারকে ২০ হাজার টাকা অর্থদন্ড দিয়েছি। পাশাপাশি ১৮ বছরের আগে মেয়েকে বিয়ে দেয়া যাবেনা মর্মে দুই পরিবারের কাছ থেকে মুচলেকাও নিয়েছি।'
তিনি জানান, বিষয়টি নজরদারিতে রাখার জন্যও স্থানীয় পৌর কাউন্সিলরসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিদের দায়িত্বও দিয়ে এসেছি।'
উল্লেখ্য, এক মাসের ব্যবধানে গত ১৯ আগস্ট উপজেলার রতনপুরে নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক ছাত্রীর অনুরূপ একটি বাল্য বিয়ে বন্ধ করে মমুচলেকা নেন ইউএনও শামীম তানভীর।
(জিডিএ/এএস/সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৩)


পাঠকের মতামত:

২১ জুলাই ২০২৪

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test