E Paper Of Daily Bangla 71
World Vision
Technomedia Limited
Mobile Version

মাদারীপুরে ভূমিদস্যু সোবাহান খানের মিথ্যা মামলা দায়ের

২০২৩ অক্টোবর ১৫ ১৮:১৬:২৩
মাদারীপুরে ভূমিদস্যু সোবাহান খানের মিথ্যা মামলা দায়ের

বিপুল কুমার দাস, রাজৈর : গত ১৮ সেপ্টেম্বর গেজেট দ্বারা পাশকৃত আইন "ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন ২০২৩" এ মাদারীপুরে মিথ্যা মামলা দায়ের করেন সোবাহান খান নামে এক ভূমিদস্যু। 

জানা যায়, মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার আলম দস্তার গ্রামের মকবুল হোসেন এর পুত্র পারভেজ খান গং দের বিরুদ্ধে মাদারীপুর সহকারী জজ আদালতে গত ৩/৮/২০২৩ তারিখে মামলাবাজ ও ভূমিদস্যু সোবহান খান ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের ৪ ও ৫ ধারায় একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। নতুন ভূমি আইনের ৪ ও ৫ ধারা মোতাবেক অজামিনযোগ্য অপরাধ।

মামলার বিবরণে জানা যায় পারভেজ খান সোবহান খানের দলিলকৃত সম্পত্তি দখল করছেন। এবং মাননীয় আদালত আসামীদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারি করেন।

এই সম্পত্তি নিয়া ১৯৮৯ সালে রশিদ শেখ গং বাদী হয়ে আকুব আলী শেখ গং দের বিরুদ্ধে রাজৈর সহকারী সিনিয়র জজ আদালত মাদারীপুর, একটি ৩৬/১৯৮৯ দেওয়ানী মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ দিন মামলা চলার পরে ২০০৪ সালে রশিদ শেখ গং এর পক্ষে বিবাদমান ৪৫২২ নং দাগসহ ৯২.৫০ ভূমি রায় ও ডিগ্রি হয়।

এই মামলা চলমান অবস্থায় আকুব আলী শেখ গং জনৈক মাহমুদা রহমানের নিকট ৪৫২২ নং দাগের ৩৫ শতাংশ জমি বিক্রি করে দেয়।

আকুব আলী শেখ ও মাহমুদা রহমান গং সহকারী সিনিয়র জজ আদালতের মামলায় হেরে মাদারীপুর সিনিয়র জজ ২য় আদালতে ৫১/২০০১ নং আপিল দায়ের করেন। চার বৎসর মামলা চলার পরে ৩/১০/২০০৫ সালে আবারও রশিদ শেখ রায় পান এবং আকুব আলী গং মামলায় হেরে যান।

মাদারীপুর সহকারী জজ আদালতে ৫১/২০০১ নং মামলায় হেরে গিয়া মাহমুদা রহমান ও আকুব আলী শেখ গং মহামান্য হাইকোর্টে ৩৮৩৮/২০১০ নং সিভিল রিভিশন দায়ের করেন। দীর্ঘ ১২ বৎসর মামলা চলার পর পূর্বের রায় বহাল রেখে মহামান্য হাইকোর্ট মামলটি ১৯/৬/২০২২ সালে তাদের আপিল রিভিশন খারিজ করে দেন।

রশিদ শেখ গং রায় পেলে মকবুল হোসেন ও তার স্ত্রীর নামে তিনটি দলিলের মাধ্যমে ৯ শতাংশ ভূমি ক্রয় করে রাস্তা সহ গাছ পালা রোপন করে সরেজমিনে ভোগদখল করিতে থাকে।

মহামান্য হাইকোর্টে মামলা চলাকালিন অবস্থায় ভূমি দস্যু সোবাহান খান ২০১৬ সালে মাহমুদা রহমানের নিকট হইতে ৩৫ শতাংশ ভূমি ক্রয় করে এবং ৪৫২২ নং দাগ থেকে বিভিন্ন জনের নিকট জমি বিক্রি করে দেয়। এরপর মকবুল হোসেন ও তার স্ত্রীর নামে ক্রয়কৃত জমিতে, দখলে আসার চেস্টা করলে নুতন ভাবে ঝামেলা ও মামলা মোকদ্দমার সৃষ্টি করেন সোবাহান খান।

২০২২ সালে মহামান্য হাইকোর্টের রায় মোতাবেক স্থানীয় গণ্যমান্য রাজনৈতিক ব্যক্তিদের নিয়া শালিস মিমাংসা করে দিলে পারভেজ খান ঘর বাড়ী উত্তোলন করেন। এবং বর্তমানে পারভেজ খান এক বৎসর যাবত ভোগদখল করিতেছেন। ভুমিদস্যু সোবাহান খানের একের পর এক দায়ের করা মিথ্যা মামলায় ভুক্তভোগী আসামীগন সোবাহান খানের আতংকে ভীতিকর জীবনযাপন করিতেছে।

(বিডি/এসপি/অক্টোবর ১৫, ২০২৩)

পাঠকের মতামত:

০৫ মার্চ ২০২৪

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test