E Paper Of Daily Bangla 71
World Vision
Technomedia Limited
Mobile Version

পাংশায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু সরকারি কলেজে পাশের হার ২.৬৬ পার্সেন্ট, হতাশ এলাকাবাসী

২০২৩ নভেম্বর ২৮ ০০:১৪:১৯
পাংশায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু সরকারি কলেজে পাশের হার ২.৬৬ পার্সেন্ট, হতাশ এলাকাবাসী

একে আজাদ, রাজবাড়ী : রবিবার (২৬ নভেম্বর) এইচএসসি পরিক্ষার ফলাফল প্রকাশ করেছে শিক্ষা অধিদপ্তর। ফলাফল প্রকাশের পর পুরোই হতাশ রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার সরিষা ইউনিয়নবাসী। ইউনিয়নের বহলাডাঙ্গা বাজার সংলগ্নে অবস্থিত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু সরকারি কলেজ। এ কলেজ থেকে এ বছর (২০২৩ সালে) এইচএসসি পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৭৫ জন পরিক্ষার্থী। পাশ করেছে মাত্র ২জন পরিক্ষার্থী। যার পাশের হার মাত্র ২.৬৭। সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীদের এমন ফলাফলে পুরোই হতাশ এলাকার সচেতন মহল।

জানা যায়, কলেজটিতে অধ্যক্ষসহ পাঠদানের জন্য রয়েছে ২৭ জন শিক্ষক রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে ৪ জন অশিক্ষক ও ১৪ জন কর্মচারী ।

সোমবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কলেজে নেই অধ্যক্ষ। অন্যান্য শিক্ষকরা কলেজের মাঠে গল্প করছেন। সাংবাদিক জেনে কয়েকজন শিক্ষক শ্রেণি কক্ষে গিয়ে পাঠদান শুরু করেন। নোটিশ বোর্ডে নেই পরিক্ষার ফলাফল। কয়েকজন শিক্ষকের কাছে পরিক্ষার ফলাফল জানতে চাইলে অধ্যক্ষের সাথে কথা বলতে বলেন।

কলেজের অধ্যক্ষ মো. নবিউল ইসলামের মুঠোফোনে ফোন করে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি একটু ব্যস্ততার মধ্যে আছি। একটা ফাইলের কাজ করছি। আপনি কলেজের অন্যান্য সিরিয়র শিক্ষকদের সাথে কথা বলেন। তবে এ বিষয়ে কলেজের কোন শিক্ষক কথা বলতে রাজি হননি।

এলাকার সচেতন মহল জানান, কলেজটি ১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০২১ সালে কলেজটি সরকারি করণ করেছে মানোনীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কলেজটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে রেজাল্ট মোটামোটি ভালোছিলো। তবে সরকারি হওয়ার পর থেকে কলেজের রেজাল্টের মান অনেক খারাপ। সরকারি হওয়ার পর থেকে শিক্ষকরা ছাত্র-ছাত্রীদের ঠিকমত পাঠদান করান না বলেও জানান এলাকার সচেতন মহল।

এলাকার সচেতন মহল শিক্ষকদের দোষারোপ করলেও কলেজের বর্তমান শিক্ষার্থীরা জানান, কলেজের বেশিরভাগ শিক্ষার্থীরা শ্রেণি কক্ষে অনুপস্থিত থাকার কারণে রেজাল্টের মান এত খারাপ হয়েছে।

এ বিষয়ে সরিষা ইউনিয়নের সচেতন অনেক ব্যক্তি বলেন কলেজটি সরকারি হওয়ার আগে ম্যানেজিং কমিটি দ্বারা পরিচালিত হতো। তখন কলেজটি ভালই চলছে, পারিক্ষার রেজাল্টও ভালো হয়েছে। বর্তমানে সরকারি হওয়াতে মনে হচ্ছে শিক্ষকদের লাগাম ধরার মত কেউ নাই। এমন চলতে থাকলে এলাকার ভবিষৎ প্রজন্ম ধ্বংস হয়ে যাবে বলে মনে করেন সচেতন মহল। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।

(একে/এএস/নভেম্বর ২৮, ২০২৩)

পাঠকের মতামত:

২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test