E Paper Of Daily Bangla 71
Janata Bank Limited
Technomedia Limited
Mobile Version

আবারো জিম্বাবুয়ের কোচিং ডিরেক্টর ডেভ হাটন

২০২১ অক্টোবর ১৪ ২০:২৯:১৩
আবারো জিম্বাবুয়ের কোচিং ডিরেক্টর ডেভ হাটন

স্পোর্টস ডেস্ক : জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট দলের নতুন ক্রিকেট কোচিং ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পেলেন দেশটির সাবেক ক্রিকেটার ডেভ হাটন। নিজ দেশের ক্রিকেট কোচিং ডিরেক্টর হিসেবে এটিই হাটনের প্রথম দায়িত্বগ্রহণ নয়। এর আগে ২০০৯ সালেও তিনি এ দায়িত্ব পালন করেছেন।

এবারের দায়িত্বকালে জিম্বাবুয়ের সকল পর্যায়ের ক্রিকেটের উন্নতি ও কোচিং প্রোগ্রাম বাস্তবায়নের মূল দায়িত্ব পালন করবেন হাটন। জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট বোর্ডের বিবৃতি অনুযায়ী, হাটনের মূল কাজটি হবে খেলোয়াড়দের কাছ থেকে সেরাটা বের করে আনতে কোচদের সাহায্য করা। পাশাপাশি ২০২১-২০২২ মৌসুমে মাউন্টেইনারসের হেড কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন তিনি।

নব্বই দশকের শেষের দিকে জাতীয় দলের হেড কোচের দায়িত্বেও ছিলেন হাটন। ১৯৯৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে তার অধীনেই ভারত এবং দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে স্মরণীয় জয় পায় জিম্বাবুয়ে। সে আসরে সুপার সিক্সে জায়গা করে নিয়েছিলো হাটনের দল।

তার কোচিং অভিজ্ঞতার সিংহভাগ এসেছে ইংল্যান্ডের কাউন্টি ক্রিকেট থেকে। তিন বছর ডার্বিশায়ারের ক্রিকেট পরিচালকের দায়িত্ব পালন করার পর সেপ্টেম্বরে অব্যাহতি নেন তিনি। এর আগে ২০০৪-০৭ সাল পর্যন্ত এই দলের হয়ে কাজ করেছেন হাটন।

পরে নতুন মেয়াদে ২০১১ থেকে ২০১৩ পর্যন্ত ব্যাটিং কোচের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। এছাড়াও উরস্টারশায়ার, সমারসেট এবং মিডলসেক্স কোচিং স্টাফের দায়িত্বে ও ছিলেন তিনি।

খেলোয়াড় হিসেবে ৬৪ বছর বয়সী হাটন ছিলেন জিম্বাবুয়ের অন্যতম সেরা ব্যাটার। ১৯৯২ সালে ভারতের বিপক্ষে দেশের প্রথম টেস্টে তিনি অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন। সেই ম্যাচে তার ব্যাট থেকে আসে ৩২২ বলে ১২১ রানের ঝকঝকে ইনিংস। তার ২২ ম্যাচের টেস্ট ক্যারিয়ারে করা চার সেঞ্চুরির মধ্যে এটিই ছিলো প্রথম।

সবমিলিয়ে সাদা পোশাকের ক্যারিয়ারে ৪৩.০৫ গড়ে তার ঝুলিতে রয়েছে ১৪৬৪ রান। শ্রীলংকার বিপক্ষে ১৯৯৪ সালের বুলাওয়াতে তার খেলা ২৬৬ রান এখনও পর্যন্ত টেস্ট ক্রিকেটে জিম্বাবুয়ের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সংগ্রহ।

এছাড়া ওয়ানডে ফরম্যাটে ২৬.৩৭ গড়ে ১৫৩০ রান করেছেন হাটন। ১৯৮৭ সালে ভারতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ১৩৭ বলে ১৪২ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেন তিনি। সেই ম্যাচে ১০৪ রানে ৭ উইকেট হারানোর পর তার ইনিংসেই ভয়াবহ বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা পায় জিম্বাবুয়ে।

(ওএস/এএস/অক্টোবর ১৪, ২০২১)

পাঠকের মতামত:

২৯ নভেম্বর ২০২১

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test