E Paper Of Daily Bangla 71
Janata Bank Limited
Transcom Foods Limited
Mobile Version

সাত দিনে রবির নেই ৮ হাজার কোটি টাকা

২০২১ জানুয়ারি ২৫ ১৮:৩৭:১৫
সাত দিনে রবির নেই ৮ হাজার কোটি টাকা

স্টাফ রিপোর্টার : শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরুর প্রথম ১৫ কার্যদিবস টানা দাম বাড়লেও এখন টানা দরপতনের মধ্যে রয়েছে নতুন তালিকাভুক্ত রবি আজিয়াটার শেয়ার। গত সপ্তাহে প্রথমবারের মতো ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) দাম কমার শীর্ষ তালিকায় নাম লেখানো রবির শেয়ার দাম চলতি সপ্তাহের দুই কার্যদিবসেই কমেছে। এতে সাত কার্যদিবসে কোম্পানিটির শেয়ার দাম সম্মিলিতভাবে ৮ হাজার কোটি টাকারও বেশি কমে গেছে।

নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ এবং আইপিও খরচের জন্য প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) শেয়ার ছেড়ে ৫২৩ কোটি ৭৯ লাখ ৩৩ হাজার ৩৪০ টাকা সংগ্রহ করা রবি গত ২৪ ডিসেম্বর থেকে শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু হয়। লেনদেনের প্রথম দিন থেকে ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত টানা ১৫ কার্যদিবস দাম বাড়ে কোম্পানিটির। এর মধ্যে ১৪ কার্যদিবসেই দাম বাড়ার সর্বোচ্চ সীমা স্পর্শ করে তারা। এতে ১০ টাকা দামের শেয়ার দেখতে দেখতে ৭০ টাকা ১০ পয়সায় উঠে যায়। এরপরও কোম্পানিটির শেয়ারের ক্রেতা থাকলেও এক প্রকার বিক্রেতা সংকট ছিল।

তবে গত সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস ১৭ জানুয়ারি প্রথম দরপতনের কবলে পড়ে রবি। ওইদিন লেনদেনের শেষ দিকে বিনিয়োগকারীরা দফায় দফায় দাম কমিয়ে রবির শেয়ার বিক্রির চেষ্টা করলেও ক্রেতা পাওয়া যাচ্ছিল না। একই চিত্র দেখা দেয় ১৮ জানুয়ারিও। অবশ্য ২০ জানুয়ারি কোম্পানিটির শেয়ার দাম আবার বাড়ে। এরপরও গত সপ্তাহে রবি আজিয়াটার শেয়ার দাম কমে ১১ দশমিক ৯৮ শতাংশ। টাকার অঙ্কে প্রতিটি শেয়ারের দাম কমে ৮ টাকা ৪০ পয়সা।

এ পরিস্থিতিতে চলতি সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববারও কোম্পানিটির শেয়ার দরপতনের মধ্যে পড়ে। সেই সঙ্গে দেখা দেয় ক্রেতার অভাব। রোববারের ধারাবাহিকতায় সোমবারও বড় দরপতন হয় কোম্পানিটির। এতে চলতি সপ্তাহের দুই কর্যদিবসে কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ার দাম কমেছে ৭ টাকা।

এর মাধ্যমে শেষ সাত কার্যদিবসে রবির একটি শেয়ারে দাম কমেছে ১৫ টাকা ৪০ পয়সা। এতে সম্মিলিতভাবে কোম্পানিটির শেয়ার দাম কমেছে ৮ হাজার ৬৬ কোটি ৪১ লাখ ৭৩ হাজার টাকা। এভাবে দরপতনের পর এখন কোম্পানিটির শেয়ারের এক প্রকার ক্রেতা সংকট দেখা দিয়েছে।

অথচ এর আগে কোম্পানিটির শেয়ারের অস্বাভাবিক দাম বাড়ায় ডিএসই থেকে বিনিয়োগকারীদের সতর্কও করা হয়। এ বিষয়ে ডিএসই থেকে বলা হয়, রবির শেয়ারের অস্বাভাবিক দাম বাড়ার কারণে ৪ জানুয়ারি কোম্পানিটিকে নোটিশ করা হয়। জবাবে কোম্পানিটি জানিয়েছে- সম্প্রতি শেয়ারের অস্বাভাবিক দাম বাড়ার পেছনে কোনো অপ্রকাশিত মূল্য সংবেদশীল তথ্য নেই।

বিনিয়োগকারীদের সতর্ক করে গত ৫ জানুয়ারি ডিএসই থেকে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়। তবে এরপরও ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত লেনদেন হওয়া প্রতিটি কার্যদিবসে কোম্পানিটির শেয়ার দিনের দাম বাড়ার সর্বোচ্চ সীমা স্পর্শ করে। এর মাধ্যমে দেশের শেয়ারবাজারের ইতিহাসে কোনো কোম্পানি লেনদেন শুরুর প্রথম ১৩ কার্যদিবস দাম বাড়ার সর্বোচ্চ সীমা স্পর্শ করে। এভাবে দাম বাড়লেও যাদের কাছে কোম্পানিটির শেয়ার ছিল তারা বিক্রি করতে চাচ্ছিলেন না। ফলে তখন ক্রেতা থাকলেও এক প্রকার বিক্রেতা সংকট দেখা দিয়েছিল।

(ওএস/এসপি/জানুয়ারি ২৫, ২০২১)

পাঠকের মতামত:

০২ মার্চ ২০২১

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test