১০ লাখ ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা চালু করলেন ট্রাম্প
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বিভিন্ন দেশের ধনীদের জন্য সুখবর দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি ১০ লাখ ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ অভিবাসন ভিসা চালু করেছেন। বিদেশি ধনীদের মধ্যে যারা কমপক্ষে ১০ লাখ ডলার খরচ করতে পারবেন তাদের খুব দ্রুত মার্কিন ভিসা দেবে যুক্তরাষ্ট্র। খবর বিবিসির।
বুধবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ট্রাম্প বলেছেন, এই কার্ড সকল যোগ্য ও যাচাইকৃত ব্যক্তির জন্য ‘নাগরিকত্বের সরাসরি পথ’। খুবই এক্সাইটিং! আমাদের মার্কিন কোম্পানিগুলো অবশেষে তাদের অমূল্য প্রতিভাদের ধরে রাখতে পারবে।
এই প্রকল্পের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরুতে ট্রাম্পের ঘোষণা করা এই ‘ট্রাম্প গোল্ড কার্ড’ হলো এমন একটি মার্কিন ভিসা, যা তাদেরকেই দেওয়া হয় যারা প্রমাণ করতে পারবে যে তারা যুক্তরাষ্ট্রকে ‘যথেষ্ট সুযােগ-সুবিধা’ দিতে পারবে।
এই গোল্ড কার্ড এমন এক সময়ে দেওয়ার ঘোষণা এলো, যখন ওয়াশিংটন তাদের অভিবাসন নিয়ে নানারকম কড়াকড়ির ব্যবস্থা করেছে।
এর মধ্যে রয়েছে বৈধভাবে কাজের জন্য যে ভিসা দেওয়া হয় তার ফি বাড়ানো এবং অননুমোদিত অভিবাসীদের প্রত্যর্পণ বা নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া।
এই প্রকল্পের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, গোল্ড কার্ড স্কিম ‘উল্লেখযােগ্য সময়’ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং এজন্য এক মিলিয়ন ডলার ফি প্রয়োজন হবে যা বস্তুত ‘একটা প্রমাণ যে ওই ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্রের
প্রত্যেক আবেদনকারীর পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে সরকার অতিরিক্ত ফি নিতে পারে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে ওই ওয়েবসাইটে।
এক ব্যক্তিকে তার আবেদনটি যাচাই-বাছাই হওয়ার আগেই ১৫ হাজার ডলার প্রক্রিয়াকরণ ফি দিতে হবে যা অফেরতযোগ্য। ফেব্রুয়ারিতে প্রথম গোল্ড কার্ড স্কিমের ঘোষণা দেওয়ার পর থেকেই সেটি সমালোচনার মুখে পড়ে।
কয়েকজন ডেমোক্র্যাট বলেছেন, এই কার্ড ধনী ব্যক্তিদের অন্যায্যভাবে সুবিধা দেবে। ট্রাম্প যখন প্রথম এই পরিকল্পনার কথা জানান, তখন তিনি এই ভিসাগুলোকে গ্রিন কার্ডের মতো বলেই বর্ণনা করেছেন। এই কার্ড বিভিন্ন আয়ের স্তরের অভিবাসীদের যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাস এবং কাজ করার অনুমতি দেবে।
গ্রিন কার্ডধারীরা সাধারণত পাঁচ বছর পর নাগরিকত্বের জন্য যোগ্যতা লাভ করেন। কিন্তু এই গোল্ড কার্ডটি বিশেষভাবে ‘উচু মাপের’ পেশাদারদের লক্ষ্য করে তৈরি। ট্রাম্প গুরুত্ব দিয়ে বলেছিলেন, আমরা এমন লোক চাই যারা উৎপাদনশীল।
তিনি বলেন, যারা ৫০ লাখ ডলার দিতে পারবে, তারাই নিজেদের জন্য কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারবে। এটা ব্যাপকভাবে বিক্রি হতে চলেছে। এটা দর কষাকষির একটা ভালাে উপায়।
এই স্কিমের উদ্যোগ তখনই এসেছে যখন ট্রাম্প প্রশাসন দেশটি থেকে অবৈধ অভিবাসীদের বের করে দেওয়ার জন্য উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ ব্যয় করেছে। এ পর্যন্ত ১৯টি দেশের ব্যক্তিদের যাদের বেশিরভাগ আফ্রিকা এবং মধ্যপ্রাচ্যের তাদের অভিবাসনের আবেদনও স্থগিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
সরকার অ্যাসাইলাম বা আশ্রয় আবেদনের সব সিদ্ধান্তও স্থগিত করেছে। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসনের অধীনে অনুমোদিত হাজার হাজার মামলা পর্যালোচনার সিদ্ধান্তের কথাও জানিয়েছে সরকার।
এইচ-১ বি ভিসা প্রোগ্রামের আওতায় আবেদনকারী দক্ষ বিদেশি কর্মীদের জন্য এক লাখ ডলার ফি নেওয়ার একটি আদেশেও সেপ্টেম্বরে স্বাক্ষর করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।
এই সিদ্ধান্তের ফলে যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি শিক্ষার্থী এবং টেকনোলোজি ফার্মগুলো বা প্রযুক্তি সংস্থাগুলোর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
বিজ্ঞাপন
পরে হোয়াইট হাউজ বিষয়টি খোলাসা বা স্পষ্ট করে বলেছে, এই ফি কেবলমাত্র নতুন আবেদনকারীদের জন্য যারা বর্তমানে বিদেশে আছেন তাদের জন্য প্রযোজ্য হবে।
ইবি-৫ ভিসা একটা সীমিত সংখ্যায় দেওয়া হয়। এর আগে ট্রাম্প যখন প্রস্তাব করেছেন তখন বলেছিলেন, সরকার এক কোটি ‘গোল্ড কার্ড’ বিক্রি করে দেশটির বাজেট ঘাটতি কমাতে পারে।
গ্রিন কার্ডধারীরা যেমন বর্তমান ইবি-৫ ভিসা সুবিধার আওতায় যারা আছেন, তাদের সাধারণত নাগরিকত্বের জন্য যোগ্যতা অর্জন করতে পাঁচ বছর যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ ও স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে বসবাস করতে হয়।
২০০৪ সাল থেকে এইচ- ১বি ভিসা ক্যাটাগরিতে আবেদনের সংখ্যা প্রতি বছর ৮৫ হাজারে সীমাবদ্ধ রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। এতদিন এই ভিসার জন্য বিভিন্ন প্রশাসনিক ফি বাবদ মোট এক হাজার ৫০০ ডলার খরচ করতে হতো।
মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবা সংস্থা ইউএসসিআইএস এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আগামী অর্থবছরের জন্য এইচ- ১বি ভিসার আবেদন অনেকটাই কমে প্রায় তিন লাখ ৫৯ হাজারে নেমে এসেছে- যা চার বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।
(ওএস/এএস/ডিসেম্বর ১১, ২০২৫)
পাঠকের মতামত:
- পাবনায় ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার
- মহান মুক্তিযুদ্ধে আমার যুদ্ধ
- অন্য একটি দেশের আবদার রক্ষা করা এত জরুরি কেন?
- ইতালিতে হামলা, শারীরিকভাবে লাঞ্ছনার শিকার অভিনেত্রী বাঁধন
- ‘ট্রাইব্যুনালের সঙ্গে গুম প্রতিরোধ বিল সাংঘর্ষিক নয়’
- ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুরু হচ্ছে ৩ মাসব্যাপী বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান
- সালথায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ২০
- শুরু হচ্ছে চ্যাম্পিয়নস লিগ, কে জিতবে শিরোপা
- নির্দিষ্ট কাউন্টের সুতায় সুবিধা প্রত্যাহার, শর্তপূরণ সাপেক্ষে আমদানি
- ‘এই দেশে শিল্পী হওয়াটাও পাপ’
- ‘ধর্মীয় সম্প্রীতি নষ্টের অপচেষ্টা, তবু অটুট থাকবে সৌহার্দ্য’
- ‘আগামী বছর সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড ডে মিল’
- রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ
- ‘হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে অনড় সরকার, ভারতের কাছে প্রত্যাশা মুখ বন্ধ রাখা’
- ‘মেক্সিকো কারও উপনিবেশ হবে না’
- বারিনগর ঘাঁটি আক্রমণ, ৩১ রাজাকার নিহত
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কর্মদক্ষতা ও উৎপাদন কার্যকারিতা মূল্যায়নে বিশেষ প্রশিক্ষণ
- বড়াইগ্রামে ৪ মাদকাসক্ত যুবককে আটক ও জেল
- আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিতে এসে পিওন সিরাজুলের অস্বীকার
- পাংশায় ইসলামী চক্ষু হাসপাতালের নতুন ভিশন সেন্টারের উদ্বোধন
- সুন্দরবনের পর্যটন স্পটে ৩ দিনের পরিচ্ছন্নতা অভিযান
- দড়ি টেনে খেয়া পার করেন প্রতিবন্ধী জনি, সেই আয়ে চলে ছয় সদস্যের সংসার
- কাশিয়ানীতে পল্লী বিদ্যুতের স্বেচ্ছাচারিতায় গ্রাহক হয়রানি
- কাশিয়ানী এম এ খালেক কলেজে অধ্যক্ষের কক্ষে তালা
- ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্থর ফলক উন্মোচন করলেন রাষ্ট্রপতি
- কুমিল্লায় কাউন্সিলরসহ দুজনকে গুলি করে হত্যা
- হেমন্ত মানে
- কুমিল্লায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪
- বাংলার ঘরে ঘরে পালিত হল ভাই ফোঁটা
- চট্টগ্রামে ৩ দিনব্যাপী উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত সম্মেলন উদ্বোধন করবেন সুরস্রষ্টা শেখ সাদী খান
- ফকির আপ্তাব উদ্দিন খাঁর ৯১তম ওরশে ভক্তদের ঢল
- কেন্দুয়ায় অর্ধ শতাব্দি পর উন্মোচিত হলো বাউল কবি দীন শরৎ স্মৃতি ফলক ও জালাল মঞ্চ
- পঞ্চগড়ে ‘আমরাই প্রকৃতির স্বজন’ সংগঠনের শীতবস্ত্র বিতরণ
- জলে ডোবা স্বপ্ন
- লাখো মুসল্লীর আমিন আমিন ধ্বনিতে শেষ হলো কুড়িগ্রামের ইজতেমা
- পারাবত ট্রেনে ভয়াবহ আগুন, ঢাকা-সিলেট ট্রেন চলাচল বন্ধ
- নড়াইলের আলোচিত সেই কৃষি কর্মকর্তার পদাবনতি
- পঞ্চগড় সদরে শেষ হলো বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্নামেন্ট
- ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’র শুরুটা আশা জাগানিয়া
- লাইজু তুই এমপি হয়েছিস!
- নেত্রকোনা- ৩ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী রফিকুল ইসলাম হিলালীর সমর্থনে গণমিছিল
- সাংবাদিক বুলুর মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে অধিকতর তদন্তের দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন
- বাংলা একাডেমির নতুন মহাপরিচালক হারুন-উর-রাশীদ আসকারী
- ৩৯টি শহীদ পরিবারের মেলেনি ‘রাষ্ট্রীয়’ স্বীকৃতি, নির্মিত হয়নি স্মৃতিসৌধ
- মোড়লের ক্ষমতা আর নেই, বিশ্বাসযোগ্যতা হারাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
-1.gif)








