সৌদি-আমিরাত সম্পর্ক : বৈরিতা থেকে সমঝোতা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : দীর্ঘদিনের মতপার্থক্য কি এবার পেছনে ফেলে আবারও কাছাকাছি আসছে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত? সাম্প্রতিক কয়েকটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ও পারস্পরিক যোগাযোগ সেই সম্ভাবনাই সামনে এনেছে। বিশেষ করে ইয়েমেন, ইরান ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে তৈরি হওয়া চাপ দুই উপসাগরীয় শক্তিকে আবারও সহযোগিতার পথে আনছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
গত মঙ্গলবার রিয়াদে সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে বৈঠক করেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও উপপ্রধানমন্ত্রী শেখ মনসুর বিন জায়েদ আল নাহিয়ান। সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমানও বৈঠকে ছিলেন।
আমিরাতের প্রতিনিধি দলে ছিলেন সুপ্রিম কাউন্সিল ফর ন্যাশনাল সিকিউরিটির মহাসচিব আলী বিন হাম্মাদ আল শামসি, ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি, ক্রাইসিস অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটির চেয়ারম্যান আলী সাঈদ মাতার আল নেয়াদি এবং আরও কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্ক ও আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়।
আমিরাতের প্রধান দৈনিক দ্য ন্যাশনাল এই সফরকে দুই দেশের দীর্ঘদিনের অংশীদারত্বের অংশ হিসেবে তুলে ধরেছে। তবে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স জানিয়েছে, গত বছর ইয়েমেন ইস্যুতে বড় ধরনের মতবিরোধের পর এটিই ছিল আমিরাতের কোনো জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার প্রথম গুরুত্বপূর্ণ সৌদি সফর।
অর্থাৎ, প্রকাশ্য বার্তায় দুই দেশের সম্পর্ককে ‘ভ্রাতৃপ্রতিম’ বলা হলেও এর পেছনে রয়েছে বেশ কিছু জটিল সমীকরণ।
সৌদি আরব ও আমিরাত একসময় ইয়েমেনে ইরান-সমর্থিত হুথিদের বিরুদ্ধে একই জোটে ছিল। ২০১৫ সালে তারা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রেসিডেন্ট আবদুর রাব্বু মনসুর হাদির সরকারকে সমর্থন করে ইয়েমেনে সামরিক হস্তক্ষেপ করে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে দুই দেশের লক্ষ্য আলাদা হতে শুরু করে।
সৌদি আরব ইয়েমেনের কেন্দ্রীয় সরকারকে সমর্থন দিয়ে দেশটির ভৌগোলিক অখণ্ডতা ধরে রাখার পক্ষে ছিল। অন্যদিকে আমিরাত দক্ষিণ ইয়েমেনের বিচ্ছিন্নতাপন্থী সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিল বা এসটিসিকে সমর্থন দেয়। ২০২৫ সালে এই মতবিরোধ আরও তীব্র হয় এবং দুই দেশের সম্পর্কে প্রকাশ্য ফাটল তৈরি হয়। পরে আমিরাত ইয়েমেন থেকে নিজেদের সেনা প্রত্যাহার করে।
ইয়েমেনের পাশাপাশি সুদান, ইরান ও আঞ্চলিক অর্থনৈতিক নীতি নিয়েও রিয়াদ ও আবুধাবির মধ্যে মতপার্থক্য ছিল। তেলের বাজার নিয়েও দুই দেশের অবস্থান সবসময় এক ছিল না। ২০২৩ সালে আমিরাত তেল উৎপাদন নিয়ে মতপার্থক্যের মধ্যে ওপেক থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
ইসরায়েলের সঙ্গেও দুই দেশের নীতিতে পার্থক্য রয়েছে। ২০২০ সালের আব্রাহাম অ্যাকর্ডের আওতায় সংযুক্ত আরব আমিরাত ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করে। সৌদি আরব এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে সেই পথে যায়নি। সাম্প্রতিক আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যে রিয়াদ বরং তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে নিরাপত্তা সহযোগিতা বাড়িয়েছে।
নতুন বাস্তবতায় বদলাচ্ছে হিসাব
সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে ইয়েমেন ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা আবারও সৌদি-আমিরাত সম্পর্কের কেন্দ্রে চলে এসেছে। ২৯ সেপ্টেম্বর মনসুর বিন জায়েদের রিয়াদ সফরটি হয় এমন এক সময়ে, যখন সৌদি আরব হুথিদের হামলার মুখে রয়েছে এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতিও অস্থির। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক মেরামতের উদ্যোগের পেছনে এই নতুন নিরাপত্তা বাস্তবতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
এর আগের দিন, ২৮ সেপ্টেম্বর, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু আবুধাবি সফর করেন। তবে মনসুর বিন জায়েদের সৌদি সফরের আনুষ্ঠানিক ঘোষণায় ইসরায়েল বা কোনো আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা কাঠামোর কথা বলা হয়নি। ফলে বৈঠকে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে-এমন দাবিকে নিশ্চিত তথ্যের বদলে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে সৌদি আরবের জন্য হুথি হুমকি আবারও বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে। ইয়েমেনের হুথিরা সৌদি ভূখণ্ড ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। একই সঙ্গে ইরানকে ঘিরে আঞ্চলিক সংঘাত উপসাগরীয় দেশগুলোর নিরাপত্তা ও বাণিজ্যপথকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে।
হরমুজ প্রণালী ঘিরে উত্তেজনা এবং লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দাবের নিরাপত্তা সংকটও উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য বড় উদ্বেগ। ফলে এককভাবে নিরাপত্তা মোকাবিলার বদলে আঞ্চলিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা নতুন করে সামনে এসেছে।
এই বাস্তবতার মধ্যেই সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান বুধবার শুরা কাউন্সিলে দেওয়া ভাষণে বলেন, উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ বা জিসিসিভুক্ত দেশগুলোর ওপর হামলা প্রমাণ করে যে উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা অবিচ্ছেদ্য। তিনি জিসিসিভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে কৌশলগত সহযোগিতা, অর্থনৈতিক সমন্বয় এবং যৌথ কার্যক্রম আরও জোরদারের কথা বলেন।
পাকিস্তান-তুরস্কের সঙ্গে নতুন প্রতিরক্ষা কাঠামো
সৌদি আরব এরই মধ্যে আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদারে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে। গত ৭ আগস্ট সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ স্বাক্ষর করে। চুক্তি অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করার কথা বলা হয়েছে। পাকিস্তান জানিয়েছে, চুক্তিটি প্রতিরক্ষামূলক এবং কোনো নির্দিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে নয়।
আগস্টের শেষ দিকে চুক্তিটির আওতায় তিন দেশ কৌশলগত রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা কমিটির প্রথম বৈঠকও করে। সেখানে পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা নীতির সমন্বয় এবং সামরিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে কাঠামো তৈরির সিদ্ধান্ত হয়।
এর পাশাপাশি সৌদি আরব আন্তর্জাতিক সমুদ্রপথের নিরাপত্তা রক্ষায় বহুজাতিক সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতার উদ্যোগও নিয়েছে। ফলে রিয়াদ এখন একদিকে পাকিস্তান ও তুরস্কের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়াচ্ছে, অন্যদিকে উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যেও সমন্বয় জোরদারের চেষ্টা করছে।
আবার কি একসঙ্গে হাঁটবে রিয়াদ-আবুধাবি?
সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো থেকে অন্তত এটুকু স্পষ্ট যে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে যোগাযোগ আবার বেড়েছে। জুলাইয়ে দুই দেশের কর্মকর্তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিন্ন ইতিহাস ও ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন। আগস্টে আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ সৌদি বাদশাহ সালমানকে ডিসেম্বরে আবুধাবিতে অনুষ্ঠেয় জাতিসংঘের পানিবিষয়ক সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানান।
তবে সম্পর্ক পুরোপুরি আগের অবস্থায় ফিরে গেছে-এমন সিদ্ধান্তে যাওয়ার মতো তথ্য এখনো নেই। কারণ ইয়েমেন, সুদান, ইরান ও আঞ্চলিক রাজনীতি নিয়ে দুই দেশের নীতিগত পার্থক্য এখনো রয়েছে। রয়টার্সও বলছে, দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের ফাটল তৈরি হওয়ার পেছনে ইয়েমেনের পাশাপাশি বিভিন্ন পররাষ্ট্রনীতিগত মতবিরোধ কাজ করেছে।
তারপরও বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি দুই দেশকে নিজেদের মতপার্থক্য সামলে অভিন্ন স্বার্থের জায়গাগুলোতে ফের সহযোগিতার দিকে ঠেলে দিতে পারে। বিশেষ করে হুথি হামলা, ইরানকে ঘিরে উত্তেজনা এবং উপসাগরীয় বাণিজ্যপথের নিরাপত্তা-এই তিনটি বিষয় রিয়াদ ও আবুধাবির মধ্যে নতুন সমন্বয়ের ক্ষেত্র তৈরি করছে।
ফলে মনসুর বিন জায়েদের রিয়াদ সফরকে শুধু আনুষ্ঠানিক সৌজন্য সাক্ষাৎ হিসেবে দেখার পাশাপাশি দুই দেশের সম্পর্ক মেরামতের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত হিসেবেও দেখছেন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকেরা। তবে এই যোগাযোগ স্থায়ী রাজনৈতিক সমঝোতায় রূপ নেয় কি না, তা অনেকটাই নির্ভর করবে ইয়েমেন ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে দুই দেশের পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর।
তথ্যসূত্র : এনডিটিভি
(ওএস/এএস/অক্টোবর ০২, ২০২৬)
পাঠকের মতামত:
- ‘ফ্যাসিবাদ ফিরে এলে দায় নিতে হবে জামায়াতকে’
- সাহিত্যে নোবেল পেলেন কানাডার অ্যান কারসন
- নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন দক্ষিণ আফ্রিকার নাভি পিলাই
- গাজীপুরে বিকাশ এজেন্টের কর্মীকে গুলি করে ৩ কোটি টাকা লুট
- ‘বিএনপি করায় অনেক জুলাইযোদ্ধাকে গেজেটভুক্ত করা হয়নি’
- ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগ নেতা এ্যাডভোকেট বাবুল আর নেই
- অক্টোবরের ৯ দিনেই ডেঙ্গুতে ৫০ মৃত্যু
- বিশ্ব জনমত বাংলাদেশের পক্ষে : সরদার শরণ সিং
- জামালপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল হকের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত
- আমবাগান থেকে অবিস্ফোরিত ৪২টি ককটেল উদ্ধার
- চেতনানাশক ওষুধের বিষক্রিয়ায় সাবেক পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যু
- আগাম ফুলকপিতে পচন, মাঠেই নষ্ট হচ্ছে কৃষকের স্বপ্ন
- শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উদ্যােগে জামালপুরে শ্রমিক সমাবেশ
- ঈশ্বরদীতে বিশেষ অভিযান: দু’টি ওয়ান শুটারগান ও দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ২৩
- চিত্রশিল্পী এসএম সুলতানের ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শিশু-কিশোরদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা
- বাবার মৃত্যুর ৩ দিন পর ধর্ষণের শিকার ৪ বছরের কন্যাশিশু, গ্রেপ্তার ১
- ডাক বিভাগ: সম্পদ আছে, সক্ষমতা নেই
- প্রেমের ফাঁদে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিত চক্র, দুই নারীসহ গ্রেপ্তার ৩
- রূপপুরের প্রথম ইউনিটে কমিশনিংয়ের মাইলফলক অর্জন, ফিজিক্স টেস্টের জন্য বায়রার অনুমোদন
- সালথায় নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
- ‘১২ লাখ রোহিঙ্গার বোঝা একা বহন করতে পারে না বাংলাদেশ’
- ‘গ্ল্যামার থাকলেই ইন্ডাস্ট্রিতে টিকে থাকা যায় না’
- ‘শাক দিয়ে মাছ ঢাকার হাতিয়ার গণমাধ্যম’
- ছুটির দিনে ঢাকার বায়ু অস্বাস্থ্যকর
- ওমানে আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ খেলবে বাংলাদেশের যুবারা
- সিলেটের ঘরে ঘরে পাকা ধানের মৌ মৌ গন্ধ
- সরকারি বিল ইজারা নিয়েও মাছ ধরতে পারছেনা জেলেরা
- লোহাগড়া পৌর নির্বাচনে নৌকার জয়
- বিশ্ব জনমত বাংলাদেশের পক্ষে : সরদার শরণ সিং
- ঐতিহাসিক জালাল মঞ্চে বসেছিলো শত কবির মিলনমেলা উৎসব
- যশোরে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কর্মবিরতি
- নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা নুরের, স্বতন্ত্র প্রার্থী ঘিরে নজরদারি দাবি
- জিয়া সেদিন বঙ্গবন্ধুকে কথা দিয়েছিলেন, 'স্যার, আমার বুক বিদ্ধ না করে বুলেট আপনার গায়ে লাগতে পারবে না'
- ধামরাইয়ে রাস্তা ঘাট এবং ড্রেন নির্মাণের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন
- উপজেলা ও পৌর বিএনপির দু’টি কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ, পাল্টা শো-ডাউন কমিটির নেতাদের
- কেশবপুরে যৌথবাহিনীর অভিযানে আটক যুবদল নেতা উজ্জ্বলের মৃত্যু
- রাজশাহীতে সারজিস আলমকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা
- ‘দাঁড়িপাল্লার এক পাল্লায় আমেরিকা, অন্য পাল্লায় ভারত’
- মোড়লের ক্ষমতা আর নেই, বিশ্বাসযোগ্যতা হারাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
- বৃহস্পতিবার রাজশাহী যাচ্ছেন তারেক রহমান
- কেন্দুয়ায় টিউবওয়েলও বরাদ্দ নেই, টাকাও ফেরত নেই
- 'তোমার নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর প্রথম যে ব্যক্তিটি খুনি মোশতাককে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন, তিনি মাওলানা হামিদ খান ভাসানী, যাকে তুমি পিতৃজ্ঞানে শ্রদ্ধা করতে'
- ফানুস উৎসব থেকে বলছি
- নানা সংকটে নড়াইলের বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ গ্রন্থাগার ও স্মৃতি যাদুঘর
- অক্টোবরের ৯ দিনেই ডেঙ্গুতে ৫০ মৃত্যু
-1.gif)








