বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধুর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও পিতার পথে শেখ হাসিনার এগিয়ে চলা
মানিক লাল ঘোষ
রাশিয়া-ইউক্রেন এবং ইসরাইল-ইরান-প্যালেস্টাইনের যুদ্ধে মানবতা আজ নির্বাসিত। ফিলিস্তিনে নির্বিচারে শিশু, নারী, বৃদ্ধার মৃত্যুতে পরাশক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রশ্নে নিরব বিশ্বমোড়লরা। নির্যাতিত নিপীড়িত মানুষের পক্ষে আজ যখন বঙ্গবন্ধুর মতো একজন সাহসী, বিচক্ষণ নেতার বড্ড বেশি প্রয়োজন।
রাজনৈতিক জীবনে কখনো সংঘাত চাননি তিনি। কখনো সহ্য করেননি মানবতার অবমাননা। নিজের জন্য না ভেবে আমৃত্যু লড়াই সংগ্রাম করে গেছেন গণমানুষের অধিকার আদায়ের জন্য। তিন আমাদের অহংকার, বিশ্বমানবতার পরম বন্ধু জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বিশ্বের মুক্তিকামী নিপীড়িত মেহনতী মানুষের অবিসংবাদিত নেতা ছিলেন তিনি। নিপীড়িত মানুষের মুক্তির এই দিশারী আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন সাম্য, স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য। বাঙালির মুক্তি সংগ্রাম, তাদের অধিকার আদায়ে সহ্য করেছেন জেল, জুলুম, অত্যাচার, নির্যাতনের স্টিম রোলার। শুধু বাংলাদেশের নয়, বিশ্বের সকল নিপীড়িত মানুষের পক্ষে সোচ্চার ছিলেন তিনি। গণমানুষের পক্ষে তার এই সাহসী অবস্থান ও বিশ্ব মানবতার পক্ষে সবসময় সোচ্চার থাকার স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭৩ সালের ২৩ মে বিশ্বশান্তি পরিষদ ‘জুলিও কুরি’ শান্তি পদকে ভূষিত করে বাংলাদেশের স্বাধীনতার মহান স্থপতি ও বাঙালি জাতিরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে।
এই ২৩ মে দিনটি ছিলো বাংলাদেশের জন্য গৌরবোজ্জ্বল মহান দিন। বঙ্গবন্ধুর এই পদক লাভে স্বাধীনতার পর আন্তর্জাতিক বিশ্বে দ্বিতীয়বারের মতো মর্যাদায় উচ্চারিত হয় বাংলাদেশের নাম। বিশ্বশান্তি পরিষদের শান্তিপদক বঙ্গবন্ধুর কর্মের স্বীকৃতি। এটি ছিল বাংলাদেশের প্রথম আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি, আন্তর্জাতিক সম্মান। জাতির পিতার এই পদকপ্রাপ্তি অন্যান্য রাষ্ট্রের কাছ থেকে সদ্যস্বাধীন বাংলাদেশের স্বীকৃতি আদায় ও জাতিসংঘসহ বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার সদস্যপদ লাভকে ত্বরান্বিত করেছিল।
বিশ্ববিখ্যাত নোবেল বিজয়ী দম্পতি মেরি কুরি ও পিয়েরে কুরি ছিলেন বিশিষ্ট পদার্থবিজ্ঞানী। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় এক্সরে’র সংকট দেখা দিলে নিজেদের প্রচেষ্টায় প্রায় ১০ লাখ মানুষকে এক্সরে সেবা দিয়েছিলেন এই দম্পতি। বিশ্বশান্তির সংগ্রামে এই বিজ্ঞানী দম্পতির অবদান অপরিসীম। এই অবদানকে যুগ থেকে যুগান্তর চিরস্মরণীয় করে রাখার জন্য তাদের নামে ১৯৫০ সাল থেকে ফ্যাসিবাদ, সাম্রাজ্যবাদবিরোধী সংগ্রামে ও মানবতার কল্যাণে শান্তির স্বপক্ষে বিশেষ অবদানের জন্য ব্যক্তি ও সংগঠনকে ‘জুলিও কুরি’ পদক প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্বশান্তি পরিষদ।
পাকিস্তান রাষ্ট্রটি গঠন হওয়ার শুরু থেকেই পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে বৈষম্য, সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালিদের ওপর অন্যায়, নির্যাতন-নিপীড়ন প্রথম থেকেই মেনে নিতে পারেননি বঙ্গবন্ধু। বাঙালির ওপর প্রথম আঘাত যখন আসে ভাষার ওপর। তখনই বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষার দাবিতে ১৯৪৮ সালেই পাকিস্তানি শাসকদের বিরূদ্ধে প্রথম রুখে দাঁড়ান বাঙালির এই অবিসংবাদিত নেতা। ৫২’এর ভাষা আন্দোলন, ৬৬’র ছয়-দফা, ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান এবং ৭০ এর নির্বাচনে বিজয়। এভাবেই চলতে থাকে মুক্তিকামী বাঙালির ধারাবাহিক আন্দোলন।
১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানের জনসভায় পাকিস্তানের বিরূদ্ধে স্বাধীনতার ডাক দেন বঙ্গবন্ধু। ঘোষণা দেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম’। ৭ মার্চের ভাষণই মূলত স্বাধীনতার ঘোষণা। বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশমাতাকে স্বাধীন করতে পাকিস্তানি হায়েনাদের বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে বীর বাঙালি। দীর্ঘ নয় মাস মুক্তিযুদ্ধ শেষে লাল সবুজের পতাকায় অভ্যুদয় ঘটে স্বাধীন বাংলাদেশের।
১৯৭২ সালের ১০ অক্টোবর পৃথিবীর ১৪০টি দেশের শান্তি পরিষদের ২০০ প্রতিনিধির উপস্থিতিতে বিশ্ব শান্তি পরিষদ বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টাকে ‘জুলিও কুরি’ শান্তিপদক দেওয়ার সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত নেয়।
১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে ১০ জানুয়ারি স্বদেশের মাটিতে ফিরে আসেন বঙ্গবন্ধু। দেশে ফিরে এসেই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি। সবার প্রতি বন্ধুত্ব, কারও প্রতি বৈরিতা নয়- এই মতবাদে পররাষ্ট্রনীতি ঘোষণা করেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। পররাষ্ট্রনীতি ঘোষণা করে বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘পৃথিবীর বৃহত্তম শক্তি যে অর্থ ব্যয় করে মানুষ মারার অস্ত্র তৈরি করছে, সেই অর্থ গরিব দেশগুলোকে সাহায্য দিলে পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠা হতে পারে।’
আঞ্চলিক ও বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধুর অবদান ছিলো স্পষ্ট। বিভিন্ন সময় বঙ্গবন্ধু তার দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্যে বলেছিলেন, ‘আমরা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াকে শান্তি, স্বাধীন এবং নিরপেক্ষ এলাকায় পরিণত করার পক্ষে সমর্থন জানাই’। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধুর এ দিক-নির্দেশনা এখনও সবার মুখে মুখে। মানবজাতির অস্তিত্ব রক্ষায় শান্তিই আজ সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।
১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি বাংলার অবিসংবাদিত নেতা শেখ মুজিবুর রহমানকে তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে ছাত্র-জনতা কৃতজ্ঞচিত্তে বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন। ১৯৭২ সালের ১০ অক্টোবর পৃথিবীর ১৪০টি দেশের শান্তি পরিষদের ২০০ প্রতিনিধির উপস্থিতিতে বিশ্ব শান্তি পরিষদ বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টাকে ‘জুলিও কুরি’ শান্তিপদক দেওয়ার সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত নেয়।
১৯৭৩ সালের ২৩ মে ঢাকায় আয়োজিত আন্তর্জাতিক সম্মেলনে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে বিশ্বশান্তি পরিষদের প্রতিনিধিরা যোগদান করেন। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের উন্মুক্ত প্লাজায় অনুষ্ঠিত হয় এই সম্মেলন। বিশ্বশান্তি পরিষদ আয়োজিত অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক কূটনীতিকদের বিশাল সমাবেশে বিশ্বশান্তি পরিষদের তৎকালীন মহাসচিব রমেশ চন্দ্র মুক্তি আন্দোলনের মহানায়ক বঙ্গবন্ধুকে জুলিও কুরি পদক প্রদান করেন। এসময় তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শুধু বঙ্গবন্ধু নন, আজ থেকে তিনি বিশ্ববন্ধুও বটে।’ সেদিন থেকেই বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে স্বীকৃত বিশ্ববন্ধু শেখ মুজিব হিসেবে।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববন্ধুর সম্মান পেয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন, ‘এ সম্মান কোনো ব্যক্তি বিশেষের জন্য নয়। এ সম্মান বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে আত্মদানকারী শহীদদের, স্বাধীনতা সংগ্রামের বীর সেনানীদের। জুলিও কুরি শান্তি পদক সমগ্র বাঙালি জাতির।’
বিশ্বের শান্তি প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে সর্বোচ্চ স্বীকৃতি ‘জুলিও কুরি’ পদক। বঙ্গবন্ধু ছাড়াও এ বিরল সম্মান অর্জন করেছেন ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতা প্রথম প্রধানমন্ত্রী জহরলাল নেহেরু, কিউবার ফিদেল কাস্ট্রো, চিলির সার্ভে আলেন্দে, ফিলিস্তিনের ইয়াসির আরাফাত, ভিয়েতনামের হো চি মিন, দক্ষিণ আফ্রিকার নেলসন ম্যান্ডেলা, ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী, কবি ও রাজনীতিবিদ পাবলো নেরুদা, মার্টিন লুথার কিংসহ বিশ্বের বরেণ্য ব্যক্তিবর্গ।
পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে বিশ্ব মানবতার পথেই হাঁটছেন উত্তরাধিকারী জননেত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশসহ বিশ্বের শান্তি প্রতিষ্ঠায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। নিজ দেশের অর্থনৈতিক, ভৌগোলিক নানাবিধ সমস্যার কথা না ভেবে শুধু মানবিক কারণে নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে বিশ্বে আজ ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’র স্বীকৃতি পেয়েছেন শেখ হাসিনা। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশিত ও আদর্শিক পথেই হাঁটছেন তিনি। যুদ্ধ নয় শান্তি চাই এই পথ পরিক্রমায় বরাবরই বিশ্বের পরাশক্তিধর রাষ্ট্রগুলোর শাষকের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে শান্তির পক্ষে সাহসী অবস্থান তার। দেশে বিদেশে সকল বিভিন্ন ফোরামে শান্তি স্বপক্ষে তার উদাত্ত আহবান বিশ্ব প্রশংসিত।
এইতো সর্বশেষ ২৫ এপ্রিল ব্যাংককে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয়-বিষয়ক জাতিসংঘের সামাজিক ও অর্থনৈতিক কমিশনের (ইউএনএসক্যাপ) সম্মেলনের ৮০তম সেশনে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার আহবান জানান তিনি।
রাশিয়া-ইউক্রেন এবং ইসরাইল-ইরান-প্যালেস্টাইনের যুদ্ধ বন্ধ করতে বিশ্বনেতাদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিন বলেন যুদ্ধ কখনো কোনো সমাধান দিতে পারে না। এটা অবশ্যই বন্ধ হওয়া উচিত। নারী-শিশু-সব বয়সী মানুষ এর শিকার হয়ে জীবন দিচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধের ভয়াবহতা আমি জানি। বাংলাদেশ কোনো যুদ্ধ চায় না। আলোচনার মাধ্যমে যে কোনো সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। যারা এখনো বিভিন্নভাবে কষ্ট পাচ্ছেন যুদ্ধের কারণে, তাদের দিকে দেখে বিশ্বনেতাদের যুদ্ধ বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া উচিত।
পিতার দেখানো পথে জননেত্রী শেখ হাসিনার এই অগ্রযাত্রায় শুভকামনা আর ‘জুলিও কুরি’ শান্তি পুরস্কার প্রাপ্তির ৫১তম বার্ষিকীতে বিনম্র শ্রদ্ধা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি। যার কাছে শুধু বাঙালির নয়, আজন্ম ঋণ বিশ্বের নিপীড়িত মানুষের। অধিকার আদায়ের সংগ্রামে বঙ্গবন্ধু হোক দেশ-দেশান্তরে যুগ-যুগান্তরে আজন্মের প্রেরণা।
লেখক : ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সহ ও বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যনির্বাহী সদস্য।
পাঠকের মতামত:
- রিজার্ভ চুরির প্রতিবেদন পিছিয়ে ১৮ ফেব্রুয়ারি
- প্রবাসে কর্মসংস্থান বাড়াতে ৬০ হাজার চালককে প্রশিক্ষণ দেবে সরকার
- গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনলাইনে প্রকাশ
- ‘জাস্টিস ফর হাদি, ইনশাআল্লাহ’
- ‘পোস্টাল ব্যালটের ভাঁজে ধানের শীষ উদ্দেশ্যমূলক’
- 'শীঘ্রই শেখ মুজিবের সরকার হতে যাচ্ছে'
- আজ মাগুরার বরেণ্য শিক্ষাবিদ ও সামাজিক সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ভাষাসৈনিক খান জিয়াউল হকের চতুর্থ মৃত্যু বার্ষিকী
- আখেরি মোনাজাতের মধ্যদিয়ে শেষ হলো বিশ্ব জাকের মঞ্জিলের ওরস শরীফ
- শ্রীনগরের একাধিক ইউনিয়নে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনার দোয়া মাহফিল
- লৌহজংয়ে মাদক ও চোরাই মালামালসহ আটক ৩
- স্বতন্ত্র প্রার্থী জাকারিয়া পিন্টুর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা
- কুড়িগ্রামে ২ আওয়ামী লীগ নেতার পদত্যাগ
- সাতক্ষীরায় বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল যুবদল নেতার
- বিশেষ অবদানের জন্য ৫৬০ জনকে পুরস্কৃত করলো ওয়ালটন হাই-টেক
- নড়াইলে খালেদা জিয়ার স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল
- ফরিদপুরে যৌথবাহিনীর অভিযানে মাদকসহ গ্রেপ্তার ১
- ফরিদপুরে জাতীয় যুব শক্তির উদ্যোগে হ্যাঁ ভোটের প্রচারণায় লিফলেট বিতরণ
- বক্তব্য বিকৃত করে ভিন্ন খাতে ব্যবহারের প্রতিবাদে ফরিদপুরে সংবাদ সম্মেলন
- টাঙ্গাইলে টেলিভিশন রিপোর্টার্স ফোরামের পরিচিতি সভা
- সারাদেশে ৬২ হাজারের বেশি শীতবস্ত্র বিতরণ করল ব্র্যাক ব্যাংক
- শীত উপেক্ষা করে নড়াইলে বোরো ধান চাষে ব্যস্ত কৃষকরা
- ‘বেগম খালেদা জিয়া পৃথিবীর ইতিহাসে একজন বিরল মা’
- জামালপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় ৪ জনের কারাদণ্ড
- মহম্মদপুরে ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা সম্পন্ন
- পাবনার শামসুল হুদা ডিগ্রি কলেজে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগে অনিয়ম
- রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গোলাগুলি, পুলিশ সদস্য গুলিবিদ্ধ
- ঝালকাঠিতে যুবলীগের ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত
- খাগড়াছড়িতে শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যা
- পানিবন্দি লক্ষাধিক মানুষ, একজনের মরদেহ উদ্ধার
- ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’ পটুয়াখালীতে প্রস্তুত ৮২৯ আশ্রয়কেন্দ্র
- কুমিল্লায় পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করেছে কোটা বিরোধী আন্দোলনকারীরা
- আবু সাঈদ নিহত হওয়ার ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্য বরখাস্ত
- বরগুনায় পুকুর থেকে ধরা পড়লো নিষিদ্ধ সাকার মাছ
- একুশে বইমেলায় কবি শাহেদ কায়েসের চার বই
- বঙ্গবন্ধু সেতুতে ট্রাকের পেছনে বাসের ধাক্কা, নিহত ৩
- আদমদীঘিতে তিন জুয়াড়ি গ্রেপ্তার
- ‘আসবে নতুন দিন, বদলে যাবে বাংলাদেশ’
- দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেলো নতুন তিন সিনেমা
- প্রধান উপদেষ্টার নিউ ইয়র্ক আগমনে বিএনপির আনন্দ, আ.লীগের বিক্ষোভ
- নবীনগরে সুশান্ত হত্যার এক মাসেও গ্রেপ্তার হয়নি কেউ
- ঘণ্টায় ৪৭২.৪১ কিলোমিটার গতির রেকর্ড করলো বিওয়াইডির ইয়াংওয়াং ইউ৯
- ‘শেখ হাসিনা অসহায় মানুষদের পরম বন্ধু’
- 'কী কঠিন হৃদয় তার! এই জন্যই বুঝি তিনি সানগ্লাসে চোখ ঢেকে রাখতেন; চোখ দেখলেও নাকি খুনী চেনা যায়!'
- দশ মাসে আ.লীগের ৩ হাজার নেতাকর্মী গ্রেপ্তার
- তরুণ বিজ্ঞানীদের রুশ ‘ভিজভ’ পুরষ্কার জেতার সুযোগ
-1.gif)








