E Paper Of Daily Bangla 71
World Vision
Walton New
Mobile Version

শিশু শিক্ষায় জ্যাঁ পিয়াজের দর্শন

২০২৪ জুন ২৩ ১৬:৪১:২১
শিশু শিক্ষায় জ্যাঁ পিয়াজের দর্শন

মারুফ হাসান ভূঞা


শিশু শিক্ষায় প্রাথমিক যে বিষয়টি সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ তা হলো শিশুর সহজাত জ্ঞান বিকাশের প্রক্রিয়ার সচল ঘটানো। শিশু ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর থেকে যে নতুন নতুন স্নায়ুকোষ তৈরি ও ধ্বংস হয় এবং প্রতিনিয়ত যে স্নায়ুকোষের সংযোজন তৈরি হয়, তাঁর মাধ্যমে শিশুর মস্তিষ্ক সচল হতে শুরু করে। মস্তিষ্ক তখন শিশুকে জানতে, শিখতে, দক্ষতা তৈরি ও চিন্তা করতে, সহায়তা করে। শিশুর এই বিকাশের স্তরটাই শিশু শিক্ষার প্রাথমিক ও প্রধান গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই স্তরে শিশুর মস্তিষ্ক গঠিত হয়, গঠিত হওয়ার এই সময়ে শিশুর আত্ম-নিয়ন্ত্রণ, সমস্যা সমাধান, আবেগ ও যোগাযোগমূলক আচরণের বিকাশ গঠন শুরু হয়। এই ক্ষেত্রে শিশু যে পরিবেশে বড় হয় সেখান থেকে অর্জিত অভিজ্ঞতা তাঁর স্নায়ুকোষের সংযোগগুলোকে প্রজ্বলিত ও উন্নত করে। এই জন্য শিশুর জ্ঞান বিকাশে পরিবেশ ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পরিবেশ যত উন্নত হবে, শিশুর জ্ঞান বিকাশও তত উন্নত হবে।

শিশু শিক্ষায় শারীরিক ও মানসিক ক্ষমতাকে সচল করে মনোবৈজ্ঞানিক শিক্ষাদান পদ্ধতির গবেষণামূলক মতবাদ দেন জ্যঁ পেঁয়াজ। জ্যাঁ পিঁয়াজের মতবাদ শিশু শিক্ষার উন্নয়নে কার্যকরী ভূমিকা রেখেছে। জ্যাঁ পিয়াজ শিশুর বুদ্ধির বিকাশ ঘটার প্রক্রিয়া সম্পর্কে আকর্ষিত হয়ে ব্যাপকভাবে গবেষণা শুরু করেন। যার ফলে জ্যাঁ পিয়াজ জীববিজ্ঞানী হওয়া সত্ত্বেও মনোবৈজ্ঞানের প্রতি কৌতূহলী হয়ে পড়েন। এবং আবিষ্কার করেন শিশু শিক্ষায় মনোবৈজ্ঞানিক মতবাদ। জ্যাঁ পিয়াজের মতে মানুষ কার্যত নিজের জ্ঞান ও বুদ্ধিকে সরাসরি প্রয়োগ করে শিখে। এবং শিখন হচ্ছে কতগুলো মানসিক প্রক্রিয়ার ফল। এই প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে প্রত্যক্ষণ, অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গি। জ্যাঁ পিয়াজের মতে শিখনের সময় শিশু একটা সমস্যার সম্মুখীন হয়। সমস্যাপূর্ণ পরিবেশে ব্যক্তি নিজের জ্ঞান ও বুদ্ধির সাহায্যে গোটা পরিস্থিতির একটি ছবি মানসপটে এঁকে নিয়ে তা সমাধানের চেষ্টা করে। এই সমস্যা সমাধানের অর্থ হলো শিখন। জ্যাঁ পিয়াজের মতে জ্ঞান শিশুর আবিষ্কার। জ্ঞান শিশুর মানুষের জন্মগত সংস্থাপনের মধ্যে থাকে না বা আবিষ্কারক কোনো বস্তুর মধ্যেও থাকে না। শিশু এই জ্ঞান পরিবেশ থেকে পারস্পরিক ক্রিয়ার মধ্যে অর্জন করে। অর্থাৎ পরিবেশ ও শিশুর ক্রিয়া সংঘাতের ফলে জ্ঞান উৎপাদিত হয়। পরিবেশ ও ক্রিয়া উভয় প্রক্রিয়া জ্ঞান উৎপাদনের প্রধান মাধ্যম। এই থেকে প্রমাণিত জ্ঞান পূর্ব থেকে সমৃদ্ধ থাকে না, সেটি পরিবেশ ও শিশুর ক্রিয়ার মাধ্যমে অর্জিত হয়। জ্যাঁ পিয়াজ তাঁর মতবাদকে ব্যাখ্যা করেছেন বিভিন্ন ধাপে। প্রবর্তন করেছেন কতগুলো যথোপযুক্ত মৌলিক ধারণা। এই মৌলিক ধারণা গুলো হল: ১। স্কিমা, ২। অভিযোজন প্রক্রিয়া, ও ৩। আত্মকেন্দ্রিকতা,

১। স্কিমা: ক্রিয়ার ধরন বা মানসিক কাঠামো যা জ্ঞান আহরণের প্রক্রিয়া ও জ্ঞান উৎপাদন প্রক্রিয়ার সাথে সংশ্লিষ্ট। জ্ঞান বিকাশের জন্য স্কিমার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।

২। অভিযোজন প্রক্রিয়া : এই প্রক্রিয়া হচ্ছে শিশুর ক্রিয়া ও পরিবেশের ক্রিয়া। যার মাধ্যমে শিশুর জ্ঞান উৎপাদন অগ্রগামী হয়। এই জ্ঞান উৎপাদনের প্রক্রিয়া সংগঠিত হয় আত্মীকরণ ও সহযোজন ধাপে।

• আত্মীকরণ: আত্মীকরণ হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে উপস্থিত মানসিক কাঠামোর সাথে আত্মীকরণ করা হয় বা বিশেষ সম্পর্কে যুক্ত করে। অর্থাৎ শিশু পূর্বে পরিচিত হওয়া কোনো বস্তুর সাথে নতুন দৃশ্যমান ভিন্ন বস্তুকে পূর্বের পরিচিত বস্তু হিসেবে চিহ্নিত করা।

• সহযোজন: এই প্রক্রিয়ায় শিশুর মানসিক কাঠামো উন্নত হয়। অর্থাৎ শিশু পূর্বের পরিচিত বস্তুর সাথে নতুন দৃশ্যমান ভিন্ন বস্তুকে আলাদা করতে পারে। এই যে পরিবর্তন ঘটে সেটি সহযোজন প্রক্রিয়ায় ঘটে থাকে। এই প্রক্রিয়ার আরেকটি বিশেষ গুণ হচ্ছে নতুন অভিজ্ঞতা অর্জিত হয়। অর্থাৎ শিশু নতুন বস্তু সম্পর্কে ধারণা অর্জন করতে শুরু করে।

৩। আত্মকেন্দ্রিকতা: আত্মকেন্দ্রিকতা হচ্ছে শিশুর চিন্তা জাগ্রত করার প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়ায় শিশু ভাব অর্জন করে এবং বস্তু সম্পর্কে চিন্তা করতে শুরু করে। অর্থাৎ শিশু দৃশ্যমান সকল বস্তুকে ভিন্ন ভিন্ন ভাবে চিন্তা করে। এবং সকল বস্তুর সাথে ভিন্ন ভিন্ন নিজস্ব ভাবনার যুক্ততা গড়ে তুলে।

জ্যাঁ পিয়াজের মতে শিশুর মানসিক কাঠামোর সুশৃঙ্খল বিকাশ একটি নির্দিষ্ট ধারা অনুযায়ী ঘটে থাকা। ধারা গুলো শিশুর বয়স অনুযায়ী নির্দিষ্ট ধাপে কার্য সম্পূর্ণ হয়। এই ধাপ গুলো একটি অন্যটির সাথে বিশেষ গুণগত পার্থক্য রয়েছে। এই ধাপ গুলো হলো:-

১। ইন্দ্রিয় পেশির সমন্বয় কাল (০-২) বছর,

২। প্রাক-প্রয়োগিক কাল (২-৭) বছর,

৩। বাস্তব প্রয়োগিক কাল (৭-১১) বছর,

৪। রীতিবদ্ধ প্রয়োগিক কাল ( ১১-১৬) বছর,

১। ইন্দ্রিয় পেশির সমন্বয় কাল (০-২) বছর: মানসিক কাঠামো ও জ্ঞান বিকাশের প্রাথমিক স্তর। এই স্তরে শিশুর সমস্ত ক্রিয়া নির্ভর করে শিশুর অর্জিত অভিজ্ঞতার উপর। অর্থাৎ শিশু তার পঞ্চ ইন্দ্রিয় দ্বারা অর্জিত জ্ঞানের উপর নির্ভর করে। এই স্তরে শিশুর শরীরের সঞ্চালন, সংবেদন, নিয়ন্ত্রণ ও বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের সমন্বয়ের মাধ্যমে শিশুর মানসিক বিকাশ হয়ে থাকে। জ্যঁ পিয়াজ এই ইন্দ্রিয় পেশির সমন্বয় কালকেও ছয়ভাগে ভাগ করে দেখিয়েছেন।

• প্রতিবর্তীক্রিয়া স্তর : এই স্তরটি হলো শিশুর জন্মগ্রহণ করার পর থেকে এক মাস পর্যন্ত। এই বয়সের মধ্যে শিশু তার শরীরের উপর যে নিয়ন্ত্রণ নিয়ে থাকে। জ্যাঁ পিয়াজ এই স্তরের নাম দেন প্রতিবর্তীয় স্তর। অর্থাৎ শিশু জন্মগ্রহণ করার পর হাত-পা নড়াচড়া করা, কান্না করা, হাসা, শ্বাস-প্রশ্বাস ও মায়ের দুধ পান করা। এই গুলো শিশুর প্রাথমিক জীবনের অভিজ্ঞতা, অভিজ্ঞতাগুলো অনুবর্তনমূলক হলেও পরবর্তীতে এই অভিজ্ঞতাগুলো শিশুর ব্যক্তিত্ব বিকাশে সহায়তা করে।

• প্রাথমিক চক্রাকার প্রতিক্রিয়া স্তর : এই স্তর হচ্ছে শিশুর একমাস থেকে চারমাস বয়সের সময়কাল। এই সময়ে শিশু চক্রাকার স্তরে অবস্থান করে নিজেকে আনন্দ দেওয়ার লক্ষে একই কাজ বারবার করে। অর্থাৎ শিশু কোনো বস্তুর সাথে একই প্রক্রিয়ায় খেলাধুলা করে নিজেকে আনন্দিত করে।

• মাধ্যমিক চক্রাকার প্রতিক্রিয়া স্তর: এই স্তরে শিশুর বয়স চারমাস থেকে আটমাস পর্যন্ত। এই স্তরের শিশু কোনো কাজ সম্পাদন করার পর আনন্দের পাশাপাশি ফলাফল প্রত্যাশা করে। অর্থাৎ শিশু কোনো বস্তুর সাথে ক্রিয়া ঘটিয়ে বস্তুর অবস্থান সম্পর্কে অবগত হতে চায়। এই বয়সের শিশু খেলার সামগ্রী নিয়ে নড়াচড়া করে এর প্রতিক্রিয়া পরীক্ষা করে।

• মাধ্যমিক প্রতিক্রিয়ার সমন্বয় স্তর: এই স্তরে শিশুর বয়স আটমাস থেকে বার মাস পর্যন্ত। এই সময়ে শিশু তাঁর পূর্ববর্তী স্তর গুলোর প্রতিক্রিয়াকে ব্যবহার করে। এবং এই সময়ে সমস্যা সম্মুখীন হলে শিশু তা সমাধানের চেষ্টা করে। কোনো বস্তুকে শিশু নড়াচড়া করতে বাধাগ্রস্ত হলে পুনরায় বার বার সে বস্তুকে নড়াচড়া করানোর চেষ্টা করে। অর্থাৎ শিশু সমাধানের পথ খুঁজে।

• উচ্চস্তরে চক্রাকার প্রতিক্রিয়া স্তর: এই স্তরে শিশুর বয়স ১৮ মাস থেকে ২ বছর পর্যন্ত হয়ে থাকে। এই সময়ে শিশু পূর্ব অভিজ্ঞতা থেকে অর্জিত প্রতিক্রিয়াকে ব্যবহার করে ভুল পদ্ধতি প্রয়োগ করে সমস্যা সমাধান করার চেষ্টা করে।

• মানসিক ক্ষমতার সমন্বয় স্তর : এই স্তরে শিশু কল্পনা করতে শিখে, এবং এই স্তরে শিশু মানসিক কল্পনাকে কাজে লাগিয়ে সমস্যার সমাধান করতে পারে। জ্যাঁ পিয়াজ যাকে স্কিমা পদ্ধতি নাম দিয়েছে। সে পদ্ধতি এই স্তরে এসে শিশুর মানসিক কাঠামোকে আরো অধিক হারে অগ্রসর করে। যার ফলে শিশু নতুন কিছু ঘটাতে চাই। অর্থাৎ শিশু পূর্বের সকল অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে নতুন অভিজ্ঞতা তৈরির কাজটি করে। এই পর্যায়ে শিশুর সঠিক বুদ্ধির প্রকাশ ঘটে।

২. প্রাক প্রায়োগিক কাল: এই স্তরের শিশুদের বয়স দুই থেকে সাত বছরের হয়ে থাকে। এই স্তরটি জ্ঞান বিকাশের দ্বিতীয় স্তর, তাই এই স্তরের নাম প্রাক প্রায়োগিক কাল। এই সময়ে শিশু নিজের জ্ঞানকে প্রয়োগ করতে চাই। যদিও শিশুরা এই স্তরে জ্ঞানের যুক্তিক প্রয়োগ ও তা অনুধাবন করতে পারে না। অর্থাৎ শিশু এই সময় জ্ঞান আহরণ করে সেটিকে যৌক্তিক বা সঠিক ভাবে প্রয়োগ করতে পারেনা। তবে জ্যাঁ পিয়াজ এই স্তরকে আবার দুই ভাগে বাগ করেছেন, একটি প্রাক ধারণা কাল: এই স্তরে শিশুর কল্পনা শক্তি জাগ্রত হয়, কল্পনা সঞ্চালন যুক্তি দিতে পারে তবে সে কল্পনা শক্তি ব্যবহার শিশু করতে পারে না। অর্থাৎ শিশু কোনো বস্তু সম্পর্কে যে কল্পনা অনুধাবন করেছে সেটি আবার সঠিকভাবে প্রকাশ করতে পারে না। অন্যটি হলো উপলব্ধির কাল; এই স্তরে শিশু অনুমানের উপর ভিত্তি করে পরিবেশকে বিচার ও ধারণা দিতে পারে। তবে এই স্তরে শিশু মানসিক ক্ষমতা অর্জন করে। বস্তু সম্পর্কে জানার চেষ্টা করে তবে কোনো বস্তু সম্পর্কে পরিষ্কার ব্যাখ্যা দিতে পারে না।

বাস্তব প্রায়োগিক কাল : বাস্তব প্রায়োগিক কালে এসে শিশুর কল্পনা বিলাসী অনুভূতি ধীরের হ্রাস পেতে শুরু করে। শিশু বাস্তব ও প্রকৃতি বস্তু নিয়ে পরীক্ষণ শুরু করে। এবং সে বস্তু সম্পর্কে ধারণা অর্জন ও বুঝতে চেষ্টা করে। এই সময়েই শিশুর প্রথম যৌক্তিক চিন্তনের বিকাশ ঘটে। পূর্ব অভিজ্ঞতাগুলোকে কোনো কিছুর সাথে সম্পর্কিত করতে পারে। বস্তুকে নতুনভাবে সাজানো, বস্তুর আকৃতি সম্পর্কে ধারনা, বস্তুকে নিশ্চিত ও নির্ধারণ করতে পারে।

রীতিবদ্ধ প্রায়োগিক কাল: জ্ঞান বিকাশের এই স্তর শুরু হয় শিশুর ১১ বছর থেকে ১৬ বছর বয়স পর্যন্ত। এই সময়ে কিশোর-কিশোরীরা চিন্তার দক্ষতা অর্জন করে। অর্থাৎ শিশুরা এই স্তরে তাদের চিন্তার বিষয় বস্তু ও কাঠামোকে আলাদাভাবে ভাবতে পারার দক্ষতা অর্জন করে। কোন বস্তু সম্পর্কে সঠিক ভাবনা প্রকাশ করতে পারে। পরিষ্কার ভাবে বুঝিয়ে বলার প্রকাশও করতে পারে। তবে বস্তু যদি বিভ্রান্ত হয় তাহলে বস্তু সম্পর্কে সঠিক ধারণা প্রকাশ করতে ব্যর্থ হয়। তবে বস্তুকে শ্রেণি নির্ধারণ ও বস্তু সম্পর্কে সঠিক ভাবনার যৌক্তিক প্রকাশ ঘটাতে পারে।

বর্তমান শিশু শিক্ষা প্রচলিত শিক্ষার ধারাবাহিকতায় চলছে যার ফলে শিশু শিক্ষার আয়োজন সঠিক ভাবে হচ্ছে না। অর্থাৎ শিশু শিক্ষার ক্ষেত্রে যে মনোবৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অনুসরণ ও অনুকরণের প্রয়োজন সেটির বিপরীতে আমাদের দেশের শিশু শিক্ষা। এতে শিশুর মানসিক কাঠামো বিকশিত হওয়াতো দূরে থাক শিশু জ্ঞান আহরণেও বিব্রত। যদিও এর মাঝে সামান্য সংখ্যক শিশু প্রচলিত শিক্ষায় জ্ঞান অর্জন করে। কিন্তু মানসিক কাঠামো বিকাশিত হয় না। মানসিক কাঠামো বিকশিত না হওয়ায় শিশু জ্ঞান অর্জন করে ঠিক তবে জ্ঞানের সঠিক ব্যবহারে ব্যর্থ হয়। সুতরাং সরকারের প্রতি আহ্বান থাকবে শিশু শিক্ষার শিক্ষাদান পদ্ধতি পরিবর্তন করে, শিশু শিক্ষাদান পদ্ধতি মনোবৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে বাস্তবায়ন করুন। এবং শিশু শিক্ষায় জ্যাঁ পিয়াজের মনোবৈজ্ঞানিক দর্শনের প্রয়োগের উদ্যোগ নিন। জ্যঁ পিয়াজের এই দর্শন শিশু শিক্ষার সমস্যাকে সমাধান করবে তো বটেই পাশাপাশি শিশু শিক্ষাকে আধুনিক, উন্নত করবে। জ্যাঁ পিয়াজের শিশু শিক্ষার এই মনোবৈজ্ঞানিক দর্শন শিশুকে সক্রিয়ভাবে আনন্দের সাথে শিখতে উদ্বুদ্ধ করবে।

লেখক : লেখক ও কলামিস্ট।

পাঠকের মতামত:

১৪ জুলাই ২০২৪

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test