E Paper Of Daily Bangla 71
World Vision
Walton New
Mobile Version

নোয়াখালীতে তরমুজ ক্ষেত পরিদর্শন করলেন ফ্রান্সের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তাগণ

২০২৩ মার্চ ৩০ ০০:০৯:১৮
নোয়াখালীতে তরমুজ ক্ষেত পরিদর্শন করলেন ফ্রান্সের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তাগণ

মোঃ ইমাম উদ্দিন সুমন, নোয়াখালী : দেশব্যাপী পরিচিতি লাভ করেছে  নোয়াখালীর তরমুজ,  এবারও অনেক কৃষক তরমুজ চাষে লাভবান হয়েছে। দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে এ তরমুজ। তরমুজের অধিকাংশ বীজ আসে বর্হিবিশ্বের নানা দেশ থেকে। কুশিয়ারা সীডস কোম্পানি ফ্রান্সের টেকনিজেম কোম্পানীর ভাইকিং এফ-১ এবং লগনি প্লাস এফ-১ চাষ করেছেন তারা ব্যাপক লাভবান হয়েছেন এবং কুশিয়ারা সীড কোম্পানির হারকিউলাস, থর এবং ম্যাজিক বয় নামের তরমুজ কৃষকরা চাষ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

বাংলাদেশের আবহাওয়া, প্রকৃতিক দিক এবং কুষকের চাষকৃত ফসল দেখতে সূদুর ফান্স থেকে ছুটে আসেন টেকনিজেম কোম্পানীর বৈজ্ঞানিক কর্তকর্তা মিস এমা কেরডু এবং টেকনিজেম কোম্পানীর ম্যানেজার মি. থিবল্ট।

সে উপলক্ষে মাঠ দিবসের আয়োজন করে কুশিয়ারা সীডস ২৯ মার্চ বুধবার সুবর্নচর উপজেলার চর-আমান উল্যাহ ইউনিয়ন, চরজুবলী ইউনিয়ন এবং লক্ষীপুর জেলার রামগতি এলাকার কয়েকটি তরমুজ চাষকৃত জমি পরিদর্শন করেন তারা।

এতে আরো উপস্থিত ছিলেন, কুশিয়ারা সীডস কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফয়জুল ইসলাম চৌধুরী, ম্যানেজার আলমগীর হুসাইন, এবং কোম্পানির অন্যান্য কর্মকার্তাগন, এছাড়াও কুশিয়ারা সীডস এর ডিলার মের্সাস ফজলে রাব্বী বীজ ভান্ডারের প্রোপ্রাইটর মোঃ ফজলে রাব্বী এবং উক্ত এলাকাএগুলোর কৃষকবৃন্দ।

টেকনিজেম কোম্পানীর বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এমা কেরডু এবং ম্যানেজার থিবল্ট এক সপ্তাহ বাংলাদেশে থেকে রোপনকৃত মাঠ পরিদর্শন করবেন এবং কিভাবে বীজের মান আরো উন্নত করা যায় সে বিষয়েও গবেষনা করবেন বলে জানান।

কৃষক মোঃ বেলাল হোসেন, কামাল উদ্দিন বলেন, কালো তরমুজের বীজ ভাইকিং এফ-১ চাষে লাভবান ও সফল হয়েছে তারা । তিনি জানান মাত্র ৭৫-৮০ দিনের মধ্যেই ভাইকিং এফ-১ জাতের তরমুজ সম্পর্ণ বাজারজাত করার জন্য প্রস্তুত হয়েছে। একেকটি তরমুজের গড় ওজন ১০ থেকে ১৮ কেজি পর্যন্ত হয় এবং খেতে মিষ্টি ও সুস্বাদু।

মাঠ দিবস অনুষ্ঠানে এমা কেরডু এবং ম্যানেজার থিবল্ট বলেন, বাংলাদেশের কৃষকরা তরমুজ চাষে দিন দিন এগিয়ে যাচ্ছে, ভালো ফলন হওয়ায় তাদের আগ্রহ বাড়ছে, আমরাও ফ্রান্স থেকে সরাসরি ক্ষেত গুলো দেখতে এসেছি, আমাদের তৈরীকৃত বীজ যথেষ্ঠ ভালো করেছে। আমরা যে সমস্যাগুলো দেখছি সেটি গবেষণা করে আরে উন্নত করার জন্যই দেখতে এসেছি, কৃষকদের পরিশ্রম যাতে বৃথা না যায় সে বিষয়ে আমরা আরো তদারকি করছি। আশা করছি আগামিতে ভাইকিং এফ-১ এবং লগনি প্লাস এফ-১ চাষে চাষিরা এগিয়ে আসবে।

(আইইউএস/এএস/মার্চ ৩০, ২০২৩)

পাঠকের মতামত:

১৮ জুন ২০২৪

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test