E Paper Of Daily Bangla 71
Rabbani_Goalanda
Transcom Foods Limited
Mobile Version

শিরোনাম:

‘নদী ভাঙন রোধ ও  বন্যা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে সার্বজনীন উন্নয়ন সম্ভব’

২০২০ অক্টোবর ২০ ১৪:০৩:০৪
‘নদী ভাঙন রোধ ও  বন্যা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে সার্বজনীন উন্নয়ন সম্ভব’

স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশ জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগের সভাপতি এম এ জলিল বলেছেন, নদী ভাঙন রোধ ও বন্যা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে দেশের সার্বজনীন উন্নয়ন সম্ভব। মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাব চত্ত্বরে এক মানববন্ধনে নদী ভাঙন রোধ ও বন্যা নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনার দাবি জানান বাংলাদেশ জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগ।

সভাপতির বক্তব্যে এম এ জলিল বলেন, বাংলাদেশ নদী মাতৃত দেশ। তাই ৭৭০টি নদীকে বাঁচিয়ে নদী ভাঙন রোধ, বন্যা নিয়ন্ত্রণ রোধ করার মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন সম্ভব। সেটি হলো নদী ভাঙন রোধের জন্য পাথর, বালু ভর্তি বস্তা না ফেলে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে নদীর নাব্যতা বজায় রেখে পানি শাসনের মাধ্যমে নদীগুলোকে চলমান রাখতে হবে এবং লম্বালম্বিভাবে। যেখানে লম্বালম্বিতে সম্ভব নয়, সেখানে সিমেন্ট পাইলিং এর মাধ্যমে বেড়া সৃষ্টি করতে হবে। আর সারা বাংলাদেশের বন্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য ৭৭০টি নদীটিকে লম্বালম্বিভাবে দুই কূলে বেড়ীবাঁধ নির্মাণ করতে হবে। আজকের এই মানববন্ধন থেকে আমাদের দাবী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পাথর ও বালু ভর্তি বস্তা না ফেলে পরিকল্পিতভাবে বিশ্বের সার্বজন বিজ্ঞান ভিত্তিক নদী ভাঙন রোধ করুন। আসুন আমরা সবাই অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে নদী ভাঙন রোধ ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ জলোচ্ছ্বাস প্রতিরোধে ব্যবস্থা গ্রহণ করি।

তিনি আরও বলেন, সারা বাংলাদেশের নদীগুলোকে বেড়ীবাঁধের আওতায় আনতে পারলে আর কোন রকম বন্যা এবং নদী ভাঙন থাকবে না। নদী ভাঙন রোধ বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও জলেচ্ছ্বাস প্রতিরোধের স্বপ্ন দেখেছিলেন আমাদের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তার কর্মসূচিকে গ্রহণ করুন, নদী ভাঙন রোধ ও বন্যা নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করুন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের দাবী নদী ভাঙন রোধের জন্য বালু পাথর না ফেলে সেই সরকারের টাকা বরাদ্দ দিয়ে নদী সিকিস্তিদের জমি অধিগ্রহণকরে তাদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হোক। তবেই অসহায় মানুষ সহায়তা পাবে। যারা ক্ষতিগ্রহস্ত হয়েছিল তারা ক্ষতিপূরণ পাবে। তাহলে বাংলাদেশের বেকারত্ব হবে না ও দারিদ্রতা বাড়বে না।

বক্তব্য রাখেন, জয়বাংলা মঞ্চের সভাপতি মুফতী মাসুম বিল্লাহ নাফিয়ী, পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টির মহাসচিব মো. সিদ্দিকুর রহমান, পিডিবি’র সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম হেমায়েত উদ্দিন, বাংলাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নেতা শেরেবাংলার একান্ত ভক্ত সাইফুল ইসলাম শুভ, ঢাকা উত্তর আওয়ামী লীগ নেতা আ স ম মোস্তফা কামাল, নারীনেত্রী এলিজা রহমান, গণতান্ত্রিক লীগের সহ সভাপতি ফাতেমা খাতুন, সাধারন সম্পাদক সমীর রঞ্জন দাস, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফারহানা ইয়াসমিন মনি ও দপ্তর সম্পাদক কামাল হোসেন প্রমুখ।

(পিআর/এসপি/অক্টোবর ২০, ২০২০)

পাঠকের মতামত:

০৬ ডিসেম্বর ২০২০

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে
Website Security Test