এমডি অভি, নারায়ণগঞ্জ : নারায়ণগঞ্জ বন্দর উপজেলার বন্দর ইউনিয়নের কুশিয়ারায় মাটি ভরাট করে খাল দখলের অভিযোগ উঠেছে। এতে খালের পানি প্রবাহ আটকে গেছে। অভিযোগ উঠেছে, স্থানীয় প্রভাবশালীর সহযোগীতায় খালটি মাটি ভরাট করে দখল করা হচ্ছে।

(৩০ অক্টোবর) শনিবার সরেজমিন দেখা য়ায়, বন্দর ইউনিয়নের কুশিয়ারা গ্রামের পাশ দিয়ে প্রবাহিত খালের মুখ মাটি দিয়ে বাঁধ দিয়ে আটকিয়ে মাটি ভরাট কাজ চলছে। নবীগঞ্জ বাগবাড়ী এলাকার লিটনসহ কতিপয় প্রভাবশালীরা পার্শ্ববর্তী খালে মাটি ও বালু ভরাট করে খাল দখল করে। এতে প্রবহমান খালটি মরাখালে পরিণত হয়েছে। ভরাট করার পর পানি সরবরাহের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে। গ্রামবাসীর অভিযোগ, এই এলাকার পানি নিষ্কাশনের একমাত্র খালটি দখলে মরা খালে পরিণত হয়েছে।

এছাড়াও খাল সংলগ্ন দুই পারের বাসিন্দারা খালপাড়জুড়ে মাটি ভরাট করে খালটির অস্তিত্ব বিনষ্ট করেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, প্রবহমান খালটি কুশিয়ারা এলাকার বিভিন্ন পাড়া মহলার সংযোগ খাল, চেয়ারম্যান মেম্বারদের নির্লিপ্ততায় প্রভাবশালীরা দখল করে মরা খালে পরিণত করেছে। খালের পাড়ের অবৈধ মাটির বাঁধ উচ্ছেদ করে খালটি খনন করে খালের নাব্যতা ফিরিয়ে আনার দাবি জানাচ্ছি। স্থানীয় কৃষক জানান, খালটি ভরাট করে ফেললে আমাদের জমিতে আর পানি ঢুকবে না। কুশিয়ারা এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের ম্যানেজ করেই তারা খাল ভরাটে উৎসাহী ও সাহস পেয়েছে। খাল ভরাট করে মোটা অংকের টাকায় এ জায়গা বিক্রি হবে বলে শুনেছি।

এ ব্যপারে বন্দর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এহসান উদ্দিন আহম্মেদ বলেন, খাল দখলের বিষয়ে আমার জানা নাই তবে যারাই করুক, আমি সরজমিনে গিয়ে কাজ বন্ধ করে দেবো এবং খালটি খনন করে খালের নাব্যতা ফিরিয়ে আনবো।

বন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ বি এম কুদরত এ-খুদা বলেন, প্রবাহমান খাল ভরাট করে পানিপ্রবাহ আটকানো অবৈধ। আমি লোক পাঠিয়ে বিষয়টি সরেজমিনে পরিদর্শন করে ব্যবস্থা নিবো।

(এমএ/এএস/নভেম্বর ০১, ২০২১)