সমরেন্দ্র বিশ্বশর্মা, কেন্দুয়া (নেত্রকোণা) : কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মইন উদ্দিন খন্দকার বলেছেন, সরকারের যে সব তথ্য জনগণের নিকট সরবরাহের বিধান রয়েছে সে সব তথ্য স্ব-উদ্যোগে জনগণকে জানানো হবে।

তিনি বলেন, যে কোন বিভাগের তথ্য কোন ব্যক্তি বা গণমাধ্যম কর্মী পেতে পারেন। উপজেলা প্রশাসনে ও বিভিন্ন বিভাগের কর্মকান্ডে স্বচ্চতা ও জবাবদিহিতার জন্যে যে সব তথ্যের জন্য যৌক্তিক ভাবে আবেদন করা হবে, ২০ দিনের মধ্যে অবশ্যই সে সব তথ্য সরবরাহ করা হবে।

তিনি আরো বলেন, উপজেলা পরিষদের বাউন্ডারীর দেয়ালে বিল বোর্ডের মাধ্যমে জনগণকে জানার জন্য বিভিন্ন বিভাগের উল্লেখযোগ্য সব তথ্য সংক্ষিপ্ত আকারে প্রকাশ করা হবে।

উপজেলা প্রশাসন ও তথ্য কমিশন ঢাকা বাংলাদেশের আয়োজনে তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ এর জন অবহিতকরণ সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ ছানোয়ার হোসেনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে গীতিকার সাহিত্যিক ও কেন্দুয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ নূরুল ইসলাম বলেন, মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দেশ স্বাধীনের পর পরই দেশের উঁচু পর্যায় থেকে একে নিম্নস্তর পরর্যন্ত সকল তথ্য জনগনের দোড়গোড়ায় পৌঁছেদিতে সংবিধানের ৭ অনুচ্ছেদে অবাধ তথ্য প্রবাহের কথা লিপিবদ্ধ করিয়েছিলেন বলেই ২০০৯ সালে তারই কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ সংসদে পাস করিয়েছেন। বর্তমান শেখ হাসিনার সরকার অবাধ তথ্য সরবরাহে বিশ্বাসী। তাই দিন দিন দেশ উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আগামী দিনে এই তথ্য প্রবাহ সরবরাহ আরো উন্নত হবে।

সভায় আরো বক্তব্য রাখেন কেন্দুয়া উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক সমরেন্দ্র বিশ্বশর্মা, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ গোলাম জিলানী, ক্রীড়া সংগঠক আশরাফ উদ্দিন ভূঞা, অধ্যাপক রণেন সরকার, ওসি কাজী শাহ নেওয়াজ, তথ্য কমিশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা রিটন কুমার প্রামানিক, সহকারি পরিচালক (প্রশাসন) হেলাল আহমেদ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সেলিনা বেগম সুমি ও ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ মোফাজ্জল হোসেন ভূঞা প্রমুখ।

(এসবি/এসপি/নভেম্বর ১৭, ২০২১)