দুর্নীতির নয়, মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে চাই : দুদক কমিশনার
স্টাফ রিপোর্টার : চলতি বছরের মাঝামাঝি ১৪ জেলায় আরও ১৪ টি আঞ্চলিক কার্যালয় খোলার কথা জানিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কমিশনার (তদন্ত) মো. জহুরুল হক বলেছেন, ‘আমরা চাচ্ছি মানুষ যেনো কমপ্লেইনটা (অভিযোগ) তার দোরগোড়ায় বসে করতে পারে। দূরে যাওয়া যেনো না লাগে। বান্দরবানের লোকের চট্টগ্রামে এসে অভিযোগ করতে হয়। এ জন্য বিভিন্ন জায়গায় আমরা অফিস করছি। আমরা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে চাই, দুর্নীতির দোরগোড়ায় না। মানুষ যেনো তার যেকোনো কমপ্লেইন কাছাকাছি অফিসে গিয়ে করতে পারে। বান্দরবান থেকে চিটাগাংয়ে না আসা লাগে।
মঙ্গলবার (৪ জানুয়ারি) সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান দুদক কমিশনার।
এর আগে গত রবিবার (২ জানুয়ারি) কক্সবাজারে দুদকের অফিস উদ্বোধন করা হয়। সেদিন থেকে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্র সংলগ্ন একটি ভবনে অস্থায়ী সমন্বয় কার্যালয়ের উদ্বোধন করেন দুদক কমিশনার (তদন্ত) মো. জহুরুল হক। এ কার্যালয়ে দুজন উপ-সহকারী পরিচালক, একজন সহকারী পরিচালকসহ ১২ জন নিয়োজিত রয়েছেন।
সারাদেশে দুদকের কার্যক্রম বিস্তৃত করতে ২০১৮ সালে পরিসর বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় দুদক। তিন বছর পর গত বছরের ২৮ অক্টোবর কমিশন সভায় দুদকের জেলা কার্যালয়গুলো চালু করার সিদ্ধান্ত হয়। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ১ জুলাই ১৪টি কার্যালয় স্থাপন ও চালুর কার্যক্রম শুরুর অনুমতি দেওয়া হয়।
আর গত বছরের পহেলা নভেম্বর ইস্যু করা চিঠিতে কার্যালয় স্থাপনের পাশাপাশি দুদকে লোকবল নিয়োগ ও পদোন্নতিসহ যাবতীয় কার্যক্রম গ্রহণ করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়।
২০০৪ সালের ২১ নভেম্বর যাত্রা শুরু করে দুদক। বর্তমানে সারাদেশে ২৩টি সমন্বিত জেলা কার্যালয়কে কেন্দ্র করে চলছে সংস্থাটির দুর্নীতি দমন ও প্রতিরোধের কার্যক্রম।
(ওএস/এসপি/জানুয়ারি ০৪, ২০২২)
