‘সারাদেশে পিঠা উৎসব ছড়িয়ে দেওয়া খুব প্রয়োজন’
স্টাফ রিপোর্টার : সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেছেন, ‘সারাদেশে পিঠা উৎসব ছড়িয়ে দেওয়া খুব প্রয়োজন। তাহলে তরুণ প্রজন্ম ক্ষতিকর ফাস্টফুড সংস্কৃতি ছেড়ে আমাদের আদি ঐতিহ্য পিঠাপুলিতে অভ্যস্ত হবে।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমি খুব ভালো পুলি পিঠা তৈরি করতে পারি। শৈশব থেকেই আমরা গ্রামবাংলার হরেক রকম সুস্বাদু পিঠাপুলি খেয়ে বড় হয়েছি, যা থেকে নতুন প্রজন্ম বিশেষ করে শহরের বাসিন্দারা অনেকখানি বঞ্চিত।’
বুধবার (৫ জানুয়ারি) বিকালে রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ‘জাতীয় পিঠা উৎসব ১৪২৮’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।
সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় জাতীয় পিঠা উৎসব উদযাপন পরিষদ ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির যৌথ আয়োজনে দশ দিনব্যাপী (৫-১৪ জানুয়ারি) এই পিঠা উৎসব হবে।
প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেন, ‘হাজার বছরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের উত্তরাধিকার ভোজনরসিক বাঙালির অনন্য এক ঐতিহ্য বাহারি পিঠা। পিঠা বাঙালি সংস্কৃতির ধারক ও বাহক। আদিকাল থেকেই অঞ্চল ও ঋতুভেদে নানারকম পিঠা তৈরি হয়ে আসছে। জাতীয় পিঠা উৎসব উদযাপন পরিষদ ২০০৮ সাল থেকে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে এ উৎসব আয়োজন করে আসছে।’
আগামীতে প্রতি জেলায় পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় পিঠা উৎসব থেকে ঢাকার বাইরে বিভাগীয় পর্যায়ে এই উৎসব আয়োজন শুরু হয়েছে। আগামীতে প্রতি জেলায় পিঠা উৎসব আয়োজন করা হবে। সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় এ উৎসবের প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করবে।’
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন স্বাধীনতা ও একুশে পদকপ্রাপ্ত নাট্যজন আতাউর রহমান, একুশে ও শিল্পকলা পদকপ্রাপ্ত নৃত্যগুরু আমানুল হক, বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের সেক্রেটারি জেনারেল নাট্যজন কামাল বায়েজিদ ও সিটি গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক (বিক্রয় ও বিপণন) জাফর উদ্দিন সিদ্দিকী।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন জাতীয় পিঠা উৎসব উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক খন্দকার শাহ আলম। অন্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন পঞ্চদশ ‘জাতীয় পিঠা উৎসব উদযাপন পরিষদ-১৪২৮’-এর যুগ্ম-আহ্বায়ক ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সচিব মো. আসাদুজ্জামান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মো. শাহাদাৎ হোসেন।
(ওএস/এএস/জানুয়ারি ০৫, ২০২২)
