চট্টগ্রাম প্রতিনিধি : চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে পাইকারিতে এক লাফে কেজিতে ১২ থেকে ১৫ টাকা কমেছে খোলা সয়াবিন ও পাম তেলে। একই সাথে লিটারপ্রতি ৫ থেকে ৬ টাকা কমেছে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বোতলজাত তেলের দাম।

কয়েকমাস ধরেই লাগামহীন ভোজ্যতেলের দাম। তাতে, লিটার প্রতি ৮০ টাকা পর্যন্ত বাড়ে কয়েক দফায়। ফলে নাভিশ্বাস উঠে সাধারণ মানুষের।

তবে ভ্যাট প্রত্যাহারের ঘোষণার পর থেকে বদলাতে শুরু করেছে পরিস্থিতি। দোকান মালিকরা বলেন, ভ্যাট প্রত্যাহারের ঘোষণার সাধ্যের মধ্যে চলে আসছে তেলের দাম। পণ্য আরও আসা শুরু করলে দাম আরও কমতে পারে।

ভোজ্যতেলের পর বাজারে দাম বৃদ্ধির তালিকায় ছিলো চিনি। তবে কয়েকদিনের ব্যবধানে সেখানেও কেজিপ্রতি কমেছে ৬ টাকা পর্যন্ত। দোকান মালিকরা বলেন, গত সপ্তাহেই যেই চিনি ছিল মণপ্রতি ২ হাজার ৮০০ থাকে ২ হাজার ৮৫০ টাকা সেই চিনি এই সপ্তাহে ২ হাজার ৭'শ টাকা।

এ বিষয়ে চাক্তাই-খাতুনগঞ্জ আড়তদার ব্যবসায়ী সমিতির সাবেক সভাপতি সোলায়মান বাদশা বলেন, বাজার মনিটরিং এর মধ্যে রাখা উচিৎ, কারণ মনিটরিং না করলেই ব্যবসায়ীরা কু-ব্যবসায়ীতে পরিণত হয়ে যায়।

সামনে রমজান, তাই চাহিদা বাড়তে শুরু করেছে ছোলার। শতভাগ আমদানীনির্ভর এই পণ্যটির দাম মাস দুয়েক আগে বাড়লেও এখন কমেছে কেজিতে ২-৩ টাকা। চাহিদা অনুযায়ী আছে পর্যাপ্ত সরবরাহও। যদিও বাড়তির দিকে মসুরডালের দাম। এছাড়া অন্যসব ডালের দাম অনেকটা স্থিতিশীল।

এসব পণ্যের বাইরে পেঁয়াজ আর আদা-রসুনের দাম তুলনামুলকভাবে সহনশীল অবস্থা দেখা গেছে খাতুনগঞ্জে।

(জেজে/এএস/মার্চ ১৪, ২০২২)