জে.জাহেদ, চট্টগ্রাম : কনটেইনার জট কমাতে বিদেশ থেকে আমদানি করা এফসিএল পণ্য দ্রুত খালাস না করলে চারগুণ বাড়তি জরিমানা আদায়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল চট্টগ্রাম বন্দর। মঙ্গলবার থেকে কার্যকরের কথাও ছিল। কিন্তু ব্যবসায়ীদের অনুরোধে আপাতত সিদ্ধান্তটি থেকে সরে এসেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

রমজানকে ঘিরে এফসিএল (এক মালিকের আমদানি পণ্য) পণ্যের আমদানি বেড়ে যায়। প্রতিবছরই রোজার আগে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়। ইতোমধ্যে বন্দরের বিভিন্ন ইয়ার্ডে আমদানি পণ্য বেড়ে গেছে। তাই আসন্ন রমজানে বন্দরে কনটেইনার জট কমাতে ও সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কর্তৃপক্ষ।

চট্টগ্রাম বন্দর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ১ মার্চ ৪ হাজার টিইইউএসের বেশি পণ্য খালাস হলেও পরবর্তীতে তা কমতে থাকে। সর্বশেষ গত ১৪ মার্চ খালাস হয়েছে মাত্র ১ হাজার ৯শ টিইইউএস আমদানি পণ্য। অন্যদিকে গত ১ থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত গড়ে ৪ হাজার টিইইউএস কনটেইনার খালাস হলেও ৯ মার্চ থেকে তা গড়ে ১ হাজার ৯শ টিইইউএস কনটেইনারে নেমে আসে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব মো. ওমর বলেন, এফসিএল পণ্য দ্রুত খালাস না করলে আমরা গতকাল ১৫ মার্চ থেকে চারগুণ বাড়তি মাশুল আদায়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। আমাদের এমন সিদ্ধান্তের পরও আমদানি পণ্য দ্রুত খালাসে ব্যবসায়ীদের তৎপরতা দেখা যায় নি। পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের অনুরোধ ও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে আমরা আপাতত আমাদের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছি। কিন্তু আমরা যদি দেখি বন্দরে কনটেইনার জট বেধে পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে তাহলে পুনরায় আমরা আমাদের সিদ্ধান্ত কার্যকরের সিদ্ধান্ত নেব।

(জেজে/এসপি/মার্চ ১৬, ২০২২)