সালথা প্রতিনিধি : ফরিদপুরের সালথায় চায়না আক্তার নামে এক নারী কৃষকের শতাধিক লাউ ও শিম গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। আগুন দেয়া হয়েছে তার একটি খড়ের পালায়ও। ঘটনাটি উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের ঝুনাখালি গ্রামে ঘটে। এঘটনায় সোমবার থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগি চায়না।

ভুক্তভোগী নারী কৃষকের পরিবার জানান, চায়না আক্তারের স্বামী দেশের বাহিরে থাকায় সে বাবা বাড়ি ঝুনাখালি গ্রামে থাকেন। চায়না ওই গ্রামের মৃত আব্দুল রব মাতুব্বরের মেয়ে। তিনি বাবার বাড়িতে থেকে ২০ শতাংশ জমিতে লাউ ও শিমের চাষ করেন। ইতোমধ্যে তার জমির প্রায় শতাধিক লাউ ও শিম গাছ বড় হয়ে উঠেছিল। সেই গাছগুলো কেটে ফেলা হয়েছে।

চায়না আক্তার অভিযোগ করে গনমাধ্যমকে বলেন, আমার চাচাতো ভাই মোজহার মাতুব্বরের মেয়ের জামাই রিয়াজ শেখ শশুর বাড়িতে ঘর জামাই হয়ে থাকছেন দীর্ঘদিন ধরে।

শুক্রবার বিকালে রিয়াজের গরু ছুটে এসে আমার বাড়ির ওঠানে থাকা পেঁপের গাছ ভেঙ্গে ফেলে। বিষয়টি নিয়ে রিয়াজের সঙ্গে আমার কথা কাটাকাটি হয়। এরপর সোমবার রাতের কোন এক সময় আমার জমির লাউ ও শিম গাছগুলো কেটে ফেলে। শুধু তাই নয়, আমার বাড়ির পাশের থাকা একটি খড়ের পালায় আগুন দেয়া হয়। এতে আমার প্রায় দুই লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। আমার রিয়াজই এই কাজ করেছেন। আমি সালথা থানা ও উপজেলা কৃষি অফিসে অভিযোগ দায়ের করেছি।

তবে এ বিষয় বক্তব্য নেওয়ার জন্য অভিযুক্ত রিয়াজের সাথে গণমাধ্যমকর্মীরা একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ জীবাংশু দাস গনমাধ্যমকে বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। আমরা অফিস থেকে কৃষি উপকরণ দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত নারী কৃষকের পাশে থাকবো।

সালথা থানার এস আই ও সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের বীট অফিসার পরিমল বিশ্বাস গনমাধ্যমকে বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই, শুনেছি একটি অভিযোগ দিয়েছে ভুক্তভোগী। ওসি স্যার বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

(এন/এসপি/জুলাই ২৬, ২০২২)