ফরিদপুরে কীটনাশক পানে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা
দিলীপ চন্দ, ফরিদপুর : ফরিদপুরের ভাঙ্গায় স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ ভয়ে কীটনাশক পানে আত্মহ্যতার ঘটনা ঘটেছে । মীম নামে ঐ স্কুল ছাত্রী রাতের বেলা প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিয়ে ঘর থেকে বাহিরে বের হলে আগে থেকে উৎপেতে থাকা রাব্বী ও তার ২ সহযোগী মিলে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে ধর্ষক রাব্বী তার সহযোগীরা তাকে এই ঘটনা কারো কাছে বললে তার ছোট ২ ভাইকে হত্যার হুমকি দেয়। এতে ভয়ে ঐ স্কুল ছাত্রী কীটনাশক পান করে আত্মহত্যা করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা য়ায়, মিম ভাঙ্গা উপজেলার ঘারুয়া ইউনিয়নের হাজরাকান্দা গ্রামের মো. রেজাউল করিমের মেয়ে দিকনগড় উচ্চ বিদ্যলেয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্রী। ধর্ষক রাব্বী ও মীম সম্পর্কে ফুফাতো ভাই মামতো বোন। রাব্বী মা মীমের সৎ ফুফু। রাব্বী মীমকে বিয়ে করতে চাইতো। মীমের সৎ দাদীকে দিয়ে প্রস্তাব পাঠায়, কিন্তু মীমের বাবা মা না বলে দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে রাব্বী এই কাজ করেছে।
এই বিষয়ে মীমের মা বিউটি বেগম বলেন, গত ২৪ তারিখ দিবাগত রাতে আমার মেয়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকীৎসার জন্য নেওয়ার পর জানতে পারি মীম কীটনাশক (ফিনিস) খেয়েছে। এর পরে ফরিদপুরে পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। কিন্তু গতকাল সকালে মীম মৃত্যু বরণ করে। আমি ধর্ষকদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবি জানাই।
এই বিষয়ে ৯ নং ওয়ার্ডের সাধারণ সদস্য বুলবুল আহমেদ মীমরে আত্মহত্যার ঘটনা নিশ্চিত করে বলেন, মীম গত ২৪ তারিখে কীটনাশক পান করে গতকাল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। মীমের লাশ এসে পৈাছেছে। খুব শীঘ্রই তার লাশ দাফন করা হবে।
এই বিষয়ে ভাঙ্গা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মো. জিয়ারুল ইসলাম বলেন, ঘটনা টি জানার পর আমি ঐ ছাত্রীর বাড়ি গিয়েছিরাম। এখনো পর্যন্ত লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
(ডিসি/এএস/আগস্ট ৩০, ২০২২)
