বিশ্বজিৎ সিংহ রায়, মহম্মদপুর : মাগুরা মহম্মদপুরে যম পূজা ধর্মরাজ পূজাকে ঘিরে এখন উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।  উপজেলার বাবুখালী ইউনিয়নের চর সেলামপুর গ্রামে ১৪ পাড়া রাধাকৃষ্ণ সেবাশ্রম প্রাঙ্গণে ৫১ হাত উচ্চতা বিশিষ্ট যম  ধর্মরাজ এর মূর্তি  তৈরি করে মানষা পূজা করেন ওই গ্রামের সঞ্জয় বিশ্বাস নামের এক ব্যক্তি।

শনিবার ১৮ ফেব্রুয়ারি মূল পূজা অনুষ্ঠিত হয়। এবং প্রায় সপ্তাহব্যাপী পূজা স্থল দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি সকল অনুষ্ঠান শেষ হবে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হবে বলে আয়োজকরা জানান।

সরোজমিন গিয়ে দেখা যায় মহিষের উপর গদা হাতে যমরাজ ধর্মরাজ মূর্তি। অনেক সনাতন ধর্মের নারী-পুরুষ উপবাস থেকে যম ধর্মরাজ এর পূজায় অঞ্জলি দিতে দেখা গেছে। ঢাক-ঢোল বাঁশি কাশি শঙ্খ ও উলুধ্বনিতে পূজা স্থল মুখরিত হয়ে উঠেছে। ব্যতিক্রমী এই পূজা কথা জানতে পেরে বিভিন্ন এলাকা থেকে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যম ধর্মরাজ এর প্রতিমা দর্শন করতে দিনে ও রাতে পূজা স্থলে নারী-পুরুষেরা ভিড় করছেন। কলি যুগের নির্মম যন্ত্রণা, রোগ-শোক জরা মৃত্যু জর্জরিত। বিপদ থেকে রক্ষা পেতে এই পূজার আয়োজন করা হয়। ফরিদপুরে এর মধুখালী উপজেলার ভাটিকান্দি মথুরাপুর গ্রাম থেকে যমরাজ ধর্মরাজ ঠাকুর দর্শনে এসেছিলেন পল্লব রায় তিনি জানান, সনাতন ধর্মে অনেক পূজা আছে যম ধর্মরাজ পূজা কখনো দেখিনি তাই জীবনের প্রথম দেখতে এলাম।

উপজেলার নহাটা গ্রামের সরজিত সাহা বলেন, ঠাকুর দর্শন অপূর্ণতা আছে তবে যমরাজ ধর্মরাজ পূজার কথা শুনে ঠাকুর দর্শন করতে এলাম। সকল আয়োজন দেখে ভালই লাগছে।

(বিআর/এএস/ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৩)