ভোটের আগেই কোটালীপাড়াবাসী মেতেছে ভোট উৎসবে
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি : ভোটের বাকি মাত্র সাত দিন। ভোটের আগেই শেখ হাসিনার নিজ নির্বাচনী এলাকা গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়াবাসী ভোট উৎসব শুরু করে দিয়েছে। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভাকে কেন্দ্র করে এই উৎসব শুরু হয়েছে। উৎসবের আভা ছড়িয়ে পড়েছে কোটালীপাড়া উপজেলার সর্বত্র।
আজ শনিবার কোটালীপাড়া শেখ লুৎফর রহমান আদর্শ সরকারি কলেজ মাঠে প্রধানমন্ত্রী হাসিনার জনসভায় যোগ দিয়ে আনন্দ উৎসবে মেতে ওঠেন। সকাল ১১ টা থেকে জনসভায় স্থলে কোটালীপাড়া উপজেলা শিল্পকলা একাডেমী শিল্পীরা মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধু, শেখ হাসিনা ও নৌকা প্রতীক রচিত সংগীত পরিবেশন করেন। সংগীত ও বাদ্যের তালে তালে জনসভায়স্থলে উপস্থিত লাখ লাখ মানুষ আনন্দ উল্লাসে ফেটে পড়েন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভাকে কেন্দ্র করে সাত দিন আগে থেকেই আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়।
জনসভা নিয়ে সর্বত্রই উৎসব মুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। কাক ডাকা ভোর থেকে কোটালীপাড়া উপজেলার কলাবাড়ি, কান্দি, ধারাবাসাইল, রামশীল, রাধাগঞ্জ, সাদুল্লাপুর, শুয়াগ্রাম, আমতলী সহ ১১ টি ইউনিয়ন থেকে লাখ লাখ নেতাকর্মী ঢাক ঢোল পিটিয়ে নেচে গেয়ে নৌকা নৌকা স্লোগানে এলাকা প্রকম্পিত করে জনসভায়স্থলে। বিজয়ের মাসে জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার নামে স্লোগান দিয়ে গোটা কোটালীপাড়াকে উৎসব মুখর করে তোলান। বর্ণিল পতাকা, ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টারে পোস্টারে নব রূপে সেজেছে কোটালীপাড়া।
১৯৮৬ সাল থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ আসন থেকে সাতবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছে। এর মধ্যে তিনি চারবার প্রধানমন্ত্রী ও তিনবার বিরোধীদলীয় নেত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন।
তিনি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়ে কোটালীপাড়ার সব ক্ষেত্রে উন্নয়ন করেছেন। সরকারি বেসরকারি পর্যায়ে কোটালীপাড়ার মানুষের চাকরি হয়েছে। অর্থ সামাজিক অবস্থার ব্যাপক পরিবর্তন হয়েছে কোটালীপাড়া উপজেলা। বেড়েছে কৃষি উৎপাদন। গড়ে উঠেছে কৃষি নির্ভর শিল্প ও ফার্ম। তাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কোটালীপাড়া বাসীর আস্থা অবিচল। কোটালীপাড়াবাসীর ভোটে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। এজন্য কোটালীপাড়াবাসী গর্ববোধ করেন।
কোটালীপাড়া উপজেলার কলাবাড়ি গ্রামের ভোটার উর্মিলা অধিকারী বলেন, কোটালীপাড়ার যত উন্নয়ন সবই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করেছেন। তিনি আমাদের সবকিছু দিয়েছেন। আমাদের ভোটে তিনি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। এজন্য আমরা গর্বিত। আমরা তার বাইরে কাউকেই ভোট দেবো না। তিনি আমাদের একমাত্র অভিভাবক ও আস্থার স্থল। তাই ৭ জানুয়ারির ভোটের আগেই আমাদের এখানে ভোট উৎসব শুরু হয়েছে। আমরা সর্বোচ্চ ভোট দিয়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে আবারো নির্বাচিত করব।
(টিবি/এসপি/ডিসেম্বর ৩০, ২০২৩)
