অরিত্র কুণ্ডু, ঝিনাইদহ : ঝিনাইদহে রমাজনের প্রথম দিন থেকেই দাম বেড়েছে সব ধরনের সবজির। বেশি দামে কিনতে বাধ্য হচ্ছেন ক্রেতারা। মাঝে কয়েক দিন দাম কমলেও গত দু-তিন দিনের ব্যবধানে কয়েকটি সবজির দাম কেজিতে ২০ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

আজ শুক্রবার সকালে শহরের নতুন হাটখোলা বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পটল, ঢেঁড়স ও করলা এই তিনটি সবজির দাম শতক ছুঁয়েছে। এ ছাড়া অন্যান্য সবজি কিনতে ক্রেতাকে গুনতে হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা। সবজির মধ্যে প্রতি কেজি আলু ৩৫ থেকে ৪৫ টাকা, পাকা টমেটো ৪০ থেকে ৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। করলা ১০০-১২০ টাকা, ঢেঁড়স ৯০-১১০ টাকা, বিভিন্ন জাতের বেগুন ৫০ থেকে ৬০ টাকা, পটল ১০০-১২০ টাকা, বরবটি ১০০ টাকা ও পেঁপে ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

বিক্রেতারা বলছেন, গত কয়েকদিনের ব্যবধানে প্রতি হালি লেবু ৩৫ টাকা থেকে দাম উঠেছে ৮০ টাকা, শসা ৪০ টাকা কেজি থেকে দাম বেড়ে হয়েছে ৭০-৮০ টাকা। ইফতারে ব্যবহার হয় এমন অনেক পণ্যের দাম বেড়েছে গত দুদিনে।

খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ব্যবসায়ীরা বড় আকারের এক হালি লেবুর দর হাঁকছেন ৮০ টাকা। অর্থাৎ প্রতি পিস লেবু ২০ টাকা। আকারে ছোট লেবুর পিস কেনা যাচ্ছে ১৫ টাকায়।

আব্দুল খালেক নামের এক ক্রেতা বলেন, বাজারে সব কিছুর দাম অনেক বেশি। ৭০-৮০ টাকার নিচে কোনো সবজি নেই। পাশাপাশি মাছ-মাংসের দামও অনেক। তাই, সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

জহিরুল নামের এক ক্রেতা বলেন, অন্য দেশে দেখি রমজানে পণ্যের দাম কমে যায়,কিন্তু আমাদের দেশে উল্টো। রমজানে যে হারে জিনিসের দাম বাড়ছে যা সিমার বাহিরে। গরুর গোস্তের দাম ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা কেজি। গরিবরা কি করবো আমরা। এখন ১ হাজার টাকা নিয়ে বাজারে আসলে কিছু কেনাই হয় না।

এ ব্যাপারে ঝিনাইদহ ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে সহকারী পরিচালক নিশাত মেহের জানান, রমজানে যেন বিভিন্ন পণ্যের চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ স্বাভাবিক থাকে সেজন্য আমরা বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। পণ্যের দাম তো অনেক কারণে বাড়ে। তবু আমাদের তদারকি চলছে যেন কেউ অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে না পারে।

(একে/এসপি/মার্চ ১৫, ২০২৪)