নীহার রঞ্জন কুন্ডু, ময়মনসিংহ : মুক্তাগাছা উপজেলা যুব মহিলা লীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসরাত জাহান তনুর সংবাদ সম্মেলন ছিলো তার সকল কুকর্ম ধামাচাপা দেয়ার। আমার নামে তনুর করা সকল অভিযোগ ও নির্যাতন বিষয় মিথ্যা ও মনগড়া। এমনটাই দাবী করলেন তার স্বামী মো. খায়রুল ইসলাম মনি। 

গত শুক্রবার তিনি তনুর মিথ্যা অপবাদের প্রতিবাদেই সংবাদ সম্মেলন করছেন বলে জানান।

মো. খায়রুল ইসলাম মনি জানান, তনুকে তিনি বিয়ে করেন ১ মার্চ ২০১৯ ইং সালে। তাকে নিয়ে সংসার শুরু করেন ঢাকা উত্তরার ১৩ নাম্বার সেক্টরে। তার অগোচরে সেখানেও তার স্ত্রী যুব মহিলালীগের বহিস্কৃত নেত্রী জান্নাত জানান তনু শুরু করে তার লিলা খেলা । রানা, সবুজ ও জাহাঙ্গীর কতিথ বন্ধু নামক সাহেদের সাথে। তার এসব কাহিনী স্বামীর কাছে ধরা পরে এবং তার অবর্তমানে রাতের আঁধারে তার রসিক নাগর রানা সাহেবকে তার স্বামী সাজিয়ে বাসার মালিককে কল করে মো. খায়রুল ইসলাম মনি”র ভাড়াকৃত বাসার সকল মালামাল নিয়ে তনু মুক্তাগাছা চলে আসে এবং মুক্তাগাছা মো. খায়রুল ইসলাম মনি’র ভাড়ায় থাকা বাসার মালিক নারায়ণ কাকার নিকট আগের স্বামী মেহেদীকে উপস্থাপন করে বাসা ভাড়া নেন, পরবর্তীতে আবার মো. খায়রুল ইসলাম মনি”র সাথে যোগাযোগ করে ক্ষমা চায়। মাফ করে দিয়ে তাদের সকল খরচ বহন করে সুখ ও শান্তির আশায় আবার সংসার জীবন শুরু করেন মো. খায়রুল ইসলাম মনি । তার সকল কুকর্মের কাহিনীর প্রমাণ মো. খায়রুল ইসলাম মনি’র কাছে আছে বলে জানান।

মো. খায়রুল ইসলাম মনি আরো জানান, ২১ আগষ্ট ২১ ইং দিবাগত রাতে মুক্তাগাছা নারায়ণ কাকার বাসার ২য় তলায় আপত্তিকর অবস্থায় আগের তালাক দেওয়া স্বামী মেহেদি ও তনুসহ হাতেনাতে ধরে ফেলেন স্বশরীরে। তাদের আটক করেন, মান সম্মানের কারনে বাসার মালিক নারায়ণ কাকা ও এস আই শরিফুল ইসলাম সহ অন্যান লোকজন এসে মেহেদিকে বাসা থেকে রের করে দেয় এবং তনু ও তার মা ক্ষমা চায়। তাদের সকলের কথায় তনুকে ক্ষমা করে দিয়ে সংসার আবার শুরু করেন।
মুক্তাগাছায় নারায়ণ এর বাসায় তনু থাকা অবস্থায় তার দূর সম্পর্কের কাকা মতি ডাক্তার বাবুলের হাতে তুলে দেন তাকে রাজনীতি শেখাতে । এরপর শুরু হয় লিলা খেলা।

মুক্তাগাছার মেয়র সহ সকলের সামনে আমন্ত্রিত অতিথি আহ্বায়ক বিলকিস খানম ও সিনিয়র যুগ আহ্বায়ক স্বপ্না খন্দকার, ইসরাত জাহান (তনু) কে সভাপতি ও তার ভাগিনী সোমা খাতুন কে সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত করেন।

স্বামী থাকা সত্বেও বর্তমানে ইসরাত জাহান তনু, একজন পুরুষে নয়, তিনি বহু পুরুষে আসক্ত । যার সর্বশেষ প্রমান হোটেল ঢাকা রিজেন্সী, খিলখেত (তাং ১০, ২১ শে ডিসেম্বর ২০২৩ ইং)। তনুর করা ১০ ও ২১ ডিসেম্বর ২৩ ইং তারিখের কুকর্ম ধামাচাপা দিতেই তিনি গত ১৬ জানুয়ারি ২৪ইং তারিখে তার পরকীয়া প্রেমিক নিশাতের সহযোগিতায় মো. খায়রুল ইসলাম মনি নামে তার করা মিথ্যা ধর্ষণের মামলা করে।

ডিভোর্সের বিষয়টা মো. খায়রুল ইসলাম মনি গত কয়েকদিন আগে জেনেছেন বলে দাবী করেন । এটা তনু গোপন করে রেখে ছিলো এবং গত ৩ এপ্রিল ২৪ ইং তারিখ সন্ধায় তার মামার বাসায় (ঢাকা) আলোচানার নামে ডেকে নিয়ে মো. খায়রুল ইসলাম মনি’র নিকট ২ লাখ টাকা চায় কমিটি ফেরত আনবে বলে। এ সময় ইশরাত জাহান তনু জানান, ১.৪০ হাজার টাকা কেন্দ্রে দিতে হবে, সাথে মন্ডা ও শাড়ী। সারা দেশে তনুর অপকর্ম ফাঁস হয়ে যাওয়া ঘটনাটি টক অব দ্যা টাউনে পরিনত হয়েছে।

(এনআরকে/এসপি/এপ্রিল ০৬, ২০২৪)