নড়াইল প্রতিনিধি : নড়াইলে সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে আ’লীগ এবং বৈষম্যবিরাধী শিক্ষার্থীদের পাল্টাপাল্টি মিছিল এবং দু'পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় এক যুবলীগ কর্মী গুলিবিদ্ধসহ কমপক্ষে ২০জন আহত হয়েছে।

এ সময় বেশ কয়কটি ককটেলের বিষ্ফোরণ ঘটে। এ সময় পুলিশের টহল পিকআপে আগুন ধরিয়ে দেয় বিক্ষোভকারীরা।

জানা গেছে , রবিবার ( ৪ আগষ্ট ) বেলা ১১ টার দিকে নড়াইল জেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে পুরানো বাস টার্মিনালের দলীয় কার্যালয় থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে নড়াইল পৌরসভার সামনে শেখ রাসেল সেতুর পশ্চিম পাশে লাঠিসোটা নিয়ে অবস্থান নেয়।

এ সময় নড়াইলের নাকসি এলাকা থেকে বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থীদের “নড়াইল জেলা ছাত্র জনতার গণমিছিল”-এর ব্যানারে একটি বিক্ষোভ মিছিল শেখ রাসেল সেতু পার হয়ে শহরের দিকে প্রবেশ করতে গেলে দু'পক্ষের মধ্যে ধাওয়া, পাল্টা-ধাওয়া শুরু হয়। এ সময়
জেলা যুবলীগের কর্মী শহরের আলাদাতপুর এলাকার শেখ প্রিন্স গুলিবিদ্ধ ও সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আকাশ ঘোষ রাহুলের মাথা ফেটে যায়। সংঘর্ষ কমপক্ষ ২০ জন ককটেল ও ইটের আঘাত আহত হয়। আহত প্রিন্স বর্তমান সদর হাসপাতাল চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

সদর হাসপাতালর আরএমও ডা. সুজল বকসি জানান, প্রিন্স গুলিবিদ্ধ হয়েছে। তবে গুলি বের করা হয়েছে। প্রাথমিকভাব মনে হচ্ছে, সে বর্তমানে আশংকামুক্ত।

জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নাঈম ভূঁইয়া জানান, বৈষম্যবিরাধী শিক্ষার্থীদের ব্যানারে নিষিদ্ধ শিবিরের ক্যাডাররা এ হামলা চালায়। তাদের হামলায় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের প্রায় ৫০ জন আহত হয়েছে। তারা সংঘর্ষর সময় অর্ধশতাধিক ককটলর বিষ্ফারণ ঘটায়। এ সময় সদর থানা পুলিশ বেশ কয়েক রাউন্ড টিয়ার সেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

এ বিষয়ে সদর থানার ওসি মাঃ সাইফুল ইসলামকে ফোন করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এ ঘটনার পর থেকে শহরজুড়ে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

(আরএম/এএস/আগস্ট ০৪, ২০২৪)