সংখ্যালঘু নির্যাতনের প্রতিবাদে লক্ষাধিক মানুষের সমাবেশ
তুষার বিশ্বাস, গোপালগঞ্জ : দেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতনের প্রতিবাদে ও ৮ দফা বাস্তবায়নে দাবিতে গোপালগঞ্জে লক্ষাধিক মানুষ মানববন্ধন এবং বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে।
আজ সোমবার দুপুরে শহরের প্রেসক্লাবের সামনে বঙ্গবন্ধু সড়কে ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ব্যানারে এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি মৃনাল কান্তি রায় চৌধূরী পপা, সাবেক সভাপতি ডা. অসিত কুমার মল্লিক, সবেক সহ-সভাপতি মঙ্গল চন্দ্র বিশ্বাস, পূজা উদযাপন পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক প্রাণতোষ আচার্য্য শিবু, গোপালগঞ্জ কেন্দ্রীয় সার্বজনীন কালিবাড়ির সভাপতি রমেন্দ্র নাথ সরকার, সাধারণ সম্পাদক পল্ট্ন হালদার, খাটরা কালিবাড়ির সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল বিশ্বাস, সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সুশীল বিশ্বাস শিপন, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নিতীশ রায়, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের জেলা কমিটির সভাপতি প্রদীপ কুমার বিশ্বাস পল্টু, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় সিকদার, পূজা উদযাপন পরিষদ নেতা টিটো বৈদ্য, আশিষ কুমার বাকচী, সাতপাড় ইউপি চেয়ারম্যান প্রণব বিশ্বাস বাপী, বৌলতলী ইউপি চেয়ারম্যান সুকান্ত বিশ্বাস, সাহাপুর ইউপি চেয়ারম্যান বিনয় সরকার অনাদী, কলাবাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান এ্যাড.বিজন বিশ্বাস, ৫ উপজেলার পূজা উদযাপন পরিষদ ও হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক সহ আরো অনেকে বক্তব্য রাখেন।
বক্তারা বলেন, সারা দেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর সাম্প্রতিক সময়ের নির্যাতন, মন্দির ভাংচুর, বাড়িঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, চাঁদাবাজি, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করা হচ্ছে। তারা দ্রুত এসব ঘটনার তদন্ত করে দোষীদের গ্রেফতার ও বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান।
বেলা ১১ টায় বিক্ষোভ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সকাল সাড়ে ১০ টার মধ্যে জেলার ৫ উপজেলার ৬৮টি ইউনিয়ন ও ৪টি পৌরসভা থেকে খন্ড, খন্ড মিছিল নিয়ে লাখো জনতা জড়ো হন গোপালগঞ্জ কেন্দ্রীয় সার্বজনীন কালিবাড়িতে। তাদের মাথায় কালোকাপড় বাঁধা ছিলো। পরে সেখান থেকে শহরে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে দাবি সম্বলিত ব্যানার ফেস্টুন হাতে নিয়ে বিক্ষুব্ধরা মানববন্ধন রচনা করেন। শহরের বঙ্গবন্ধু সড়ক সড়ক ও আশপাশের এলাকা লোকারণ্যে পরিনত হয়। তাদের দাবি সম্বলিত শ্লোগানে এলাকাটি প্রকম্পিত হয়ে ওঠে।
(টিবি/এসপি/আগস্ট ১২, ২০২৪)
